শেয়ার বাজার

কুমিল্লায় ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লায় ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময়

কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে মতবিনিময় এবং দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির বিশেষ টিম। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় শেষে সমিতির আইনজীবীদের মধ্যে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের পরিচিতি ও কার্যক্রম সংবলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়। এসময় সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম, সাংগঠনিক বিষয় ও আইনজীবীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিয়ে মতবিনিময় করেন কেন্দ্রীয় নেতারা।

কর্মসূচিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ আবদুল বাসেত, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মাদ মশিউর রহমান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, অ্যাডভোকেট মো. আলমগীর ভূইয়া, অ্যাডভোকেট মো. আ. হামিদ, অ্যাডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসির, সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুহা. হানিফ মিয়া, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জি. এম. নজরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, অর্থ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান এবং ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. শওকত আলী হাওলাদার কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, ইসলামী আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় টিম চারদিনের সাংগঠনিক সফরে বের হয়েছে। সফরকালে কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি আইনজীবী সমিতিসহ বিভিন্ন আইনজীবী সমিতির আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করার কথা রয়েছে।

সফরের সার্বিক সফলতা ও নিরাপদ যাত্রার জন্য ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল, কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন ইসলামী আইনজীবী পরিষদের নেতারা।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মিডিয়া ছেলের প্রধান সমন্বয়ক কে এম শরীয়াতুল্লাহ বুধবার রাতে এ তথ্য জানান।

Dummy Ad 1

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ইসিকে কমেডি সেন্টার নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবেই জনগণ দেখতে চায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইসিকে কমেডি সেন্টার নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবেই জনগণ দেখতে চায়

নির্বাচন কমিশনকে কমেডি সেন্টার নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবেই জনগণ দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনের গ্রহণযোগ্যতা ও নিরপেক্ষতা অক্ষুণ্ন রাখা উচিত। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে একের পর এক পরস্পরবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য জনমনে অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন তৈরি করছে।’

তিনি বলেন, ‘একদিকে সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে ঘোষণা, অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি; আবার কমিশনের পক্ষ থেকেই বলা হচ্ছে, তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয়।’

এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। তাই কমিশনের বক্তব্য হওয়া উচিত একক, স্পষ্ট, সমন্বিত ও তথ্যভিত্তিক।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের আস্থা নিয়ে কোনো ধরনের অস্পষ্টতা কাম্য নয়। নির্বাচন কমিশনকে কমেডি সেন্টার নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবেই দেখতে চায় জনগণ।’


বিএনপির মানববন্ধন কর্মসূচি; নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি ডিএমপি কমিশনারকে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৩

বিএনপির মানববন্ধন কর্মসূচি; নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি ডিএমপি কমিশনারকে

বার্তাবেলা: ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে মানববন্ধন কর্মসূচিতে নিরাপত্তা চেয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে চিঠি দিয়েছে বিএনপি।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির দপ্তর সম্পাদক সাইদুর রহমান মিন্টুর সই করা চিঠি ডিএমপি কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান। এর আগে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে ঢাকাসহ সারাদেশে জেলা সদরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন।

এদিকে সরকারের পদত্যাগের একদফা দাবিতে আন্দোলন করছে বিএনপি। এর মধ্যে ২৮ অক্টোবরের পর থেকে হরতাল-অবরোধের কর্মসূচি দিয়ে আসছে দলটি। এ অবস্থায় ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। এসব দিবসে দলটির নেতারা মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।


বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি শেখ সেলিমের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি শেখ সেলিমের

বার্তাবেলা ডেস্ক: বিএনপি-জামায়াতকে উগ্র সন্ত্রাসী ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করে বাংলাদেশে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি তুলেছেন সরকারদলীয় সিনিয়র সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ সেলিম এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এরা রাষ্ট্রের শত্রু, স্বাধীনতার শত্রু। সাম্প্রদায়িকতা গণতন্ত্রের শত্রু। সন্ত্রাসী, জঙ্গি, স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াতকে নিষিদ্ধের দাবি করছি। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

