শেয়ার বাজার

জ্বালানি সংকট নিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি সংকট নিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা, হরমুজ প্রণালিতে ব্যাহত জাহাজ চলাচল। সংকট যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে দায় নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এর জন্য দায়ী ইরান। তবে তেহরানের পাল্টা অভিযোগ, যুদ্ধ শুরু করে এ সংকট তৈরি করেছে ওয়াশিংটনই।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই মার্কিন কর্মকর্তাদের সমালোচনা করে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কে আগ্রাসী যুদ্ধ শুরু করেছিল, তা মানুষ এত সহজে ভুলে যাবে না। এসময় যুক্তরাষ্ট্রই বর্তমান সংকট তৈরি করেছে বলে দাবি করেন তিনি। এর ফলে হরমুজ প্রণালি এখন বন্ধ, ব্যাহত হচ্ছে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল।

তাই জ্বালানির দাম বাড়ার জন্য ইরানকে দায়ী করার আগে সংকটের শুরু কীভাবে হয়েছিল, সেটিও মনে রাখা দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বাঘাই প্রশ্ন তোলেন, কোনো দেশের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে নিজের ইচ্ছায় যুদ্ধ শুরু করে পরে সে যুদ্ধের শিকার দেশকেই দায়ী করা কি কৌশলগত বুদ্ধিমত্তার পরিচয়? নাকি এটি ‘মার্চ অব ফোলি’র একটি উদাহরণ?

‘মার্চ অব ফোলি’ বলতে এমন সিদ্ধান্তকে বোঝায়, যেখানে ভুল সিদ্ধান্তের পরিণতি জানা সত্ত্বেও একই পথে এগিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার জন্য ইরানকে দায়ী করেছিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেছিলেন, তেহরান জাহাজ চলাচলে ভয় ও হুমকি তৈরি করছে। এর প্রভাব জ্বালানির দামের ওপর পড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভ্যান্সের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে কোনো ধরনের কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে শেষ হতে পারে, এমন ধারণা অনেকের মধ্যেই রয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে যে প্রভাব ফেলছে, সে বিষয়ে ট্রাম্প অবগত। আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে, অর্থাৎ প্রায় ছয় সপ্তাহের মধ্যে, তিনি বিষয়টির সমাধান করতে চান।

তবে, এত কম সময়ের মধ্যে কোনো চুক্তি করা কঠিন হতে পারে বলেও ভ্যান্সের বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে হলে ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Dummy Ad 1

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে 'অপহরণের' ভিডিও পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক মাইনউদ্দিন জমাদার

প্রকাশিত: ৩১ মার্চ, ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে 'অপহরণের' ভিডিও পোস্ট

যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল নেটওয়ার্কে জো বাইডেনকে তার হাত ও পা বেঁধে এবং দৃশ্যত অপহরণ করার একটি ভিডিও পোস্ট করার পরে সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন। গ্রাফিকটি মিঃ ট্রাম্পের সমর্থকের পিক-আপ ভ্যানের পিছনে আঁকা এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় দেখানো হয়েছে।

বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ‘অপহরণের’ একটি ভিডিও পোস্ট করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর স্ট্যান্ডার্ড।

প্রায় সাত সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা গেছে, পিকআপের পেছনে বর্তমান প্রেসিডেন্টের একটি ছবি প্রিন্ট করে লাগানো হয়েছে। অর্থাৎ তাকে অপহরণ করা হয়েছে- এমনটাই বোঝানো হয়েছে ছবিতে। যদিও ছবিটি পুরোপুরি এডিটেড। পতাকা ও ডেকাল সম্বলিত দুটি ট্রাক ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে যেখানে দ্বিতীয় ট্রাকের পেছনে ছিল বাইডেনের ছবি।

এ ঘটনায় ডেমোক্র্যাট সমর্থকেরা ট্রাম্পকে দানব বলে আখ্যা দিয়েছেন। ভিডিওটি শেয়ার করে ৭৭ বছর বয়সী ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্যাপশন লিখেছেন, ‘৩/২৮/২৪, লং আইল্যান্ড, নিউ ইয়র্ক।’

"ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই চিত্রটি একটি বাজে ধরনের পোস্ট, যখন আপনি রক্তপাতের জন্য ডাকছেন, বা যখন আপনি গর্বিত ছেলেদের 'ফিরে দাঁড়াতে এবং পাশে দাঁড়াতে' বলছেন," বাইডেন প্রচারণার সংযোগ পরিচালক মাইকেল টাইলার এবিসি নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘ট্রাম্প প্রতিনিয়তই রাজনৈতিক সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছেন। এখন সময় এসেছে তাকে বয়কট করার।’

