শেয়ার বাজার

তারেক রহমান আগামীর সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী, বিবিসি-রয়টার্সের প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

তারেক রহমান আগামীর সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী, বিবিসি-রয়টার্সের প্রতিবেদন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রায় ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর বাংলাদেশে ফিরেছেন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে তার এই প্রত্যাবর্তনকে গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে বিদেশি গণমাধ্যমগুলো। প্রবাশালী সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও রয়টার্স তাকে বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা নেতা তারেক রহমান প্রায় ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন। গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নির্বাচনের আগে তার এই প্রত্যাবর্তনকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান প্রভাবশালী জিয়া পরিবারের অন্যতম সদস্য। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে এবং বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর শীর্ষ নেতা।

২০০৮ সাল থেকে তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বসবাস করছিলেন। নতুন বছরে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় ফিরতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

নির্বাচনে বিএনপি যদি সবচেয়ে বড় দল হিসেবে জয়ী হয়, তাহলে তারেক রহমানই দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন।

এদিকে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই প্রত্যাবর্তনে সমর্থকরা নতুন করে চাঙ্গা হবে বলে আশা করছে দল। কারণ তাকে অন্যতম সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনের আরও বলা হয়, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ঢাকার বিমানবন্দর থেকে সংবর্ধনা স্থল পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে লাখো নেতাকর্মী জড়ো হন। তারা দলীয় পতাকা হাতে স্লোগান দেন এবং ব্যানার, ফেস্টুন ও ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বিএনপির শীর্ষ নেতারা ঢাকার বিমানবন্দরে তারেক রহমানকে অভ্যর্থনা জানান।

Dummy Ad 1

কুমিল্লা অঞ্চলে ঝুলে আছে ৬০ হাজার এনআইডি আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর, ২০২৪

কুমিল্লা অঞ্চলে ঝুলে আছে ৬০ হাজার এনআইডি আবেদন

কুমিল্লা অঞ্চলের জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে প্রায় ৬০ হাজার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের আবেদন অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়েছে।

সোমবার (২১ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, মাঠপর্যায় থেকে উঠে আসা প্রতিবেদন অনুযায়ী কুমিল্লা অঞ্চলে ৫৯ হাজার ৬৬৩টি এনআইডি সংশোধনের আবেদন ঝুলে আছে।

এই অঞ্চলের প্রবাসীরা সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন আট হাজার ৭৮৬টি। এর মধ্যে সাড়ে তিন হাজারের মতো আবেদন অনুমোদন হয়েছে।

এদিকে গত আট মাসে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন এক লাখ ৬২ হাজার ৭৬৪ জন। এদের মধ্যে আবেদন অনুমোদন হয়েছে এক লাখ তিন হাজার ৩৯৮ জনের।


চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্বে সভাপতি তৌহিদ, সম্পাদক সোহাগ, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মহিন উদ্দিন স্বপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ মার্চ, ২০২৪

চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্বে সভাপতি তৌহিদ, সম্পাদক সোহাগ, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মহিন উদ্দিন স্বপন

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের আয়োজনে মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) বিকেলে চৌদ্দগ্রামের একটি হোটেলে এক সাধারণ সভায় উক্ত কমিটি গঠিত হয়। কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ভোরের কলামের সম্পাদক ও প্রকাশক তৌহিদ মাহমুদ অপুকে সভাপতি এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক স্বাধীন ভোরের সম্পাদক’ মোঃ সোহাগ মিয়াজীকে সাধারণ সম্পাদক করে ২১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক জনকন্ঠের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি ও কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি অধ্যাপক মীর শাহ আলম। চৌদ্দগ্রামের সিনিয়র সাংবাদিক এমএ কুদ্দুসের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক জগলুল কবির নাসির, মীর মাজহারুল হক রণি, নাসির উদ্দিন, আরিফুর রহমানসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

২১ সদস্যের কমিটির অন্য পদে নির্বাচিতরা হলেন সহ-সভাপতি এম এ মান্নান, আবদুল মমিন ভূঁইয়া মীরু, আনিসুর রহমান, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রুবেল মজুমদার, এমএ আলম। সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন মজুমদার, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন ফারুক, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মহিন উদ্দিন স্বপন, দপ্তর সম্পাদক আবদুর রউফ, সহ দপ্তর সম্পাদক সবুজ খন্দকার, অর্থ সম্পাদক আতাউর রহমান রিপন, পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিউল আলম, সহ প্রচার সম্পাদক খুশি কামাল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আশিকুর রহমান। 

কমিটির নির্বাহী সদস্যরা হলেন, এম এ কুদ্দুস, জগলুল কবির নাসির, মীর মাজহারুল হক রণি, আরিফুর রহমান মজুমদার, আকতার হোসেন সাদ্দাম, শরিফুল ইসলাম মজুমদার । 

উল্লেখ যে, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের কমিটির মেয়াদ ৬মাস আগে শেষ হওয়ায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ২৯/০২/২০২৪ইং তারিখে চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের এক সাধারণ সভা অনুষ্টিত হয়। উক্ত সাধারণ সভায় সকল সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে পুরোনো কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয় এবং সিদ্ধান্ত গৃহিত হয় ১৯শে মার্চ-২০২৪ তারিখে পূনরায় একটি সাধারণ সভা অনুষ্টিত হবে এবং সেই সভায় নতুন কমিটি গঠন করা হবে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ (১৯ মার্চ) মঙ্গলবার জরুরী এক সাধারন সভায় উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে উক্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠনের পূর্বে চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের বিপুল সংখক নেতৃবৃন্দ স্ব পরিবারে দিন ব্যাপী একটি বার্ষিক বনভোজনের আয়োজন করেন। নতুন কমিটির নের্তৃত্বে চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের নতুন সদস্য অর্ন্তভূক্ত করার বিষয়েও সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।


