শেয়ার বাজার

যে কোনো হামলাকে সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করবে ইরান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

যে কোনো হামলাকে সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করবে ইরান

যে কোনো ধরনের হামলাকে সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবাহী রণতরী বহর ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, আমরা আশা করি এটি কোনো বাস্তব সংঘাতের উদ্দেশ্যে নয়—তবে আমাদের সেনাবাহিনী সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। এ কারণেই ইরানে সবকিছু এখন সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, এবার যে কোনো হামলা—সীমিত হোক বা অসীম, সার্জিক্যাল হোক বা কাইনেটিক, তারা যাই বলুক না কেন—আমরা সেটিকে আমাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করবো এবং তার জবাব দেব সবচেয়ে কঠোর উপায়ে দেওয়া হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘নৌবহর’ ইরানের দিকে এগোচ্ছে, তবে তিনি আশা করেন সেটি ব্যবহার করতে হবে না। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে বিক্ষোভকারীদের হত্যা বা পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় শুরু না করার বিষয়ে নতুন করে সতর্ক করেন।

ইরানি কর্মকর্তা বলেন, আমেরিকানরা যদি ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে, তাহলে আমরা জবাব দেবো। তবে তিনি সেই জবাব কেমন হতে পারে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে রাজি হননি।

তিনি আরও বলেন, যে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নিরবচ্ছিন্ন সামরিক হুমকির মুখে রয়েছে, তাদের আর কোনো বিকল্প নেই।

এর আগে বিভিন্ন সময় উত্তেজনা বাড়লে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করেছে, যা সাধারণত প্রতিরক্ষামূলক ছিল। তবে গত বছর জুনে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে বড় ধরনের সামরিক সমাবেশ করেছিল।

Dummy Ad 1

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন নিয়মে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন নিয়মে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ভাড়াটে খুনি স্মিথকে ১৯৮৮ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তার মৃত্যুদণ্ড একবার কার্যকর করার চেষ্টা করা হলেও তখন সে বেঁচে গিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালাবামা অঙ্গরাজ্য নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করে দোষী সাব্যস্ত এক খুনির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে।

প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন ব্যবহার করে সর্বোচ্চ সাজা কার্যকর করার পদ্ধতি চালু হওয়ার চার দশক পর বৃহস্পতিবার নতুন আরেকটি পদ্ধতি ব্যবহার করল যুক্তরাষ্ট্র। এদিন আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত খুনি কেনেথ স্মিথের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। 

ভাড়াটে খুনি স্মিথকে ১৯৮৮ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু তার মৃত্যুদণ্ড একবার কার্যকর করার চেষ্টা করা হলেও সে বেঁচে যায়। বিরল ওই ঘটনাটি ঘটে ২০২২ সালের নভেম্বরে। ওই সময় তার দেহের শিরায় একটি সুই ঢোকানোর জন্য কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা করা হলেও তা প্রবেশ করানো যায়নি। এ ঘটনার পর অ্যালবামার কর্মকর্তারা প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন দিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা বাতিল করেন।

আরও পড়ুন: গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধের নির্দেশ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের

এরপর অঙ্গরাজ্যটি নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পদ্ধতি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। নতুন এই পদ্ধতিকে ‘মানুষের জানা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সবচেয়ে কম যন্ত্রণাদায়ক ও মানবিক উপায়’ বলে অভিহিত করেছিল তারা।  

কর্তৃপক্ষের ধারণা ছিল নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগের এক মিনিটের মধ্যেই স্মিথ জ্ঞান হারাবে ও মারা যাবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এতে আরও কয়েক মিনিট লেগেছে বলে মনে হয়েছে।


মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য হয় শিরা নয় তো প্রাণাঘাতী ইঞ্জেকশনের খোঁজে হন্যে হয়ে থাকা কারাগারগুলোর জন্য শ্বাসরোধ একটি সহজ বিকল্প বলে দাবি করেছে অ্যালাবামা।