শেখ সেলিম বলেন, বঙ্গবন্ধু এদেশে স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা হিসেবে আপনিই এটা পারবেন। বিএনপি-জামায়াত স্বাধীনতাবিরোধীদের নিষিদ্ধ করলে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে।

এ সংসদ সদস্য বলেন, বাংলাদেশ ও দেশের স্বাধীনতাকে বাঁচাতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বাংলাদেশে কোনো স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যাতে রাজনীতি করতে না পারে সেজন্য এ দাবি করছি। তাদের নিষিদ্ধ করতে হবে। এরা যেন রাজনীতির নামে বাংলাদেশে খুন, সন্ত্রাস ও অরাজকতা করতে না পারে। আর যাকেই ধরতে পারবেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোনো দয়া-মায়া দেখানোর সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়। এরা জঙ্গি, সন্ত্রাসী, স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠী। তাদের এদেশে রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। তারা সংবিধানকে তোয়াক্কা করে না। যারা সংবিধান, নির্বাচন মানে না তারা আবার কী রাজনীতি করবে।

তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যকারীদের সন্ধানে কমিশন গঠনের প্রস্তাব করে বলেন, কারা এর পেছনে জড়িত ছিল তা বেরিয়ে আসবে। যারা বঙ্গবন্ধুকে মারতে মারে তারা যেকোনো ঘটনা ঘটাতে পারে।

দেশের বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াত শক্তি আবারও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান লন্ডনে বসে বিশ্বের বড় সন্ত্রাসী দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করে। কীভাবে বাংলাদেশে অস্থিরতা বৃদ্ধি করা যায়, উন্নয়নের অব্যাহত ধারা বন্ধ করতে ষড়যন্ত্র করছে।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে শেখ সেলিম বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু যখন অর্থনৈতিক মুক্তির পথে অগ্রসর হন তখন অতি বিপ্লবী, প্রতিবিপ্লবী... স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা জড়িত ছিল। উগ্রপন্থি সিরাজ সিকদার, সর্বহারা হকিত্বোহা, পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি, লাল পতাকা বাহিনীর থানা লুট, ব্যাংক লুট, পাটের গুদামে আগুন, মানুষ হত্যা। ৭ জন সংসদ সদস্যকেও হত্যা করা হয়। কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে গণবাহিনী ও জাসদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়িতে সশস্ত্র আক্রমণ করে। কর্নেল ওসমানী গণতন্ত্র বলে বুক ফাটিয়ে ফেলতো, সে খুনি মোশতাকের সামরিক উপদেষ্টা হয়। গণবাহিনীর প্রধান কর্নেল তাহের বাহিনী রেডিও স্টেশনে গিয়ে খুনিদের সমর্থন জানায়। বঙ্গবন্ধু হত্যার গণবাহিনী-জাসদ এরা বৈজ্ঞানিক সমাজন্ত্রের কথা বলে বঙ্গবন্ধুকে বিব্রত করার চেষ্টা করেছিল। বঙ্গবন্ধুর চারপাশে যে শক্তিগুলো ছিল সেখান থেকে ষড়যন্ত্র না হলে বঙ্গবন্ধুর গায়ে কেউ হাত দিতে পারতো না। বড় একটা চক্র বঙ্গবন্ধুর আশপাশে ঘুরে তাকে বিভ্রান্ত করেছে।

তিনি বলেন, কিছু কিছু বুদ্ধিজীবী এখনো আইনের শাসন ও মানবাধিকারের কথা বলে টেলিভিশনের পর্দা ফাটিয়ে দেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এসব বুদ্ধিজীবীরা সেদিন কোথায় ছিলেন?

আওয়ামী লীগের এই সিনিয়র এমপি বলেন, জিয়া ছিল আইএসআই-এর এজেন্ট। জিয়ার জন্ম পাকিস্তানে। তার পড়াশোনাও পাকিস্তানে। ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা চলাকালে আইএসআই-এর এজেন্ট হিসেবে জিয়াকে বাংলাদেশ পোস্টিং দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ৭ জানুয়ারির নির্বাচন বন্ধের জন্য বিএনপি-জামায়াত একের পর এক নাশকতা শুরু করে। লন্ডনে বসে তারেক জিয়া অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়। ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে জনগণ তার জবাব দিয়েছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করতে চায়।