শেয়ার বাজার

প্রতারণা মামলায় যুব-মহিলালীগ নেত্রী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

প্রতারণা মামলায় যুব-মহিলালীগ নেত্রী গ্রেপ্তার

বার্তাবেলা ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে  যুবলীগ নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান বাবুর করা প্রতারনার মামলায় মিম খাতুন ওরফে আফসানা মিম(২৬)’ ও তার ৪র্থ স্বামী ওবায়দুল্লাহ’কে গ্রেফতার করেছে  গুলশান থানা পুলিশ ।

বুধবার এ ঘটনায় গুলশান থানা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

অভিযোগের বিষয়ে ভিকটিম মনিরুজ্জামান বাবু বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আমার সাথে পরিচয়। পরিচয়ের কয়েকদিন পর প্রতারক আফসানা মিম তার ৪র্থ স্বামী ওবায়াদু্ল্লাহকে তার দুলাভাই বলে আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। পরভর্তিতে বিভিন্ন তালবাহনা করে আমার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায়ের কথা বলে ১৩ লক্ষ টাকা ধার নেয় প্রতারক আফসানা মিম। পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে প্রশাসনের উর্ধ্বতর কর্মকর্তাদের কথা বলে আমাকে বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে। উপায় না পেয়ে এক পর্যায়ে আমি গুলশান থানা পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে তার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করি।

এই বিষয়ে যুবমহিলা লীগের সভানেত্রী ডেইজি সারোয়ার সাংবাদিকদের বলেন, আমার কাছে তার বিষয়ে কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ আসলে আমি সঙ্গে সঙ্গে পদ থেকে বহিস্কার করবো।

গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, প্রতারনার মামলায় আমরা তাকে গ্রেফতার করি। তিনি কোন দল করেন সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। এজাহার ভুক্ত আসামী এটাই আমাদের বড় পরিচয়। আসামীর বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Dummy Ad 1

কলেজে যাওয়ার পথে নিখোঁজ ছাত্রী, ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কলেজে যাওয়ার পথে নিখোঁজ ছাত্রী, ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

কলেজে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়েছেন চট্টগ্রামের বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী মিথিলা। সম্প্রতি নগরীর দক্ষিণ হালিশহর থেকে নিখোঁজ হন তিনি।

পরিবারের অভিযোগ, তাকে ফিরে পেতে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পর অপরিচিত নম্বর থেকে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে জিডি তুলে নিতে বলা হয়। টাকা না দিলে মিথিলার ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সম্প্রতি কলেজের ইউনিফর্ম পরে বাসা থেকে বের হন মিথিলা। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বন্দর থানায় জিডি করা হয়।

হৃদয় জানান, জিডি করার পর তার মোবাইলে ‘ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপস’ নামে একটি ভিওআইপি নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনে জিডি তুলে নিতে বলা হয়। একই সঙ্গে মিথিলাকে ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়।

তিনি বলেন, জিডি করার পরও অপরিচিত একটি নম্বর থেকে ফোন করে আমাকে জিডি তুলে নিতে বলা হয়। একই সঙ্গে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি আমি জিডির তদন্ত কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।

মিথিলার বাবা মো. নাসির উদ্দীন বলেন, কলেজের ইউনিফর্ম পরে মেয়েটা ঘর থেকে বের হয়েছিল। এরপর আর কোনো খোঁজ পাইনি। অনলাইনের মাধ্যমে মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। ৫ লাখ টাকার মধ্যে ১ লাখ টাকা দিতে রাজি হলেও তারা কোথায় গিয়ে টাকা দিতে হবে, সেটি জানায়নি।

তিনি আরও বলেন, কয়েক দফা ফোন করে মেয়েকে নিয়ে নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। নিজে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় এসব ফোনে পরিবারের সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

মিথিলার নিখোঁজের ঘটনায় করা জিডির তদন্ত কর্মকর্তা খায়রুল বাশার সাজিদ বলেন, সম্ভাব্য সব ক্লু পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করে ভুক্তভোগীকে খুঁজে বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। একই সঙ্গে তার পরিবারের কাছে অপহরণকারীদের পক্ষ থেকে করা কলটির ফরেনসিক বিশ্লেষণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। মিথিলাকে উদ্ধারে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রহিম বলেন, শিক্ষার্থী নিখোঁজের জিডি হওয়ার পরপরই পুলিশ কাজ শুরু করেছে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টিও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন।


চৌদ্দগ্রামে কেছকিমুড়া আব্দুল আজিজ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি তৌহিদুল আজম বাবু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চৌদ্দগ্রামে কেছকিমুড়া আব্দুল আজিজ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি তৌহিদুল আজম বাবু

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথ দিঘি ইউনিয়ন কেছকিমুড়া আব্দুল আজিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুমোদনে বিদ্যালয়টির ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শিক্ষাবিদ,ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক তৌহিদুল আজম বাবু

নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা, বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করার বিষয়ে নতুন কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর তৌহিদুল আজম বাবু বলেন, “বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে চাই। বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে আমার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে।”

উল্লেখ্য, চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। 

নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার পরিবেশ আরও সুন্দর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন।


