শেয়ার বাজার

বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসে রূপে-রঙে সাজ যেমন হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসে রূপে-রঙে সাজ যেমন হবে

বার্তাবেলা ডেস্ক: শীতের শেষ, বসন্ত কড়া নাড়ছে দরজায়। প্রকৃতি সাজতে শুরু করেছে নতুন রূপে। বসন্তকে বরণ করে নিতে ফ্যাশন প্রেমীরাও উন্মুখ। সাজে, পোশাকে বসন্তকে বরণ করে নিতে তাদের যেন আগ্রহের শেষ নেই। আপনিই বা সেই তালিকা থেকে বাদ পড়বেন কেন। বসন্ত বরণের প্রস্তুতি কম-বেশি সবার মাঝেই থাকে।

বসন্ত ষড়ঋতুর শেষ ঋতু। ফাল্গুন ও চৈত্র মাস মিলে হয় বসন্ত ঋতু। দেশবাসী বেশ জাকজমকতার সঙ্গে পালন করে বসন্তের প্রথম দিন। রাত পোহালেই বাসন্তি রঙের পোশাক পরে বসন্ত বরণ করবে বাঙালিরা।

গতবারের মতো এবারও ভালোবাসা দিবসের দিনই পালিত হতে চলেছে বসন্ত। এদিন কে কোন পোশাক পরবেন কিংবা কীভাবে সাজবেন এ নিয়ে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর সবাই উচ্ছ্বসিত থাকেন। এ যেন এক উৎসব।

বিগত কয়েক বছরে বসন্তের সাজ-ফ্যাশনে বেশ পরিবর্তন এসেছে। আগে হলুদ, কমলা বা বাসন্তি রঙের পোশাকের চাহিদা বেশি ছিল। তবে এখন বাহারি রঙের পোশাকেও বসন্ত বরণ করা হয়।

যার মধ্যে লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, টিয়া, সি গ্রিন থেকে শুরু করে মাল্টি কালার কম্বিনেশনও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক এবারের বসন্ত বরণে কেমন হবে আপনার সাজ-পোশাক-

১. বসন্ত বরণের পোশাক হিসেবে শাড়িকেই বেশি প্রাধান্য দেন নারীরা। তবে এবার শাড়ির পাশাপাশি ফ্যাশনে আরও আছে কুর্তি, স্কার্ট, সারারা, এমনকি জিনস-টপসও। আপনি পছন্দসই পোশাক পরতে পারেন। একরঙা শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ না মিললেও সমস্যা নেই।

২. ফুলের গয়না পরতে চাইলে শাড়ির সঙ্গে ভারী কোনো জুয়েলারি পরবেন না। গলায়, হাতে ও কানে গয়না হিসেবে পছন্দমতো যে কোনো ফুলই ব্যবহার করতে পারেন।

বর্তমানে ফুলের হেডব্যান্ডেরও চল বেড়েছে। এটি পরতে পারেন। হালকা ধাঁচের নকশার পোশাকের সঙ্গে ফুলের গয়না পরলে ফুলের সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। তবে কেউ কেউ চাইলে একটু ভারী নকশার শাড়ির সঙ্গে ফুল দিয়ে হালকাভাবেও সাজতে পারেন।

৩. এদিন শাড়ির সঙ্গে খোঁপা বা বেণী বেশ মানিয়ে যায়। খোঁপায় রাখতে পারেন গাঁদা ফুল। সঙ্গে লাল টিপ দিন কপালে। রঙিন ফুলের সাজে পাবেন বসন্তের আমেজ। চুল খোলা রাখলেও এক পাশে ফুল দিতে পারেন। চুলের জন্য বড় আকারের ফুল বেছে নিলে একটিই যথেষ্ট।

গয়নাও রাখুন হালকা ধাঁচের। আর ছোট আকারের হলে অবশ্য একাধিক ফুল নিতে পারেন। চুলের বেণীতে ফুল জড়ানো যেতে পারে নানাভাবে। ফুলের মালা কিংবা আটকে নিতে পারেন নানা আকারের ছোট-বড় ফুল। বেণীও সাজাতে পারেন ফুল দিয়ে।

আরও পড়ুন: প্রিয়জনকে চুমু দিলে কী কী হয় জানলে অবাক হবেন

৪. মেকআপের ক্ষেত্রে আবহাওয়া দেখে নিন। সাজে ন্যুড রং, বাদামি, লাল, মেরুন, গেরুয়া ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন। চোখের সাজে আনতে পারেন সবুজের ছোঁয়া। আর দিনের মেকআপে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলবেন না।

৫. দু’হাত ভর্তি করে বিভিন্ন রঙের কিংবা একরঙা কাচের চুরি পরুন। শুধু শাড়ি নয় বরং সালোয়ার কামিজ, সারারা কিংবা কুর্তির সঙ্গে কাচের চুরি বেশ মানিয়ে যায়।


