শেয়ার বাজার

দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছর সুবর্ণজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৪

দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছর সুবর্ণজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

মো: রাকিব উদ্দিন (স্পেশাল প্রতিনিধি): কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পুর্তি উপলক্ষে সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলন মেলায় পরিনত হয়েছে। 

শনিবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৮ টার দিকে বিদ্যালয়ের  মাঠে মূল অনুষ্ঠানটি শুরু হয়ে ২দিন ব্যাপী চলে এই অনুষ্ঠান   ।  ২৬ ও ২৭ এপ্রিল  ২দিন ব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান মালায় মুখরিত ছিলো দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের আঙ্গিনা। 

খাওয়া দাওয়া,গল্প গুজব,  একে অপরের সঙ্গে  কুশল বিনিময়,দীর্ঘদিন পর বন্ধুদের কাছে পেয়ে অনেকে আবেগ আপ্লোত হয়ে পড়তে দেখা গেছে। দেশের তীব্র তাপপ্রবাহ উপেক্ষা করে আনন্দ ঘন পরিবেশে সময়  কাটিয়েছে শিক্ষার্থীরা। সব মিলিয়ে বিদ্যালয়ে  শিক্ষার্থীদের এক মিলন মেলায় রুপ নিয়েছে।

প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা এসএসসি পাশের বর্ষ লেখা প্লেকার্ড নিয়ে শোভাযাত্রা বের করে এতে  উচ্ছাস প্রকাশ করতে দেখা গেছে। শোভাযাত্রাটি  হোমনা - রামকৃষ্ণপুর  সড়ক প্রদক্ষিণ করে, বিদ্যালয় মাঠে এসে শেষ হয়। একে একে সবার মাঝে  টি শার্ট,ব্যাগ,ক্যাপ,ব্যাচ ছবি সম্বরিত স্মারক গ্রন্থ" উচ্ছ্বস "বিতরণ করা হয়। 

শনিবার সকাল ১১ টার দিকে বিদ্যালয় মাঠের মূল মঞ্চে সুবর্ণজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. বাবুল মিঞার সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠান শুরু হয়।

এতে  প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও শিক্ষা বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ আবদুল মজিদ। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক উপচার্য অধ্যাপক ড. আল নকীব চৌধুরী, চট্রগ্রাম বিশ্ববিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. মোঃ আবুল কাশেম, শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব মোঃ নুরুজ্জামান। 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য ও  বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মবিন মোল্লা, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববদ্যালয়ের সাবেক ডীন অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ,  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান ও দৌলতপুর উচ্চ  বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন সহকারি শিক্ষক শ্রী অবনী মোহন সূত্রধর, হোমনা সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন, হোমনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আবদুল হক সরকার ও  ঢাকা বিসিআইসি কলেজের অধ্যাপক মীর মো. মাসুদুজ্জামান। 

উক্ত অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারন মূলক বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী: নবীনগর সরকারি কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো রাশেদুল হক নিশাত, হোমনা ছাত্রকল্যাণ সংসদের সাবেক সভাপতি ও সমাজ সেবক মোঃ রকিব উদ্দিন,  হোমনা সরকারি কলেজের অবসর প্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম,  কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক ডাঃ তাইফুর রহমান, বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি গাজী ইলিয়াছ, সুবর্নজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  মো. ইব্রাহীম, বাঞ্ছারামপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক  আবদুল আউয়াল, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক: আমানুল হক অলি,রোজিনা সুলতানা ও কোহিনুর আক্তার, ব্যবসায়ী শামীম সারোয়ার সহ বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা।  

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দকে  সম্মাননা স্মারক (ক্রেস্ট) প্রদান করা হয়। দুপুরে লাঞ্চ বিরতির পর শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। চলে  মধ্যরাত পর্যন্ত।


Dummy Ad 1

কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলেও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে মো. মুজিবুল হক মুজিব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৩

কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলেও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে মো. মুজিবুল হক মুজিব

বার্তাবেলা: ভোটের হাওয়া লেগেছে সারা দেশে। যার উত্তাপ ছড়াচ্ছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আসনভিত্তিক প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো। ইতোমধ্যেই বিভিন্ন হিসেব কষছে ক্ষমতাসীনরা। পিছিয়ে নেই বিরোধী দলগুলোও।

বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার কথা বললেও মাঠ পর্যায়ের নেতারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ভেতরে ভেতরে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনটি। এখানে এক সময়ে রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর আধিপত্য ছিল।