ইসলামী ব্যাংকের ১১০০ কোটি টাকা আত্মসাতে এস আলমের ছেলেসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪

ইসলামী ব্যাংকের ১১০০ কোটি টাকা আত্মসাতে এস আলমের ছেলেসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ নিয়ে ১ হাজার ৯২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আহসানুল আলমসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আহসানুল বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম গ্রুপের মালিক সাইফুল আলমের (এস আলম) ছেলে। এস আলমের দুই ভাইকেও এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।

ত ১৯ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চট্টগ্রামের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি করেন সংস্থাটির উপপরিচালক ইয়াছির আরাফাত। মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে মুরাদ এন্টারপ্রাইজের নামে ১ হাজার ৯২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।

দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন ঢাকার সেগুনবাগিচায় সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে গতকাল সাংবাদিকদের বলেন, জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ দেওয়ার অভিযোগে ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন পরিচালনা পরিষদের ১৪ জন ও এস আলমের দুই ভাইসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়েছে।

আহসানুল আলম ছাড়াও এ মামলায় আসামির তালিকায় আছেন এস আলমের ভাই সোনালী ট্রেডার্সের সহিদুল আলম ও গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাশেদুল আলম। আসামির তালিকায় আরও আছেন ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান এমডি মোহাম্মদ মনিরুল মাওলা, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) রফিকুল ইসলাম, সাবেক পরিচালক ও ইসি কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান তানভীর আহমদ, সাবেক পরিচালক মো. ফসিউল আলম, কাজী শহীদুল আলম, মো. সিরাজুল করিম, জামাল মোস্তফা চৌধুরী, মো. জয়নাল আবেদীন, খুরশীদ উল আলম, মো. কামরুল হাসান, সাবেক স্বতন্ত্র পরিচালক মোহাম্মদ সালেহ জহুর ও মোহাম্মদ সোলায়মান এবং সাবেক নমিনি পরিচালক সৈয়দ আবু আসাদ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২১ সালের নভেম্বরে এস আলম-সংশ্লিষ্ট মেসার্স মুরাদ এন্টারপ্রাইজের মালিক গোলাম সরওয়ার চৌধুরী চট্টগ্রামের ইসলামী ব্যাংকের চাক্তাই শাখায় ঋণের জন্য আবেদন করেন। পরের মাসে শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তা অনুমোদন করেন। মিথ্যা তথ্যের ওপর জাল কাগজে এ ঋণের জন্য আবেদন করে মুরাদ এন্টারপ্রাইজ। পরে এ ঋণ অনুমোদন করা হয়। কোনো প্রকার যাচাই না করেই পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যাংকের কর্মকর্তারা পরস্পর যোগসাজশে এ ঋণ অনুমোদন করেন। প্রথমে ৮৯০ কোটি টাকা ঋণের জন্য আবেদন করা হলেও পরে সেটা বৃদ্ধি করা হয়। গত বছরের মার্চ মাসে এ ঋণ জালিয়াতি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, মুরাদ এন্টারপ্রাইজ যে বিনিয়োগের কথা বলে ঋণ নিয়েছিল, পণ্য না কিনে তা স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে। মামলার আসামিদের মধ্যে কেউ কেউ মূলত এস আলম গ্রুপে পণ্য সরবরাহ করতেন। এসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে তাঁরা ঋণের টাকা স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করে মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধ করেছেন।

গত ২১ আগস্ট এস আলম গ্রুপের মালিক এস আলমের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগের তদন্ত শুরু করে দুদক।

দুদক সূত্র জানায়, ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রামের জুবলী ও খাতুনগঞ্জ শাখা থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ নিয়েছে এস আলম গ্রুপ। এই দুটি ঋণের বিষয়টিও অনুসন্ধান করছে দুদক।

এস আলম পরিবারের ১২৫টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

এস আলম পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ১২৫টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ইব্রাহীম মিয়া আজ এ আদেশ দেন।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মীর আহমেদ আলী সালাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এস আলম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক। অনুসন্ধান পর্যায়ে ১২৫টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আবেদন করা হয়েছে। শুনানি নিয়ে আদালত সাইফুল আলম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ১২৫টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন।

আদালত সূত্র জানায়, ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের এ আবেদন করেন দুদকের উপপরিচালক মো. আবু সাঈদ। দুদকের পক্ষ থেকে গতকাল লিখিতভাবে আদালতকে বলা হয়, এস আলম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুর, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, সাইপ্রাস ও অন্যান্য দেশে এক বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান করছে দুদক। অভিযোগ অনুসন্ধানের সময় মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ১২৫টি ব্যাংক হিসাবে ২২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৯ হাজার ১৯১ টাকা জমা রয়েছে।

এর আগে ৭ অক্টোবর এস আলম তাঁর স্ত্রী, সন্তান, ভাইসহ ১৩ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামভিত্তিক ব্যবসায়ী এস আলম। ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক দখল করে নেয়। এরপর আরও একাধিক ব্যাংক, বিমা দখল করে নামে-বেনামে ব্যাংকগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা তুলে নেয় গ্রুপটি। পাশাপাশি গ্রুপের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামেও ঋণ অনুমোদন করা হয়।

এস আলমের নিয়ন্ত্রণে ছিল ন্যাশনাল ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এসব ব্যাংককে এস আলম মুক্ত করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর সম্প্রতি ব্রিটিশ গণমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সহায়তায় কয়েকটি ব্যাংক দখল করার পর ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলমের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তাঁর সহযোগীরা ‘অন্তত’ ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলার ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ‘বের করে নিয়েছেন’।