বরেণ্য সাংবাদিক গাজীউল হাসান খানের জন্মদিন উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বরেণ্য সাংবাদিক গাজীউল হাসান খানের জন্মদিন উদযাপন

মহিন উদ্দিন স্বপন | জ্যেষ্ঠ বিশেষ প্রতিনিধি:

বরেণ্য সাংবাদিক, সাবেক কূটনীতিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজীউল হাসান খানের জন্মদিন উদযাপন করেছে কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা (সিজেএফডি)। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) কার্যালয়ে এ উপলক্ষ্যে আলোচনা ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সিজেএফডি সভাপতি সাঈদ আহমেদ খানের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী সদস্য দিদারুল আলম দিদারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক মুরসালিন নোমানি ও সিজেএফডির সাবেক সভাপতি ও নির্বাহী সদস্য (কো-অপ্ট) সাজ্জাদ হোসেন।

এছাড়া, সিজেএফডির সহ-সভাপতি নাসরীন সুলতানা, সালাম ফারুক, যুগ্ম-সম্পাদক  মনির আহমাদ জারিফ, দফতর সম্পাদক আশিকুর রহমান, শিক্ষা-প্রশিক্ষণ সম্পাদক কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বেলাল, ক্রীড়া-সংস্কৃতি সম্পাদক আহমেদ আজম, ইভেন্ট-আপ্যায়ন সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বিপ্লব সিকদার, সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বাবু, নির্বাহী সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ, সাবেক নির্বাহী সদস্য সায়ীদ মালিক, সদস্য মহিন উদ্দিন স্বপন ও সাইফুল ইসলাম'সহ অন্যান্য সদস্যসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা গাজীউল হাসান খানের দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য সাংবাদিকতা জীবন, মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকা এবং দেশের সাংবাদিকতায় তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করেন। তারা তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান

অনুষ্ঠানে সিজেএফডি সভাপতি সাঈদ আহমেদ খান বলেন, গাজীউল হাসান খান শুধু কুমিল্লার গর্ব নন, তিনি বাংলাদেশের সাংবাদিকতারও একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র। তার দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবন ও পেশাগত অবদান নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে গাজীউল হাসান খান বলেন, আমার জন্মস্থান কুমিল্লা। ডিউজে বা বিএফইউজের মতো ইউনিয়ন আমাকে স্মরণ করেনি, বাসসের পদ ছাড়ার পর আমাকে সম্মাননা দেয়নি, কিন্তু আমার এলাকার সন্তানদের সমন্বয়ে গঠিত কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম,, ঢাকা আমাকে যে সম্মান দিয়েছে। আমার বংশধর ও প্রতিব্বশীরাই আমাকে স্মরণ করেছে। আমি সে সম্মান লালন করে মৃত্যুবরণ করতে চাই।

এসময় তিনি তরুণ প্রজন্মের প্রতি দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যের পাশাপাশি পেশাগত জীবনের স্মৃতিচারণ করেন।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’-এর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ১৯৭৬ সালে কমনওয়েলথ বৃত্তি নিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য লন্ডনে যান এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে উচ্চতর ডিপ্লোমা অর্জন করেন। ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত লন্ডনের ফ্লিট স্ট্রিট থেকে প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড টাইমস’ নিউজ ম্যাগাজিনে সিনিয়র সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন। এ সময় সহকর্মীদের নিয়ে তিনি ‘কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (সিজেএ)’ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বিবিসিতেও কাজ করেন।

১৯৮০ সালে লন্ডনে ‘ইস্ট এন্ড’ প্রকাশনা সংস্থা ও একটি নিউজ ম্যাগাজিন প্রকাশ করেন। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিদের ইতিহাসে তিনি প্রথমবারের মতো বাংলা ভাষার ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন। সেখান থেকে বাংলা বই, সাহিত্য সংকলন, পত্রিকা ও শিশুদের পাঠ্যবই প্রকাশিত হয়।

১৯৯৩ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রেস মিনিস্টার হিসেবে কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করেন। নিউইয়র্ক সিটিতে ‘সাউথ এশিয়া ওয়াচ’ নামের মানবাধিকার সংস্থার পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ সালের শেষ দিকে তিনি বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় প্রত্যাবর্তন করেন। ২০০৩ সালে তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান। বাসসে পেশাগত জীবন শেষে জাতীয় দৈনিকগুলোতে সংবাদ বিশ্লেষণসহ কলাম লেখা শুরু করেন।ইতিহাসের বই পড়ুন

সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০০৬ সালে গাজীউল হাসান খান একুশে পদক লাভ করেন। তিনি একই সঙ্গে সাংবাদিক ও সুলেখক। তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘রাজনীতির অগ্নিপুরুষ ভাসানী’, ‘প্যালেস্টাইন এক চলমান ইতিহাস’, ‘প্যালেস্টাইন এক সংগ্রামের ইতিহাস’, ‘ইতিহাসের অনুঘটক’সহ আরও কয়েকটি গ্রন্থ। বিশ্ব পরিস্থিতি ও সমসাময়িক আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়েও তিনি নিয়মিত লিখেছেন।