শেয়ার বাজার

অভিনেত্রীর মৃত্যুর পর সাবেক প্রেমিককে নিয়ে তোলপাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

অভিনেত্রীর মৃত্যুর পর সাবেক প্রেমিককে নিয়ে তোলপাড়

ভারতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সঞ্চিতা উগলের অকালমৃত্যু ঘিরে রহস্য ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে। ‘কুমকুম ভাগ্য’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে দর্শকদের পরিচিত মুখ হয়ে ওঠা এই অভিনেত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এরই মধ্যে আত্মহত্যার প্রাথমিক তথ্য সামনে এসেছে। তবে তার মৃত্যুর পর এবার আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন তার সাবেক প্রেমিক ও সহ-অভিনেতা উজ্জ্বল শর্মা।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সঞ্চিতার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইন্দ্রাক্ষী কাঞ্জিলাল উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তার দাবি, ‘সাজন ঘর’ ধারাবাহিকে একসঙ্গে কাজ করার সময় সঞ্চিতা ও উজ্জ্বলের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। কিন্তু সেই সম্পর্কে অভিনেত্রীকে নিয়মিত মানসিক চাপে রাখা হতো।

ইন্দ্রাক্ষীর অভিযোগ, উজ্জ্বল প্রায়ই সঞ্চিতার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতেন। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তার ওপর চিৎকার করতেন এবং অন্যদের সামনেও অপমান করতেন। এমনকি অভিনেত্রীর কাছ থেকে টাকা ধার নেওয়ার পর তা ফেরত চাইলে তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

এক সাক্ষাৎকারে ইন্দ্রাক্ষী বলেন, ‘উজ্জ্বল কথায় কথায় সঞ্চিতার ওপর চিৎকার করত। লোকজনের সামনে ছোট করত। এমনকি মেরে ফেলার হুমকিও দিত। গালিগালাজ করে পাঠানো কিছু বার্তার স্ক্রিনশটও আমার কাছে রয়েছে।’

তার ভাষ্য, শুটিং সেটেও উজ্জ্বলের আচরণ নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ করেছিলেন সঞ্চিতা। পরে পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসেন অভিনেত্রী।

এদিকে সঞ্চিতার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৫ জুন অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে অভিনেত্রীর সহ-অভিনেত্রী মেঘা শর্মা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক অবসাদের সঙ্গে লড়াই করছিলেন সঞ্চিতা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি গভীরভাবে শোকাহত। যতদূর শুনেছি, ও আত্মঘাতী হয়েছে। জানুয়ারি মাস থেকে অবসাদের সঙ্গে লড়াই করছিল।’

মেঘা আরও জানান, মানসিক সমস্যার পাশাপাশি কিছু শারীরিক জটিলতার কারণেও চিকিৎসাধীন ছিলেন সঞ্চিতা।

অভিনেত্রীর ভাই অবিনাশ উগলেও মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে বেশ কিছু দাবি করেছেন। তার মতে, মৃত্যুর আগে নিজের শেষ ইনস্টাগ্রাম পোস্টটি প্রয়াত বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতকে উৎসর্গ করেছিলেন সঞ্চিতা।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১৪ জুন সুশান্তের মৃত্যু হয়েছিল। অবিনাশের দাবি, একই তারিখকে ঘিরেই সঞ্চিতার আচরণে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করেছিলেন তারা।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিনোদন অঙ্গনের প্রতিযোগিতা, কাজের অনিশ্চয়তা এবং ঊর্ধ্বতনদের কাছ থেকে বারবার অপমানের শিকার হওয়ার কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন সঞ্চিতা।

তবে অভিনেত্রীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এরই মধ্যে সাবেক প্রেমিককে ঘিরে ওঠা অভিযোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে বিনোদন অঙ্গনে।

Dummy Ad 1

‘অ্যানিমেল’–এর রণবীরের মতো পুরুষকে আপনি কি ভালোবাসবেন?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩

‘অ্যানিমেল’–এর রণবীরের মতো পুরুষকে আপনি কি ভালোবাসবেন?

বার্তাবেলা: এক নারী অন্তঃসত্ত্বা। তার প্রসববেদনা শুরু হয়েছে। এমন সময়ে মাথায় পিস্তল ধরে আছেন রণবীর কাপুর। তিনি ‘অ্যানিমেল’ সিনেমার ‘হিরো’!

একের পর এক রেকর্ড ভেঙে বলিউডের বক্স অফিস দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সন্দীপ রেড্ডি ভাংগা পরিচালিত ও রণবীর কাপুর অভিনীত ছবি ‘অ্যানিমেল’। সিনেমাটি বাংলাদেশের দর্শকও দেখছেন সিনেমা হলে। মধ্যপ্রাচ্যে ‘অ্যানিমেল’ সিনেমার যে সংস্করণ চলছে, বাংলাদেশেও সেই সংস্করণ সেন্সর পেয়েছে। ‘অ্যানিমেল’ সিনেমায় রণবীর কাপুরের চরিত্রের নাম ‘রণবিজয় সিং’। তিনি সিনেমার নায়ক। এখন আলোচনার বিষয় হলো, রণবীর ‘অ্যানিমেল’ সিনেমায় যে ধরনের পুরুষের চরিত্রে অভিনয় করেছেন, সে ধরনের পুরুষকে কি কোনো নারীর ভালোবাসা উচিত?

স্ত্রীর গলা চেপে ধরে, অকারণ নির্মম ও নৃশংসভাবে মানুষকে হত্যা করে—এই হলো হিরোর চরিত্র বিজয়! সিনেমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত রাগী, ইচ্ছেমতো যৌনাচারে লিপ্ত, বিধ্বংসী, নারীবিদ্বেষী একটা চরিত্র। নারীবিদ্বেষকে দেখানো হচ্ছে ‘আলফা মেল’ চরিত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে। ২০২৩ সালে দাঁড়িয়ে এমন চরিত্রকে ‘পৌরুষের অধিকারী’ হিসেবে দেখানো হচ্ছে, যার মধ্যে মানবিকতাবোধ এবং স্বাভাবিক মানুষের যেসব বৈশিষ্ট্য থাকা উচিত, সেসবের ছিটেফোঁটাও নেই। এ যেন আধুনিক যুগে দাঁড়িয়ে আদিমকালে ফিরে যাওয়া। অনেকেই ফেসবুকে স্ট্যাটাসে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘এটা কি আদিকাল? আমরা কি জঙ্গলে বাস করি? উগ্র পুরুষতান্ত্রিক পুরুষ দর্শককে খুশি করে জঘন্যভাবে টাকা উপার্জনের সস্তা রাস্তা!’

সন্দ্বীপ রেড্ডি ভাংগা যখন বিজয় দেবরাকোন্ডা অভিনীত ‘অর্জুন রেড্ডি’ সিনেমার জন্য সমালোচিত হয়েছিলেন, তাঁর পুরুষ চরিত্রকে বলা হয়েছিল ‘ভায়োলেন্ট’, তখন তিনি বিনোদন সাংবাদিক অনুপমা চোপড়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘ওরা (সমালোচনাকারীরা) ভায়োলেন্সের দেখেছে কী? পরের সিনেমায় আমি দেখাব, “ভায়োলেন্ট পুরুষ” কাকে বলে।’ সেটাই ঘটল। 

‘অ্যানিমেল’ সিনেমার মতো পুরুষতান্ত্রিক দুনিয়ার সিনেমা যেভাবে শারীরিকভাবে শক্তিশালী, অত্যন্ত রাগী, সহিংস, একরোখা, নিয়ন্ত্রণহীন চরিত্রগুলোকে নায়ক হিসেবে তুলে ধরে হাততালি কুড়াচ্ছে, সমাজে তা পৌরুষত্ব সম্পর্কে ভুল বার্তা দিচ্ছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকে। 

একটি ভাইরাল ফেসবুক স্ট্যাটাসে রণবীরের সিনেমার সঙ্গে বাঙালি সংগীত তারকা অনুপম রায়ের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুপমের নানা পোস্ট, ছবি, ক্যাপশন, ভিডিও ও সাক্ষাৎকারে প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে বন্ধুর সঙ্গে প্রাক্তন স্ত্রীর বিয়ের বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারছেন না, তিনি ভালো নেই। তখন তাঁকে একপক্ষ অভিযুক্ত করছে এই বলে যে ‘অনুপম তো ম্যানলি না’। 

অনেকেই বলছেন, এর পেছনে রণবীরের এই চরিত্রটির মতো বলিউডের সিনেমার এই ধরনের ‘লার্জার দ্যান লাইফ’, ‘রাফ অ্যান্ড টাফ’ পুরুষ চরিত্রগুলোরও দায় রয়েছে।জ্বলন্ত সিগারেটও হয়ে উঠেছে পৌরুষের প্রতীক! হৃৎপিণ্ডে অস্ত্রোপচারের পরও গির্জার ভেতর বিজয়ের হাতে সিগারেট! যেন নিয়মকানুন, মানবিকতা, স্বাভাবিকতার কোনো বালাই–ই নেই।