জামায়াতের বর্তমান কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ২০০১ সালে এখান থেকেই এমপি হয়েছিলেন। জামায়াত নেতা তাহের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম আসনটিতে সন্ত্রাসের রাজনীতি কায়েম করেছিলেন বলে ওই এলাকার স্থানীয় মানুষের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। জামায়াতে আধিপত্যের এ ঘাটিতে চৌদ্দগ্রামে আওয়ামী লীগের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন বর্তমান এমপি সাবেক রেলপথমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মুজিবুল হক মুজিব।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর তিনি স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে মো. মুজিবুল হক মুজিব দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলেন।

মুজিবুল হক মুজিব স্কুলজীবনেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তিনি ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দেন। ছাত্র রাজনীতি শেষে তিনি যুবলীগে যোগদান করেন। 

স্বাধীনতার পরে কুমিল্লা জেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন ছাড়াও তিনি কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি মূল সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন সময়ে নেতৃত্ব দেন। 

তিনি বর্তমানে কুমিল্লা (দ.) জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। 

তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি একই আসনে পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং বিপুল ভোটের ব্যবধানে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত সংসদ সদস্য হিসেবে ৭ম সংসদের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮-২০০১ সালে তিনি মহান জাতীয় সংসদের হুইপ (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন) নিযুক্ত হন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তিনি ২৫৯ কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে পুনরায় বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে তিনি মহান জাতীয় সংসদের হুইপ (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন) নিযুক্ত হন।

২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে তার মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে মনোনীত করেন এবং তাকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। গত ২১ নভেম্বর ২০১৩ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে সর্বদলীয় সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য মনোনীত করেন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করেন। ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বর, তিনি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এছাড়াও তিনি সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সদস্য মনোনীত হন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুজিবুল হক কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) নির্বাচনী এলাকা থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ নিয়ে তিনি ৩ বার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাকে মন্ত্রিসভার সদস্য মনোনীত করেন এবং পুনরায় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করেন। এ নিয়ে তিনি তিনবার মন্ত্রিসভার সদস্য হন। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১১ আসন থেকে তিনি আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

আওয়ামী লীগের সময় উন্নয়নের ছোঁয়ায় পাল্টেছে জীবনমানও। এবারও এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মুজিবুল হক মুজিব

মুজিবুল হক বলেন, চৌদ্দগ্রাম আসনটিতে প্রধানমন্ত্রীর অবদানে আওয়ামী লীগের আমলে স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, রাস্তাঘাট, পুল, কালভার্ট, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎসহ সব সেক্টরে উন্নয়ন হয়েছে। আমি এমপি হয়ে নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিয়েছি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনের ৮০ শতাংশেরও বেশি মানুষ নৌকায় ভোট দেবেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও পৌর মেয়র জিএম মীর হোসেন মীরু বলেন, মুজিবুল হক চৌদ্দগ্রামে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। উন্নয়নের স্বার্থে তিনিই পুনরায় বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন। 


২৫৯, কুমিল্লা-১১ আসনঃ মোঃ মুজিবুল হক এমপি'র বিকল্প নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর, ২০২৩

২৫৯, কুমিল্লা-১১ আসনঃ মোঃ মুজিবুল হক এমপি'র বিকল্প নেই

বার্তাবেলা: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর বেশি দিন বাকি নেই। এ নির্বাচন ঘিরে দেশের অন্য সংসদীয় আসনের মতো কুমিল্লা-১১ আসনেও জমে উঠছে নির্বাচনী রাজনীতি। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা এরই মধ্যে মাঠে নেমেছেন, চালাচ্ছেন সীমিত প্রচারণা অন্যদিকে সিদ্ধান্তহীনতায় থাকা বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী দলের প্রার্থীদের প্রচারণা এখনো খুব একটা দৃশ্যমান নয়। অনেকটাই গোপনে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং চলমান অযৌক্তিক হরতাল অবরোধে বিচ্ছিন্নভাবে কোথাও কোথাও ঝটিকা মিছিলসহ পিকেটিং করছে।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নিয়ে গঠিত জেলার গুরুত্বপূর্ণ এই আসন টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগের দখলে। বর্তমানে এই আসনের সংসদ সদস্য সাবেক রেলপথ মন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক মুজিব। এবারও তিনি ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের অন্যতম মনোনয়ন প্রত্যাশী। তাই স্বর্বজনে গুঞ্জন উঠেছে এবারও ৪র্থ মেয়দে তিনিই দলের মনোনয়ন পাবেন এবং পূর্ণরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন।

