শেয়ার বাজার

টেকনাফে ১ লাখ ২৯ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৪

প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

টেকনাফে ১ লাখ ২৯ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৪


কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীর সীমান্ত এলাকা থেকে যৌথ অভিযানে ১ লাখ ২৯ হাজার ইয়াবাসহ চারজনকে আটক করেছে বিজিবি ও এসআরবি। এ সময় একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়েছে।

আটকরা হলেন-টেকনাফ সদর উত্তর জালিয়াপাড়ার মৃত শাহাব উদ্দিনের ছেলে আব্দুল খালেক (২৫), সৈয়দ হোসেনের ছেলে নূর ফয়সার (২৫), ফয়েজ রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান (২৪) এবং উখিয়ার ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মৃত বদিউর রহমানের ছেলে হাফেজ আহম্মদ (২৯)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন(এসআরবি-১৫) কক্সবাজারের মিডিয়া কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার আ ম ফারুক।

তিনি বলেন, ১ নভেম্বর দুপুরের দিকে এসআরবি-১৫, সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) এবং ২ বিজিবি, টেকনাফ ব্যাটালিয়নের যৌথ আভিযানিক দল টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিআরএম-৫ (সীমান্ত পিলার) থেকে আনুমানিক ১ কিলোমিটার দক্ষিণে গফুর মেম্বারের প্রজেক্ট সংলগ্ন নাফ নদীর তীরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে মাদক কারবারিরা পালানোর চেষ্টা করলে আভিযানিক দল চার মাদক কারবারিকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ১,২৯,৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত মাছ ধরার কাঠের বোট জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও একটি বাটন ফোন জব্দ করা হয় বলে তিনি জানান।

Dummy Ad 1

বিশ্ব বসতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৫ অক্টোবর, ২০২৬

বিশ্ব বসতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ প্রতিপাদ্যে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠান চলছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সোমবার সকালে (৫ অক্টোবর) বিশ্ব বসতি দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হয়।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে একটি ‘স্বর্ণচাঁপা’ গাছের চারা রোপণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন– গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান।


ধর্ষণকাণ্ড: জাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

সম্পাদক ও প্রকাশক মাইনউদ্দিন জমাদার

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ধর্ষণকাণ্ড: জাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

বার্তাবেলা ডেস্ক: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষক ও তার সহযোগীদের সর্বোচ্চ সাজাসহ পাঁচ দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত নতুন প্রশাসনিক ভবন ‘প্রতীকী অবরোধ’ করেছেন আন্দোলনকারীরা। 

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘নিপীড়নবিরোধী মঞ্চের’ ব্যানারে দুই ঘণ্টা ধরে এ অবরোধ করা হয়। পরে বেলা ১১টায় এই অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। 

অবরোধ চলাকালে প্রশাসনিক ভবনে কোনো কর্মকর্তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলমকেও দেখা যায়নি। 

এর আগে সোমবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত নতুন প্রশাসনিক ভবনে প্রতীকী অবরোধ করেছিল ‘নিপীড়নবিরোধী মঞ্চ'। 

‘নিপীড়নবিরোধী মঞ্চের’ পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ধর্ষক ও তার সহায়তাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা; মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হল থেকে বের করে গণরুম বিলুপ্তপূর্বক নিয়মিত শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত ও র‌্যাগিং সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা; নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনির বিচার নিষ্পত্তি করাসহ ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সময়ে নানাবিধ অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনা; নিপীড়কদের সহায়তাকারী প্রক্টর ও মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষের অপরাধ তদন্ত ও সুষ্ঠু হওয়ার স্বার্থে তদন্ত চলাকালে তাদের প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া; মাদকের সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে জড়িতদের ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামছুল আলম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদকমুক্ত করতে হবে, অছাত্রদের সরিয়ে দিতে হবে। প্রশাসন আমাদেরকে বলেছিল, পাঁচ কর্মদিবসে অছাত্রদের বের করে দিবে। কিন্তু তারা সেটা পারেনি। প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে ঢাকায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।“ 

তিনি বলেন, “সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রশাসন দেখা করেছে। এখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করবেন? তার কাছে গিয়েছিলেন নিশ্চয় ক্যাম্পাসে পুলিশের সহায়তা নিয়ে তল্লাশি করার জন্য। কিন্তু পুলিশ এখানে কী সহায়তা করবে, তারা কি বহিরাগত অছাত্রদের চেনে? এখানে হল প্রশাসন যদি কাজ করে তাহলে কিন্তু সমাধান হয়। কিন্তু তারা কেউ কাজ করছেন না।”

গত ১৫ বছরে প্রতিটা হল টর্চার সেলে পরিণত হয়েছে; রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যে বিচারহীনতা চলছে তার প্রভাব এখানে পড়েছে বলে জানান এই অধ্যাপক।  