এদিকে, ট্রাম্পের প্রচারণা শিবিরের মুখপাত্র স্টিভেন চেউং এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ছবিটি একটি পিকআপ ট্রাকের পেছনে ছিল, পিকআপটি হাইওয়ে দিয়ে যাচ্ছিল। ডেমোক্র্যাটরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে শুধু ঘৃণ্য সহিংসতার ডাকই দেয়নি, তারা আসলে তার বিরুদ্ধে বিচার ব্যবস্থাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।’

তবে, ভিডিওতে বাইডেনের ছবির উপস্থিতি নিছকই কাকতালীয় ঘটনা তা মনে হচ্ছে না। কারণ ভিডিওর শেষের দিকে বাইডেনের সম্পাদিত ছবিটি জুম করে দেখানো হয়েছে।


টিকটক ভিডিও দেখে ১৯ বছর পর একে অপরকে খুঁজে পেলেন যমজ বোন

সম্পাদক ও প্রকাশক মাইনউদ্দিন জমাদার

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪

টিকটক ভিডিও দেখে ১৯ বছর পর একে অপরকে খুঁজে পেলেন যমজ বোন

দুজন দেখতে হুবহু একই রকম। চোখ, কান, নাক, মুখের আদলে দুজনের মধ্যে পার্থক্য খুঁজে বের করা দুষ্কর। কারণ সম্পর্কে তারা যমজ বোন। অথচ ১৯ বছর ধরে একই শহরে থাকা সত্ত্বেও তারা কেউ কাউকে চিনতেন-ই না! হঠাৎ ভাইরাল হওয়া এক টিকটক ভিডিওর সূত্র ধরে পরিচয় হয় তাদের। সেখান থেকেই বেরিয়ে এলো পুরো সিনেমার মতো কিন্তু বাস্তব গল্প।

গল্পটার শুরু ২০০২ সালে, পূর্ব এশিয়ার দেশ জর্জিয়ায়। সে বছরের ২০ জুন আজা শোনি নামের এক নারী জর্জিয়ার কিরতিশখি গ্রামে দুটি জমজ কন্যা শিশুর জন্ম দেন। জন্মদানের পর বেশকিছু জটিলতায় কোমায় চলে যান শোনি। আর পরিবারে আরও তিনটি সন্তান থাকায় বাবা গোচ গাখারিয় জমজ বাচ্চা দুটি আলাদা দুটি পরিবারে বিক্রি করে দেন।

পরে ওই দুই শিশু অ্যামি খাভিশা ও আনো সারতানিয়া নামে বেড়ে ওঠে। বয়স যখন ১২ বছর তখন অ্যামি তার প্রিয় টিভি শো ‘জর্জিয়াস গট ট্যালেন্ট’ দেখছিলেন। সেখানে তিনি একটি মেয়েকে দেখেতে পান, যার সঙ্গে তার চেহারার হুবহু মিল রয়েছে। কিন্তু তিনি তখনও জানতেন না যে, নাচতে থাকা মেয়েটিই তার বোন। শেষমেষ ২০২১ সালে একটি টিকটক ভিডিওর সূত্র ধরে একে অপরকে খুঁজে পান দুই বোন।

২০২১ সালে অ্যামি তার চুলের রং নীল করেন ও টিকটকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেই ভিডিও আবার এক বন্ধু অ্যানোকে পাঠান ও জানতে চান যে অ্যানো চুলে নতুন রঙ করেছেন কি না। ভিডিওটি দেখে অ্যানো তার বন্ধুকে জানা, ভিডিওর মেয়েটি তিনি নন।

পরে চেহারায় হুবহু মিল থাকা মেয়েটির পরিচয় জানার জন্য অ্যানো ভিডিওটি ফেসবুকে আপলোড করেন। এরপর অ্যামি কৌতুহলী হয়ে অপর তরুণীর প্রোফাইলে গিয়ে জানতে পারেন, মেয়েটির নাম আনো সারতানিয়া। তিনি থাকেন ৩২০ কিলোমিটার দূরের শহর তিবিলিসিতে।

কিন্তু কোনোভাবেই কিছুতেই আনোর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না অ্যামি। পরে একটি বিশ্বিবদ্যালয়ের হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে ভিডিওটি পোস্ট করে অ্যামি জানতে চান যে এই মেয়েটিকে কেউ চেনেন কি না। সেখানে একজন সাড়া দেন।

পরে তার মাধ্যমে যোগাযোগ হয় আনোর সঙ্গে। এভাবেই যমজ বোন পরস্পরকে খুঁজে পান। অ্যামি বলেন, তিবিলিসির রুস্তাভেলি মেট্রো স্টেশনে যখন আমাদের দেখা হলো, তখন মনে হচ্ছিল আমি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছি। যেন নিজেকেই দেখছি। একই মুখ, একই চোখ, একই নাক। এমনকি, কণ্ঠস্বর পর্যন্ত এক। আমি জড়িয়ে ধরা পছন্দ করি না। কিন্তু সেই মুহূর্তে নিজেকে আর সামলাতে পারিনি। আনোকে জড়িয়ে ধরি।