Dummy Ad 1

মানসিক প্রশান্তি খুঁজতে ৯০ শতাংশ মানুষ পরকীয়া করেন, বলছে সমীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

মানসিক প্রশান্তি খুঁজতে ৯০ শতাংশ মানুষ পরকীয়া করেন, বলছে সমীক্ষা

বার্তাবেলা ডেস্ক: বিবাহবহির্ভূত বা পরকীয়া সম্পর্ক দাম্পত্য জীবনে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এর পরিণতি কখনো কখনো হতে পারে মারাত্মক। দাম্পত্য জীবনে অশান্তি, মনোমালিন্য, মতের অমিল, একে অপরকে সময় না দেওয়া ইত্যাদি কারণে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেকেই। 

সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণা জানাচ্ছে, যারা ঘন ঘন ভ্রমণ করেন বা বাড়ির বাইরে থাকতে পছন্দ করেন, তারা বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে খুব সহজেই জড়িয়ে পড়েন।

তবে পরকীয়া সব সময় শারীরিক আকর্ষণেই গড়ে ওঠে তা কিন্তু নয়। সমীক্ষা বলছে, বেশিরভাগ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক যৌন আসক্তি বা যৌন মিলনের বিষয়ে নয় বরং মানসিক প্রশান্তির সঙ্গে যুক্ত।

আরও পড়ুন: হাঁটু মুড়ে বসে কেন প্রোপোজ করা হয়?

একটি গবেষণা বলছে, মাত্র ১০ শতাংশ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক যৌন মিলনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। অন্যদিকে ৯০ শতাংশ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে মানুষ জড়িয়ে পড়েন মানসিক প্রশান্তি খুঁজতে। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে তোলার আরও একটি কারণ হলো দাম্পত্য জীবনে একঘেয়েমি বোধ করা।

‘গ্লিডেন’ নামক ফ্রান্সভিত্তিক বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের একটি ডেটিং অ্যাপের ২০ শতাংশই ভারতীয়। এটি ভারতে একটি সমীক্ষা চালায় ও নারীদের জিজ্ঞাসা করে, কেন তারা স্বামীর সঙ্গে প্রতারণা করছেন।

আরও পড়ুন: প্রিয়জনকে চুমু দিলে কী কী হয় জানলে অবাক হবেন

সমীক্ষা বলছে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কারণে ২০-৪০ শতাংশ বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। যদিও অনেক দম্পতিই তাদের সামাজিক সম্মান, সন্তানের ভবিষ্যৎ কিংবা পরিবারের কথা চিন্তা করে বিবাহবিচ্ছেদ থেকে সরে দাঁড়ান।

গ্যালাপ পোলের একটি সমীক্ষা বলছে, আমেরিকার ৯১ শতাংশ পুরুষ ও নারী উভয়ই বিশ্বাসঘাতকতাকে নৈতিকভাবে ভুল বলে মনে করেন। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক পরিবার, বিবাহ ও সম্পর্কের ভিত্তির জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি নৈতিক মূল্যবোধের অনুপস্থিতি ও বিশ্বাসভঙ্গের ফলাফল।

বিজ্ঞানীদের মতে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক মূলত প্যাথলজিক্যাল। যাই হোক, পরকীয়া এড়ানোর সমাধান হলো দম্পতিদের মধ্যে ভালো বোঝাপোড়া, মানসিক, আধ্যাত্মিক ও শারীরিক সংযোগ থাকা।


ইফতারে অ্যাসিডিটি থেকে বাঁচতে কি খাবেন, কি খাবেন না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মার্চ, ২০২৪

ইফতারে অ্যাসিডিটি থেকে বাঁচতে কি খাবেন, কি খাবেন না

অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন। একটু সচেতন হলেই এ সমস্যা থেকে কিছুটা রক্ষা পাওয়া সম্ভব। রমজান চলছে। এসময় অনেকেই ইফতারে একসঙ্গে ভাজাপোড়াসহ আরও অনেক খাবার খেয়ে পেটে গণ্ডগোল বাধিয়ে ফেলেন। এসময় বদহজম, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা এড়াতে ইফতারের খাবার খেতে হবে কিছু নিয়ম মেনে। 

ইফতারিতে দই বা দই চিড়া খেতে পারেন। এতে সারাদিন অভুক্ত পেটে ঠান্ডা কিছু হজমক্রিয়া সচল রাখবে। এ ছাড়া অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করবে। প্রতি ১০০ গ্রাম দইয়ে শক্তি থাকে ২৫৭ ক্যালরি।

তিনি বলেন, চিনি ছাড়া লাচ্ছি, কম লেবু দিয়ে পুদিনা পাতার জুস, টক দইয়ের সঙ্গে পুদিনা পাতা ও সামান্য লবণ দিয়েও স্মুদি করেও পান করা যেতে পারে। এ ধরনের পানীয় গ্যাস কমাতে কার্যকরী। 