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির সহসভাপতি ও প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সোহেল আহমেদ বলেন, “এক পৈশাচিক ঘটনা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকগুলো ব্যাধিকে জাতির সামনে তুলে ধরেছে। এই সংক্রামক ব্যাধিগুলো দূর করা যাবে না এটা এমনও না। এটা অবশ্যই দূর করার মত। কিন্তু এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে যে দায়িত্বশীল হতে হবে। সেই দায়িত্ব আমরা দেখিনি। 

“বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারকে যে ঘটনাগুলো কলুষিত করেছে, কলঙ্কিত করেছে, সম্মান ক্ষুণ্ন করেছে সেই সম্মান উদ্ধারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কোনো তৎপরতা আমরা দেখতে পাচ্ছি না।" 

তিনি বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদক কীভাবে ছড়িয়ে গেছে, মাদক ব্যবসা, চোরা চালান, মাদক সেবন সামনে এসেছে। র‍্যাবের ব্রিফিং থেকে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনের পর দিন যে পাশবিক ঘটনাগুলো ঘটছিল তা এই অছাত্ররা করছিল। এই প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে তারা দায় এড়াতে পারে না। শুধু এই প্রশাসন তা উপলব্ধি করতে পারছে না।" 

অবরোধ চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী কনোজ কান্তি রায় বলেন, "এই ক্যাম্পাসে একজন বৈধ শিক্ষার্থী থাকার জায়গা ও লেখাপড়ার জন্য চেয়ার-টেবিল পায় না। অন্যদিকে কিছু অবৈধ শিক্ষার্থী ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের ছত্রছায়ায় থেকে তাদের সঙ্গে লেজুড়বৃত্তি করে হলগুলোতে থাকছে।যার ফলে বৈধ শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

“গণরুমে ওঠার পরে যারা ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হয় তাদেরকে আগে সিট দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার একটা প্রবণতা তৈরি হয়। আর গণরুম ও গেস্টরুমের কালচার এবং র‍্যাগিং শিক্ষার্থীদের মস্তিষ্ককে বিকৃত করে তোলে।” 

এ সময় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মাফরুহি সাত্তার ও সোহেল রানা, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক পারভীন জলী, সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আমেনা ইসলাম, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নূরুল ইসলাম।


যশোরের শার্শায় ৩২টি দুর্গাপূজা মণ্ডপে আর্থিক অনুদান দিল উপজেলা বিএনপির

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর, ২০২৬

যশোরের শার্শায় ৩২টি দুর্গাপূজা মণ্ডপে আর্থিক  অনুদান দিল উপজেলা বিএনপির

মনির হোসেন, বেনাপোলপ্রতিনিধি:

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গাপূজা সামনে রেখে যশোরের শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌরসভার ৩২টি পূজামণ্ডপে ব্যক্তি উদ্যোগে অর্থ নৈতিক সহযোগীতা করেছেন উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব  আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন।  এসময় মন্ডপগুলোতে নিরাপত্তার বিষয়েও আশ্বস্ত করেন এই নেতা।

শনিবার১০অক্টোবর  বিকেল সাড়ে ৫ টায় বেনাপোল রহমান চেম্বারের হোটেল সান রূপ ইন্টারন্যাশনালে পূজামণ্ডপগুলোর  প্রতিনিধিদের হাতে এই নগদ আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয়।

বেনাপোল পৌর বিএনপির সভাপতি নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে, ও  বেনাপোল পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সাবেক সভাপতি সুকুমার দেবনাথ রায়ের  সঞ্চালনা প্রধান অতিথী উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পূজামণ্ডপগুলোতে সর্বচ্চ অর্থনৈতিক সগযোগীতা করেছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন। ধর্মীয় উৎসব সবার জন্য আনন্দ ও সম্প্রীতির।  শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি বৈদ্যনাথ দাস ও সাধারণ সম্পাদক নীলকমল সিংহ, বেনাপোল পৌর পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি রবিন পাল ও সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল প্রমুখ।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন, অর্থবিষয়ক সম্পাদক মিয়াদ আলী, বেনাপোল পৌর বিএনপির সহসভাপতি এ কে এম আতিকুজ্জামান সনি, ইদ্রিস আলী, মো,আবদার রহমান , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেরুল্লাহ, বাহাদুরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজ জোহা সেলিম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব সেলিম হোসেন আশা, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম চয়ন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাইমিনুল সাগর এবং বেনাপোল পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব ইশতিয়াক আহমেদ শাওনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে সম্প্রীতি, সহযোগিতা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার প্রত্যাশা নিয়ে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।