এই নির্বাচনী আসনের কর্মীবান্ধব, জনবান্ধব, অপ্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক নেতা হিসেবে সাধারণ জনগণও সব সময় গরীব দুঃখী মানুষের চাওয়া পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে মোঃ মুজিবুল হক এমপি'র প্রতিই বার বার আস্থা রেখেছে। চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সাথে আলাপকালে জানতে পারি এই আসনে পূর্বের ন্যয় এবারও সাবেক রেলপথ মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মুজিবুল হক মুজিব এমপি'র নামই সকলের মুখে মুখে। কারন, একমাত্র মুজিবুল হক মুজিব এমপি'র সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করেন, তাদের সুখ দুঃখের সঙ্গী হিসেবে পাশে থাকেন। এবং তিনি প্রতিবারই এমপি ও মন্ত্রী হয়ে সাধারণ জনগণের আস্থা রেখেছেন, এই আসনে তার মতো উন্নয়ন সারা বাংলাদেশ আর কোথাও হয়নি। তাই এই আসনে জনগণ মোঃ মুজিবুল হক এমপি'র বাইরে অন্য কারো বিষয়ে চিন্তা করেননা। দলমত নির্বিশেষে সবাই মুজিবুল হক মুজিবকে উন্নয়নের কারিগর ও স্বজ্জন ব্যক্তি হিসেবেই জানেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সহযোগিতা ও মোঃ মুজিবুল হক মুজিব এমপি'র উদ্যোগে এই উপজেলা আজ আধুনিক উপজেলায় পরিনত হয়েছে।

সর্বোপরি, মোঃ মুজিবুল হক এমপি এই চৌদ্দগ্রাম আসনে রাজনৈতিক স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করেছেন, কোন প্রকার সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি,খুন  সংঘটিত হয়নি। ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও নিজ নিজ ধর্ম কর্ম পালন করেছে, ধর্মীয় সম্প্রীতি অক্ষুণ্ণ রেখেছেন। জানাযায়, এই আসনে একাত্তরের পরাজিত শক্তি জামায়াত-শিবির চক্রের গোপন ঘাটি হিসেবে পরিচিত থাকলেও উক্ত চক্র মোঃ মুজিবুল হক মুজিব এমপি ক্ষমতায় থাকাকালীন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারেনি। এ কারনেও মোঃ মুজিবুল হক মুজিব  এমপি সাধারণ জনগণের কাছে এক নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। আর এজন্যই এই আসনে সাবেক রেলপথ মন্ত্রী জননেতা জনাব মুজিবুল হক এমপি'র বিকল্প নেই। 





ঈদে গণমাধ্যমকর্মীরা ৬ দিন ছুটি পেলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ এপ্রিল, ২০২৪

ঈদে গণমাধ্যমকর্মীরা ৬ দিন ছুটি পেলেন

প্রচলিত রেওয়াজ অনুযায়ী প্রতিবছর ২৯ রমজান থেকে ঈদে তিন দিনের ছুটি ভোগ করেন সংবাদকর্মীরা। রোজা ৩০টি পূর্ণ হলে এই ছুটি চার দিনে পরিণত হয়। সে হিসাবে ৯ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত সর্বোচ্চ ছুটি হওয়ার কথা। এবারের পবিত্র ঈদুল ফিতরে টানা ৬ দিনের ছুটি পেয়েছেন সংবাদপত্রে কর্মরত সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

কিন্তু এবার ঈদের ছুটির এক দিন পর ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ হওয়ায় ফের সরকার নির্ধারিত ছুটির ফাঁদে পড়তে যাচ্ছে সংবাদমাধ্যম। এ জন্য ১৩ এপ্রিল বিশেষ ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)।

শনিবার (৬ এপ্রিল) নোয়াবের বৈঠক শেষে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। ফলে ৯ থেকে ১৪ এপ্রিল টানা ৬ দিন ছুটি পেয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা।

তবে এবার ঈদের ছুটি ৬ দিন একটি অনন্য রেকর্ড। কারণ স্বাধীনতার পর আর কখনো সংবাদমাধ্যম ৬ দিন বন্ধ থাকেনি।

জানতে চাইলে নোয়াবের কোষাধ্যক্ষ ও মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, এবার ঈদের ছুটির মাঝে এক দিনের ব্যবধানে যেহেতু পহেলা বৈশাখ পড়েছে, তাই মাঝের এক দিন বিশেষ ছুটি দেওয়া হচ্ছে।