অ্যাসিডিটি কমাতে ইফতারে যা খাবেন, যা খাবেন না :   

  • ইফতারের মেন্যুতে তরল জাতীয় খাবার, সহজে হজম হয় এমন খাবার, ফাইবার জাতীয় খাবার খেতে হবে। পাতলা খিচুড়ি, স্যুপ, সাবুদানার আইটেম, সেদ্ধ ভেজিটেবল, চাইনিজ ভেজিটেবল ও মোমো খাওয়া যেতে পারে। 
  • ইফতারের মেন্যুতে চর্বি ও ট্র্যান্সফ্যাট জাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে। রাখতে হবে প্রোটিন জাতীয় খাবারও।  
  • ভাজাপোড়া, তৈলাক্ত ও মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।  
  • একসঙ্গে অনেক ধরনের খাবার খাওয়া যাবে না। কারণ একসঙ্গে সব ধরনের খাবার হজম হতে পারে না। 
  • যাদের টক জাতীয় খাবারে অ্যাসিডিটি হয়, তারা এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চলবেন। 

অ্যাসিডিটি কমাতে যা করা যেতে পারে :

  • ইফতার করার পর অ্যাসিডিটি হলে দুই তিনটি পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেয়ে নেয়া যেতে পারে। চাইলে এক কাপ পানিতে কয়েকটি পুদিনা পাতা দিয়ে সেদ্ধ করে সেই পানি পান করাও যেতে পারে। 
  • অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পেতে আদা কুচি করে কেটে লবণ দিয়ে খেতে পারেন। 
  • এ ছাড়া অ্যাসিডিটি কমাতে মৌরি চিবিয়ে খেতে পারেন। এটি পাকস্থলী ও অন্ত্রের পেশিতে প্রভাব ফেলে যা কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাসের সমস্যা কমাতে সহায়তা করে। 

হাঁটু মুড়ে বসে কেন প্রোপোজ করা হয়?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪

হাঁটু মুড়ে বসে কেন প্রোপোজ করা হয়?

আর কদিন পরেই ভালোবাসার মাস ফেব্রুয়ারি। রোজ ডে দিয়ে শুরু হওয়া ভ্যালেন্টাইনস উইকের দ্বিতীয় দিন। ৮ ফেব্রুয়ারি সারা বিশ্বে প্রপোজ ডে হিসেবে পালিত হয়।

এ দিনে প্রেমে পড়া প্রতিটি ব্যক্তি তার হৃদয়ের কথা ও অনুভূতি প্রকাশ করেন সঙ্গীর কাছে। এমনকি প্রিয়জনের পক্ষ থেকেও সম্মতি আশা করেন।

প্রায়শই ছবিতে প্রোপোজের সময় হাঁটু মুড়ে বসে প্রেমিকাকে প্রেম বা বিয়ের প্রস্তাব দিতে দেখেছেন।

তবে এটি কিন্তু শুধুই রোমান্টিক অঙ্গভঙ্গি নয়, এর পেছনেও আছে ইতিহাস। চলুন হাঁটু মুড়ে প্রোপোজের রহস্য জেনে নেওয়া যাক-

হাঁটু মুড়ে বসে প্রপোজ করা নাইটহুড অর্থাৎ মধ্যযুগের ঐতিহ্য। তখন বিবাহ ও ধর্ম একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিল। তখন পুরুষরা প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দিতেন নতজানু হয়ে।

একজন ব্যক্তির হাঁটু মুড়ে বসে প্রোপোজ করা প্রার্থনা, সমর্পণ, সম্মান ও ভালোবাসার সঙ্গে জড়িত।

আরও পড়ুন: প্রিয়জনকে চুমু দিলে কী কী হয় জানলে অবাক হবেন

এমন পরিস্থিতিতে যদি কোনো ব্যক্তি হাঁটু মুড়ে বসে আপনাকে প্রস্তাব দেয়, তাহলে এটি কেবল ভালবাসা নয়, আপনার গুরুত্বও প্রকাশ করে।

তবে হাঁটু মুড়ে বসলেই হবে না, প্রোপোজের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সঠিক শব্দ নির্বাচন ও অনুভূতি প্রকাশ করা।

অনেকে লাখ টাকা খরচ করে তাদের সঙ্গীকে কোনো দামি জায়গায় নিয়ে প্রোপোজ করেন। আবার অনেকে আছেন প্রিয়জনের সঙ্গে কাটানো স্মৃতি দিয়ে তাদেরকে প্রোপোজ করেন।

আজকের দিনে প্রিয়জনকে প্রেমের বা বিয়ের প্রস্তাব দিতে অবশ্যই এ বিষয়ে খেয়াল রাখুন।