রয়টাসর্ জানিয়েছে, জাতিসংঘের নির্যাতন বিশেষজ্ঞ ও স্মিথের আইনজীবীরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এই পদ্ধতির বিরুদ্ধে ছিল। তাদের বক্তব্য ছিল, এই পদ্ধতি ঝুঁকিপূর্ণ, পরীক্ষামূলক এবং এটি যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু বা আঘাতের কারণ হতে পারে। 

বৃহস্পতিবার স্মিথ দ্বিতীয় কিন্তু শেষবারের মতো জল্লাদখানায় যান। জল্লাদরা তাকে একটি চাকা ওয়ালা স্ট্রেচারে আটকে রেখে তার মুখে কল-কারখানায় ব্যবহার করা হয় এমনটি একটি মানসম্মত মুখোশ বেঁধে দেন। এরপর ওই মুখোশে বিশুদ্ধ নাইট্রোজেন ভরা একটি ক্যান আটকে দেন। এই নাইট্রোজেনের প্রবাহ স্মিথকে অক্সিজেন নেওয়া থেকে বঞ্চিত করে।

আরও পড়ুন: গাজার ক্ষুধার্ত মায়েদের বুকে দুধ নেই, অনাহারে লাখ লাখ শিশু   

কারা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৩ মিনিটে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর শুরু হয়, এরপর রাত ৮টা ২৫ মিনিটে স্মিথকে মৃত ঘোষণা করা হয়।       

গণমাধ্যমের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে পাঁচজন সাংবাদিক এ মৃত্যুদণ্ড দেখার অনুমতি পেয়েছিলেন। তারা জানিয়েছেন, নাইট্রোজেন প্রয়োগ শুরু করার পরও স্মিথ বেশ কয়েক মিনিট সজাগ ছিলেন। এরপর তিনি তার মাথা ঝাঁকাতে থাকেন আর প্রায় দুই মিনিট ধরে মোচড়ামোচড়ি করেন, তারপর বেশ কয়েক মিনিট ধরে গভীরভাবে শ্বাস নিতে থাকেন, একপর্যায়ে শ্বাসপ্রশ্বাস ধীর হয়ে আসে যা পরে আর দৃষ্টিগোচর হয়নি। 

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যালাবামার সংশোধন কমিশনার জন হ্যাম বলেন, “মনে হয়েছে স্মিথ যতক্ষণ সম্ভব তার নিশ্বাস বন্ধ করে রেখেছিলেন।”


ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ মে, ২০২৬

ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর দফায় দফায় হামলার দায় স্বীকার করেছে হিজবুল্লাহ। ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠী জানিয়েছে, সোমবার তাদের যোদ্ধারা দক্ষিণ লেবাননের অভ্যন্তরে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর ১৪টি হামলা চালিয়েছে। খবর আল জাজিরার।

এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ বিস্ফোরক ড্রোন, রকেট এবং কামানের গোলা ব্যবহার করে চালানো আক্রমণাত্মক অভিযানের বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছে। এই হামলাগুলো মূলত লেবাননের বেশ কয়েকটি সীমান্তবর্তী শহর ও উপত্যকায় ইসরায়েলি সৈন্য এবং সামরিক যানবাহনের সমাবেশকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে।

গত ১৭ এপ্রিল শুরু হওয়া মূল যুদ্ধবিরতি চুক্তি কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকার পর সম্প্রতি ওয়াশিংটনে দুই পক্ষ আরও ৪৫ দিনের জন্য চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়েছে। তবে এই সমঝোতার মধ্যেই লেবাননের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় দেশটিতে ২ হাজার ৯৮৮ জন নিহত এবং ৯ হাজার ২১০ জন আহত হয়েছেন।

কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও গত মাসে কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো সরাসরি বৈঠকে বসেছিল ইসরায়েল ও লেবানন। তারই ধারাবাহিকতায় ওয়াশিংটনে তৃতীয় দফা আলোচনা শেষে দুই পক্ষ ৪৫ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়। আগামী ২৯ মে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় একটি নিরাপত্তা প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এবং আগামী ২ ও ৩ জুন ওয়াশিংটনে পরবর্তী দফার বৈঠক নির্ধারিত হয়েছে।

তবে এই সরাসরি আলোচনার তীব্র বিরোধিতা করছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। বিশেষ করে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের বোমাবর্ষণ এবং এলাকা দখল করে রাখার বিষয়টিকে তারা মেনে নিতে পারছে না।


যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইরানের ‘কোনো আস্থা নেই’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইরানের ‘কোনো আস্থা নেই’

শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তেহরানের ‘কোনো আস্থা নেই’ এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে কেবল আন্তরিক হলেই তারা আলোচনায় আগ্রহী। এদিকে যুদ্ধ শেষ করার আলোচনা স্থগিত রয়েছে। খবর এএফপির।

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে বর্তমানে নয়াদিল্লিতে আছেন আরাঘচি। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তেহরানের সঙ্গে ‘যুদ্ধে লিপ্ত’ জাহাজগুলো ছাড়া বাকি সব জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেতে পারবে, যদি তারা ইরানের নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে।

কিন্তু বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্য বাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের পরিস্থিতি ‘খুবই জটিল’ বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

সামাজিক মাধ্যম এক্সে করা একটি পোস্টে আরাঘচি বলেন, তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করকে জানিয়েছেন যে, হরমুজের নিরাপত্তার রক্ষক হিসেবে ইরান সর্বদা তাদের ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করবে।

গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর ইরান হরমুজ প্রণালিতে বেশিরভাগ জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের সমুদ্রপথে তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ চলাচল করে।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা থমকে গেছে

ওয়াশিংটন ও তেহরান গত মাসে একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি সম্পাদনে হিমশিম খাচ্ছে। গত সপ্তাহে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর থেকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনা স্থগিত রয়েছে।

আব্বাস আরাঘচি বলেন, পরস্পরবিরোধী বার্তা আমেরিকানদের আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে ইরানিদের মনে সন্দেহ জাগিয়েছে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানি মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়নি, তবে এটি ‌‌‘কঠিন পরিস্থিতির’ মধ্যে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ১৩ মাসে ইরানের ওপর বিমান হামলা চালিয়ে তেহরানের সঙ্গে আগের দুই দফা আলোচনা সংক্ষিপ্ত করেছে। আরাঘচি বলেন, ইরান কূটনীতিকে সুযোগ দেওয়ার জন্য সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার চেষ্টা করছে, কিন্তু লড়াইয়ে ফিরে যেতেও প্রস্তুত তারা।

দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা আটকে থাকার কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং হরমুজ প্রণালির ওপর তার নিয়ন্ত্রণ। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের প্রতি তার ধৈর্য ফুরিয়ে আসছে এবং তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনায় সম্মত হয়েছেন যে তেহরানকে অবশ্যই এই প্রণালি পুনরায় খুলতে হবে।

তেহরান বেইজিংয়ের মধ্যস্থতায় আগ্রহী কিনা জানতে চাইলে, আরাঘচি বলেন, সাহায্য করতে সক্ষম যেকোনো দেশের প্রচেষ্টাকে ইরান স্বাগত জানায়। তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে আমাদের খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আমরা কৌশলগত অংশীদার এবং আমরা জানি যে চীনাদের উদ্দেশ্য সৎ। তাই কূটনীতিতে সাহায্য করার জন্য তারা যা কিছুই করতে পারে, তাকে স্বাগত জানানো হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি, আলোচনার অগ্রগতির সাথে সাথে আমরা একটি ভালো সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যেন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ সুরক্ষিত হতে পারে এবং আমরা এই প্রণালি দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারি।