শেয়ার বাজার

মানববন্ধনের পর হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানববন্ধনের পর হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে ভ্যানচালক মো. বাশার গাজী হত্যার ঘটনায় আসামিদের বাড়িঘরে হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাজুড়ে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মুন্সিগঞ্জের সীমানা সংলগ্ন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের শাহ আলী বাজারে স্থানীয় এলাকাবাসী ও নিহতদের পরিবারের ব্যানারে অনুষ্ঠিত হয় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন। এরপর বিক্ষুব্ধরা মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বেতকা ইউনিয়নের মামুদাদপুর এলাকায় গ্রেফতার ৩ আসামি কাউসার মোল্লা, মো.শামীম শেখ ও রাজনের বাড়িঘরে কয়েক দফা হামলা ও ভাঙচুর চালান।

হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এর আগে মানববন্ধনে বক্তারা বাশার গাজী হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান। পরে কর্মসূচি শেষে একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বেতকা ইউনিয়নের মামুদাদপুর এলাকায় প্রথমে গ্রেফতার আসামি কাউসার মোল্লার দুটি বসতঘরে ভাঙচুর চালায়। এরপর বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে গিয়ে নারায়ণগঞ্জের আলীরটেক ইউনিয়নের তৈলখিলা এলাকায় গ্রেফতার অপর দুই আসামি শামীম শেখ ও মো. রাজনের বাড়িঘরেও ভাঙচুর করা হয়।

বার্তাবেলা নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করে টঙ্গীবাড়ী থানার পরিদর্শক কাজী মাসুদ রানা জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সদস্যরা থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পিবিআই ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে টঙ্গীবাড়ীর মামুদাদপুরে নিজ বাড়িতে অটোভ্যান চালক বাশার গাজীকে হত্যা করা হয় বলে পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে আসে। পরে তার মরদেহ ঘরের আঁড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয় বলে জানায় পিবিআই।

এ ঘটনার পর মুন্সিগঞ্জ পিবিআইয়ের একই টিম ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করে, এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শামীম শেখ, রাজন ও কাউসার মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতারদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চোরাই অটোভ্যান উদ্ধার করা হয়।

পিবিআই জানায়, গ্রেফতার তিন আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ও হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

Dummy Ad 1

মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হলেন চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান সাংবাদিক মহিন উদ্দিন স্বপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হলেন চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান সাংবাদিক মহিন উদ্দিন স্বপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান ও মানবসেবায় নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠক মহিন উদ্দিন স্বপনকে ‘মানবতার পাশে ফাউন্ডেশন’-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই লেখাপড়ার পাশাপাশি মানবসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন তিনি। অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সহযোগিতা করাকে নিজের দায়িত্ব মনে করেন মহিন উদ্দিন স্বপন।

সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর মহিন উদ্দিন স্বপন বলেন, “সর্বপ্রথম আমি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। তিনি আমাকে সুস্থ রেখেছেন এবং মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। একই সঙ্গে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান সাংবাদিক উজ্জ্বল ভূঁইয়া ভাইয়ের প্রতি। তিনি আমাকে এত বড় একটি দায়িত্ব দিয়েছেন।”

তিনি আরও বলেন, “আমি যেন এই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করতে পারি এবং গরিব-দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি, এটাই আমার প্রত্যাশা। মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম শুধু একটি নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ভবিষ্যতে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে দিতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।”

মহিন উদ্দিন স্বপন বলেন, “আমি মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম দেখেছি। তারা অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের মানবিক উদ্যোগ আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। সেই কারণেই আমি এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। আমরা সবাই মিলে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ মানবতার পাশে ফাউন্ডেশন একদিন অনেক দূর এগিয়ে যাবে।”

এদিকে, মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক উজ্জ্বল ভূঁইয়া বলেন, মানবতার পাশে ফাউন্ডেশন গড়ে তোলার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। যারা এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, আমি বিশ্বাস করি তারাও মানবতার কল্যাণে কাজ করতে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসবেন।

তিনি বলেন, “আমি নিজের চোখে দেখেছি, অনেক মানুষ ঠিকমতো একবেলা খাবারও খেতে পারেন না। অনেক অসহায় মানুষ রাস্তায় রাত কাটান।