সিনেমায় নারী চরিত্রগুলোকে অতিথি চরিত্র বললেও ভুল হবে না। পুরুষময় একটা চলচ্চিত্র, যেখানে কোনো পুরুষই আবার ‘স্বাভাবিক’ নয়। বাড়াবাড়ির চূড়ান্ত। শাহরুখ খানের ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলছেন, ‘শাহরুখ খান রণবীর কাপুরের চেয়ে অনেক বড় মাপের অভিনেতা, কেননা, তাঁকে কোনো দিন মুখে নারীদের সম্মানের কথা বলে চূড়ান্ত নারীবিদ্বেষী সিনেমায় অভিনয় করে ক্যারিয়ার গড়তে হয়নি। এগুলো স্রেফ ভণ্ডামি!’

আদিমকালে মানুষ অনেকটা নগ্ন হয়ে বনজঙ্গলে শিকার করে বেড়াত। তাদের ভেতর পেশিশক্তিতে যে এগিয়ে থাকত, সে হতো ‘আলফা মেল’। নারীরা তাঁর সঙ্গে সন্তান উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিত। এই ধারণায় নৈতিকতা বা মৌলিক মানবিকতার কোনো স্থান নেই। সভ্যতা শুরুর আগের সেই ধারণাই ধার করা হয়েছে বিজয়ের চরিত্রায়নে। দুর্বল স্টোরিটেলিং ঢাকা হয়েছে মাত্রাতিরিক্ত সহিংসতা, বিরক্তিকর আর প্রাপ্তবয়স্ক সব দৃশ্য দিয়ে। 

অথচ নেতৃত্বগুণের সঙ্গে পেশির সম্পর্ক নেই, সম্পর্ক মেধার ও মননের। যাঁর মানবিক গুণাবলি কর্মের ভেতর দিয়ে অন্য সবাইকে ছাড়িয়ে যায়, তিনিই হন মহানায়ক। একজন নারীর আদর্শ জীবনসঙ্গী তিনিই, যিনি তাঁর সেরা বন্ধু, গল্প করার মানুষ, আবেগীয় নির্ভরতার পরম জায়গা, যিনি আপনাকে প্রতিনিয়ত আপনার ‘সেরা ভার্সন’ হয়ে উঠতে অনুপ্রাণিত করেন, যিনি ক্ষমা করতে জানেন, দুঃসময়টা যাঁর কাঁধে ভর করে সহজে পার করে ফেলা যায়। কিন্তু সুস্থ–স্বাভাবিক সম্পর্কের জন্য রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিমেল’ সিনেমায় দেখানো পুরুষেরা ‘বিগ নো’, ‘রেড ফ্ল্যাগ’।

সিনেপ্লেক্স থেকে ‘অ্যানিমেল’ দেখা বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এক নারী দর্শকের কাছে জানতে চাওয়া হয়, এই সিনেমায় রণবীর কাপুরের মতো পুরুষ চরিত্রকে তিনি সঙ্গী হিসেবে চান কি না। তিনি বলেন, ‘প্রশ্নই আসে না। ও তো আসলে অসুস্থ। ছোটবেলায় বাবার ভালোবাসা, মনোযোগ, যত্ন কিছুই না পাওয়ার ফলে মানসিকভাবে বিগড়ে যাওয়া ভয়ংকর একটা চরিত্র। তার বেড়ে ওঠাটা যদি ঠিকভাবে হতো বা ট্রমাগুলো সারিয়ে তোলার জন্য যদি ঠিকভাবে মানসিক চিকিৎসা করা হতো, তাহলে হয়তো চরিত্রটা এমন হতো না। আমার মনে হয় এই সিনেমার পরিচালকও “অ্যানিমেল” সিনেমায় দেখানো পুরুষ চরিত্রের মতো মানসিকভাবে অসুস্থ। সিনেমায় নারীদের যেভাবে দেখানো হয়েছে, তা এই সময়ে দাঁড়িয়ে কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’

ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস ভাইরাল হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ‘আপনি যদি ভাবেন যে দুনিয়ায় আপনার স্বামীই সবচেয়ে খারাপ, তাহলে “অ্যানিমেল” দেখুন। ভালো লাগবে। মনে মনে শান্তি পাবেন।’


ছুটি রিসোর্টের আয়োজনে বৃক্ষরোপণে মিম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ মে, ২০২৬

