শেয়ার বাজার

ইরাকে বিমান ঘাঁটিতে হামলা
ইরাকে বিমান ঘাঁটিতে হামলা, মার্কিন সেনা আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৪

ইরাকে বিমান ঘাঁটিতে হামলা, মার্কিন সেনা আহত

বার্তাবেলা ডেস্ক: ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এতে বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়ারা আল আসাদ বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় ওই বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেট দিয়ে হামলা চালানো হয়।

হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া কমপক্ষে একজন ইরাকি কর্মকর্তাও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিজেদের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স বলে দাবি করা একটি গ্রুপ ওই বিমান ঘাঁটিতে হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসি অনুসারে, এই গ্রুপটি ২০২৩ সালের শেষের দিকে প্রকাশ্যে এসেছে। ইরাকে পরিচালিত বেশ কয়েকটি ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর সমন্বয়ে এটি গঠিত হয়েছে বলে জানানো হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু হামলার দাবি করেছে এই গোষ্ঠী। গত কয়েক বছরে আল আসাদ ঘাঁটিতে বারবার হামলা চালানো হয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, শনিবার বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আটকানো সম্ভব হলেও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

গত ৭ অক্টোবরে ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ওই অঞ্চলে ইরান-সমর্থিত বিভিন্ন গোষ্ঠীর হামলা বেড়ে গেছে। ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং এর মিত্ররা লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক জাহাজে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বন্ধ করতে পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে।

শনিবার মার্কিন বাহিনী হুথিদের বিরুদ্ধে আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে। ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের বেশিরভাগ অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী বলছে, তারা হুথিদের একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের স্থানে হামলা চালিয়েছে।

Dummy Ad 1

সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় বাংলাদেশসহ তিন দেশের নিন্দা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় বাংলাদেশসহ তিন দেশের নিন্দা

সৌদি আরবে হুথিদের হামলা তীব্র হওয়ায় দেশটির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও মালদ্বীপ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পৃথক বিবৃতিতে তিন দেশই সৌদি আরবের নিরাপত্তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে হামলার নিন্দা করেছে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি এমন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, যা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, ইসলামের পবিত্রতম শহরের নিরাপত্তা ও পবিত্রতার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে—এমন যে কোনো কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে তিনি এসব হামলা অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানান।

এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার ফেসবুকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা ও মর্যাদা সবসময় সম্পূর্ণভাবে সম্মান ও সুরক্ষিত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হুথিদের হামলা বাড়তে থাকার মধ্যেই বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও মালদ্বীপের পক্ষ থেকে এসব প্রতিক্রিয়া এলো।


গণমাধ্যমের ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞায় আদালতের হস্তক্ষেপ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গণমাধ্যমের ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞায় আদালতের হস্তক্ষেপ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে বড় আইনি ধাক্কা এসেছে। হোয়াইট হাউজে তিনটি সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার বাতিলের সিদ্ধান্ত আটকে দিয়েছেন ফেডারেল আদালতের এক বিচারক। একই সঙ্গে সিএনএন,এমএস নাউ ও পলিটিকোর সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক টিম কেলি এ আদেশ দেন। তিনি বলেন, তিন সংবাদমাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা সম্ভবত মার্কিন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প প্রশাসন ওই তিন সংবাদমাধ্যমের হোয়াইট হাউজ প্রেস পাস বাতিল করে। এর বিরুদ্ধে সোমবার আদালতে মামলা করে সংবাদমাধ্যমগুলো। তারা অভিযোগ করে, এই নিষেধাজ্ঞা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মুক্ত সংবাদমাধ্যমের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে।

বিচারক কেলি ট্রাম্প প্রশাসনকে অবিলম্বে তিন সংবাদমাধ্যমের প্রেস পাস ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি আগামী ১৪ দিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার ওপরও স্থগিতাদেশ দিয়েছেন।

নিষেধাজ্ঞার পক্ষে ট্রাম্প প্রশাসন জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়েছিল। তবে বিচারক বলেন, নিষেধাজ্ঞা জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয়—এমন দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ আদালতের নথিতে নেই।

বিচারক আরও বলেন, ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছিলেন যে ওই সংবাদমাধ্যমগুলোর কথিত ‘অসত্যতা ও নেতিবাচক’ প্রতিবেদনের কারণে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প অভিযোগ করেছিলেন, সংবাদমাধ্যম তিনটি নিয়মিত ‘মিথ্যা’ ও ‘কাল্পনিক’ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। অন্যদিকে, মার্কিন বিচার বিভাগ জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে এনে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে যুক্তি দিয়েছিল।

এদিকে, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। ওই নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে লড়ছে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি। এর মধ্যেই গণমাধ্যমের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেল।

সূত্র: রয়টার্স


অবশেষে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস জাতিসংঘে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ, ২০২৪

অবশেষে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস জাতিসংঘে

অবশেষে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় জরুরিভিত্তিতে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস হলো। সোমবার (২৫ মার্চ) পাস হওয়া এই প্রস্তাবে গাজায় যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি হামাসের হাত থাকা জিম্মিদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির শর্ত রাখা হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ প্রস্তাবে  ভোটদানে বিরত ছিল ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। তবে নিরাপত্তা পরিষদের বাকি ১৪টি দেশ প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেয়।

এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হয়েছে। এই প্রস্তাব অবশ্যই বাস্তবায়ন হতে হবে। যদি কোনো পক্ষ এই যুদ্ধবিরতি ও এর শর্তগুলো বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তাহলে তা হবে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধের শামিল।

এর আগে শুক্রবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতির খসড়া প্রস্তাব দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু রাশিয়া ও চীনের ভেটোর কারণে প্রস্তাবটি পাস হয়নি। সেদিন মস্কোর অভিযোগ ছিল, ওয়াশিংটনের দ্বিমুখী নীতি ইসরায়েলের ওপর কোনো চাপ তৈরি করছে না।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে তোলা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ১১ দেশ। বিপক্ষে দেয় তিন দেশ। আর ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে একটি দেশ।

তবে জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেছিলেন, এই খসড়াটি অত্যন্ত রাজনীতিকরণ করা হয়েছে ও এতে রাফায় সামরিক অভিযান চালানোর জন্য কার্যকর সবুজ সংকেত রয়েছে।