তাদের কষ্ট আমাকে নাড়া দিয়েছে। তাদের পাশে দাঁড়ানো, অন্তত একমুঠো খাবার তুলে দেওয়া এবং বিপদের সময়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য থেকেই মানবতার পাশে ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছি।”

উজ্জ্বল ভূঁইয়া সমাজের বিত্তবান ও বিবেকবান মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “মানবতার কল্যাণে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা সবাই মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের পাশে থাকুন। সম্মিলিতভাবে কাজ করলে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। মানুষের জন্য কাজ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠক মহিন উদ্দিন স্বপনকে ঘিরে মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংগঠনের সংশ্লিষ্টরা। মানবিক সহযোগিতা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে সংগঠনটি ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশাই সংশ্লিষ্টদের।


হাট-বাজারের খাস জমি দখলের শাস্তি মোবাইল কোর্টে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হাট-বাজারের খাস জমি দখলের শাস্তি মোবাইল কোর্টে

হাট ও বাজারের সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখল কিংবা সেখানে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের ঘটনায় এখন মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে শাস্তি দেওয়া যাবে। এ জন্য মোবাইল কোর্ট আইনের তফসিলে এ সংক্রান্ত আইন যুক্ত করেছে সরকার।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯’ এর ধারা ১৫-এ দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকার ওই আইনের তফসিলে নতুন ক্রমিক নম্বর ১৩৩ যুক্ত করেছে। এতে ‘হাট ও বাজার (স্থাপনা ও ব্যবস্থাপনা) আইন, ২০২৩’ এর ধারা ১২ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

হাট ও বাজার (স্থাপনা ও ব্যবস্থাপনা) আইনের ১২ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ধারা ১০-এর বিধান লঙ্ঘন করে হাট ও বাজারের সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখলে রাখলে অথবা ওই খাস জমির ওপর কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কিংবা নির্মাণের উদ্যোগ নিলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

এ অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের ফলে হাট ও বাজারের সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখল এবং সেখানে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের মতো অপরাধ মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিচার ও 


জবি ছাত্রীর আত্মহত্যা;
অভিযুক্তদের গ্রেফতারে ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ, ২০২৪

অভিযুক্তদের গ্রেফতারে ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইরুজ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে এ ঘটনায় দায়ীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (১৬ মার্চ) বিকেল সাড়ে তিনটায় বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর ভিক্টোরিয়া পার্ক ও কবি নজরুল সরকারি কলেজ ঘুরে মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়।

এরপর সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে দাঁড়িয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ছয় দফা দাবি ঘোষণা করেন। এসব দাবি বাস্তবায়নে ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন তারা।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইভান তাহসিভ বলেন, ফাইরুজ অবন্তিকা অসাধারণ শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নানান বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে জবি শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরাকে মুক্তির জন্য যে আন্দোলন হয়েছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে, সেখানে অবন্তিকাও নেতৃত্ব দেন। এজন্য তাকে নানান ধরনের হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়েছে। এরপরও তিনি পিছপা হননি। কিন্তু তারই এমন করুণ পরিণতি আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। বিষয়টির সঙ্গে যারা জড়িত সবার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

অপর এক শিক্ষার্থী বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সব ভাই-বোনদের জন্য নিরাপদ করে তুলবো আমরা। আন্দোলন চালিয়ে যাবো। আমাদের বোনের এমন পরিণতির জন্য যারা দায়ী তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতেই হবে।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে, অভিযুক্ত শিক্ষক দ্বীন ইসলাম ও শিক্ষার্থী আম্মান সিদ্দিকিকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও সুষ্ঠু বিচারের আওতায় আনা, দ্রুত সিন্ডিকেট ডেকে অভিযুক্তদের স্থায়ী বহিষ্কার, ভুক্তভোগীর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী নিপিড়ন সেল কার্যকর করতে হবে।

এর আগে শনিবার সকালে অভিযুক্ত সহকারী অধ্যাপক দ্বীন ইসলামকে সহকারী প্রক্টর ও শিক্ষকতা থেকে সাময়িক বরখাস্ত এবং অভিযুক্ত রায়হান সিদ্দিকি আম্মানকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

জানা গেছে, ফাইরুজ অবন্তিকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাত ১০টার দিকে প্রথমে ফেসবুকে পোস্ট দেন ফাইরুজ। এরপর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, তিনি মারা গেছেন।