ছুটি রিসোর্টের আয়োজনে বৃক্ষরোপণে মিম

দেশের স্বনামধন্য বৃহৎ রিসোর্ট ব্র্যান্ড ছুটি রিসোর্ট ২০২৬ সালের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে নতুন করে সবুজায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন ছুটি রিসোর্টের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বিদ্যা সিনহা মিম, যিনি নিজ হাতে বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।

২০১২ সাল থেকে ছুটি রিসোর্ট নিরলসভাবে দেশি-বিদেশি ফলজ, বনজ ও বিরল প্রজাতির গাছ রোপণের মাধ্যমে একটি সবুজ ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলতি বছরও ছুটি রিসোর্ট নতুন উদ্যমে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু করেছে।

আগামী এক মাসের মধ্যে ছুটি রিসোর্টের চারটি রিসোর্ট এবং নির্মাণাধীন নতুন প্রকল্পসমূহে প্রায় ৪,০০০ (চার হাজার) গাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

আজকের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ছুটি গ্রুপের চেয়ারম্যান এ‍্যডভোকেট মোস্তফা মাহমুদ আরিফি, ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোস্তফা কামাল, ছুটি রিসোর্ট পূর্বাচলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আলমগীর ফেরদৌস, ছুটি রিসোর্ট পুবাইলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. সামসুল ইসলাম মাসুদসহ রিসোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং আগত অতিথিরা। সকলের অংশগ্রহণে এই সবুজ উদ্যোগ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

একটি সবুজ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে ছুটি রিসোর্ট সকলকে এই উদ্যোগে সম্পৃক্ত হওয়ার আন্তরিক আহ্বান জানায়।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপণ শেষে মিম বলেন, ‘আসুন আমরা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ করি। এর মাধ্যমে দেশকে সবুজায়িত করি এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করি।’ তিনি এই মহতী উদ্যোগের জন্য ছুটি রিসোর্টকে ধন্যবাদ জানান।


বিচ্ছেদের পর আবারও কি নতুন সংসার পাতার ইঙ্গিত সানিয়া মির্জার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বিচ্ছেদের পর আবারও কি নতুন সংসার পাতার ইঙ্গিত সানিয়া মির্জার

সমাজমাধ্যমে সানিয়ার একটি পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। শোয়েবের তৃতীয় বিয়ের খবর জানাজানি হওয়ার পর সানিয়া নিজের এত উচ্ছ্বল ছবি পোস্ট করেননি। জল্পনায় ইন্ধন দিচ্ছে সঙ্গের লেখা।

কেমন আছেন সানিয়া মির্জ়া? শোয়েব মালিকের তৃতীয় বিয়ের পর থেকে এটাই বড় প্রশ্ন ক্রীড়াপ্রেমীদের। ভারত-পাকিস্তান দু’দেশের ক্রীড়াপ্রেমীদেরই আগ্রহের কেন্দ্রে টেনিস তারকা। এর মধ্যেই সমাজমাধ্যমে তাঁর একটি পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।

পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়কের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ছেলে ইজহানকে নিয়ে ভারতে ফিরে এসেছেন সানিয়া। গত সপ্তাহ পর্যন্ত ব্যস্ত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ধারাভাষ্যের কাজে। কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, বাবার নতুন বিয়ের কথা শুনে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত ই‌জহান। কিন্তু তিনি কেমন আছেন?

সমাজমাধ্যমে সানিয়ার একটি পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। সিল্কের গোলাপি একটি শার্ট এবং ক্রিম ট্রাউজার্স পরে নিজের একটি সহাস্য ছবি দিয়েছেন সানিয়া। সঙ্গে যা লিখেছেন, তার অর্থ, ‘সব কিছুই সম্ভব’। সানিয়ার হাসিখুশি ছবি দেখে আশ্বস্ত তাঁর অনুরাগীরাও। পাকিস্তানের বহু ভক্ত সানিয়ার প্রশংসা করেছেন।

অনেকের ধারণা, সানিয়াও হয়তো আবার বিয়ে করবেন। নতুন সংসার পাতবেন কারও সঙ্গে। অনেকে তাঁর সাহসী পদক্ষেপকে কুর্নিশ করেছেন। এক জন বলেছেন, ‘‘আপনি ঠিক সেই কাজটাই করছেন, যেটা এক জন অসৎ মানুষের সঙ্গে করা উচিত।’’ আর এক জন আবার বলেছেন, ‘‘ঠিকই বলেছেন। চাইলে সব কিছুই সম্ভব।’’ সানিয়ার হাসিখুশি ছবিতে শুধু ভালবাসার ইমোজি দিয়েও পাশে থেকেছেন অনেকে।