অ্যামি–আনো জানান, পরবর্তী সময়ে তারা ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন যে তারা সত্যিই যমজ বোন। তবে তারা তাদের বাবাকে আর খুঁজে বের করার চেষ্টা করেননি। তাদের দাবি, যে বাবা তার সন্তানদের বিক্রি করে দিয়েছেন, সেই বাবার সঙ্গে দেখা করা উচিত না।

তবে তারা তাদের জন্মদাত্রী মা আজার সঙ্গে লাইপজিগের একটি হোটেলে দেখা করেন। তখন আজা তাদের বলেন, অ্যামি–আনোর জন্মের পর তিনি কোমায় চলে গিয়েছিলেন। পরে সুস্থ হয়ে সন্তানদের খুঁজলে হাসপাতালের কর্মীরা জানিয়েছিলেন, তার সন্তানরা জন্মের পরপরই মারা গেছে।

অ্যামি-আনোর এই ঘটনায় জর্জিয়ার একটি কলঙ্কিত দিকও বের হয়ে এসেছে। বিবিসি জানিয়েছে, জর্জিয়ায় ১৯৫০ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত বহু শিশু চুরি করে বিক্রি করে দেওয়ার পেছনে হাসপাতাল কর্মীরা ব্যাপকমাত্রায় জড়িত ছিলেন। এসব ক্ষেত্রে হতভাগা মা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের বলা হতো, তাদের সন্তান জন্মের পরেই মারা গেছে।

অ্যামি ও আনোর পালক মায়েরা জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে নিয়ে আসা হয়েছিল তাদের। দত্তক নেওয়া পরিবার দুটিও জানতো না যে, অ্যামি-অ্যানো জমজ বোন ছিলেন।

সূত্র: এনডিটিভি


নাইজেরিয়ায় শ্রমিকদের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি

প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নাইজেরিয়ায় শ্রমিকদের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি

নাইজেরিয়ায় ৩৭ খনিশ্রমিককে আটকের প্রতিবাদে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) হওয়া বিক্ষোভে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার পাশাপাশি গুলি চালিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। বিক্ষোভের দ্বিতীয় দিনে এ সময় শত শত বিক্ষোভকারী নাইজার প্রদেশের খনিজসম্পদ সমৃদ্ধ শহর মিন্নায় জড়ো হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকে সরকারি স্থাপনায় হামলা চালান বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের দিকে তাজা গুলি নাকি বিক্ষোভ দমনে ব্যবহৃত পেলেট ব্যবহার করেছে সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে, বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, এ সময় তাজা গুলিই ব্যবহার করা হয়েছে এবং একজন বিক্ষোভকারীকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সরকারি কর্মকর্তারা জানান, দেশটির প্যারামিলিটারি সংস্থা নাইজেরিয়া সিকিউরিটি অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স কোরের (এনএসডিসি) হাতে আটক ৩৭ খনিশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। মিন্নার পশ্চিমাঞ্চলের উশিশি-লুকোতো এলাকা থেকে গত সপ্তাহের শুরুর দিকে তাদের আটক করা হয়েছিল।

এরপর প্রদেশের গভর্নর উমার বোগো শুক্রবার সেখানে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী কারফিউ জারি করেন। এর মধ্যে ওই ৩৭ খনিশ্রমিকের মৃত্যুর তদন্ত করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয় সরকার।

আল জাজিরা তাদের এক প্রতিবেদনে জানায়, শুক্রবারের বিক্ষোভে মূলত প্রদেশের রাজধানীতে অবস্থিত সরকারি অবকাঠামোগুলোতেই হামলা চালানো হয়। তবে, কারফিউ জারির পরপরই বিক্ষোভ স্তিমিত হয়ে পড়ে।

ওই প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, দেশটির নাইজার প্রদেশের বিভিন্ন অংশেই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। সবচেয়ে বেশি হামলার শিকার হওয়া সরকারি স্থাপনার মধ্যে ছিল ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি, সেখানে রাখা গণিপরিবহনগুলোর অনেকগুলো বিক্ষোভকারীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এনএসডিসি প্রাথমিকভাবে জানায়, কোনো রোগের সংক্রমণের কারণে ওই শ্রমিকদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে, মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি তারা।

মৃতদের সবাইকেই বৃহস্পতিবার বিকেলে সমাহিত করা হয়। এতে করে পরবর্তীতে তাদের আর ময়নাতদন্ত করা সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, তাদের হাতে আসা একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী এক জায়গায় অতিরিক্ত মানুষ ও পর্যাপ্ত বায়ুচলাচল ব্যবস্থার অনুপস্থিতির কারণে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।