শেয়ার বাজার

রাউজানের পুর্বগুজরায় পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে সুলভ মূল্যে খাদ্যপন্য বিক্রয় চলমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মার্চ ২০২৪

রাউজানের পুর্বগুজরায় পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে সুলভ মূল্যে খাদ্যপন্য বিক্রয় চলমান

পবিত্র মাহে রমজানে রাউজানবাসীর সুবিধার্থে রাউজানের এমপি জননেতা এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী এমপির পৃষ্ঠপোষকতায় সূলভ মূল্যে মহিষের মাংস,ডিম,দুধ বিক্রয় করা হয়েছে। 

৩১ (মার্চ) রবিবার সকাল ১১ ঘটিকা ১০ নং পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন পরিষদ ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগে যৌথ ব্যবস্হাপনায় পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন অলিমিয়াহাট স্হায়ী কার্যালয়ে সুলভ মূল্যে এই খাদ্যপন্য বিক্রয় করা হয়। 

এতে মুটোফোনে বক্তব্যের  মাধ্যমে এই খাদ্য পন্য বিক্রয় এর শুভ উদ্বোধন করেন রাউজানের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি। 

এছাড়াও ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দিদারুল আলম এর সঞ্চালনায় এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওহাব,পূর্বগুজরা ইউপি সচিব ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ,থানা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি কামরুল ইসলাম বাহাদুর ,  দপ্তর সম্পাদক জসিম উদ্দিন , সহপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মফজ্জল হোসেন , থানা কৃষকলীগের সভাপতি আজগর চৌধুরী, কৃষকলীগ নেতা রিটন চৌধুরী , ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রুবিনা ইয়াসমিন রুজি, ইউপি সদস্য আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী  , ইউপি সদস্য বিশ্বজিত চৌধুরী , মোহাম্মদ বাবুল , উজ্জল বড়ুয়া , সজল মহাজন, বকুল বড়ুয়া, সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার বিনা চৌধুরী , আওয়ামীলীগ নেতা স্বপন  চৌধুরী, ৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক  রেজাউল করিম,  থানা যুবলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য  সালাউদ্দিন আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ সদস্য মাসুদ হাসান , আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল কবির , সমাজ সেবক নুরুল কবির প্রমুখ

Dummy Ad 1

টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে জেলা পুলিশের শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে জেলা পুলিশের শ্রদ্ধা

বার্তাবেলা ডেস্ক: রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে পাকিস্তানি শাসকের বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে যারা জীবন উৎসর্গ করেছিল, যাদের আত্মত্যাগে বাঙালি পেয়েছিল ভাষার অধিকার। ফুল আর শ্রদ্ধায় তাদের স্মরণ করা হয়।

বুধবার ২১ শে ফেব্রুয়ারী,২০২৪"মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস" উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর  সমাধি স্থলে জেলা পুলিশ গোপালগঞ্জের পক্ষে সন্মানিত পুলিশ সুপার গোপালগঞ্জ,  জনাব আল-বেলী আফিফা  ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়ায় অংশগ্রহণ  করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক,গোপালগঞ্জ জনাব কাজী মাহবুবুল আলম।

 এ ছাড়াও জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতাকর্মীবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


উল্লেখ” ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে বাংলা ভাষার দাবীতে রাস্তায় নেমে আসে মানুষ। জারি করা হয় ১৪৪ ধারা, ভেঙে ফেলা হয় শোষকের শৃঙ্খল। রক্তে ভেসে যায় রাজপথ।

গুলিতে বিদীর্ণ হয় বুক। শহীদ হন রফিক, শফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ নাম না জানা আরো অনেকে। ভাষার জন্য প্রাণ দিয়ে ইতিহাস গড়েন তারা। বাংলা পায় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একাত্তরে জন্ম নেয় স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।

মাতৃভাষার জন্যপ্রাণ উৎসর্গের এই দিনটিকে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দেয় ১৯৯৯ সালে। অমর একুশে এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। একুশের চেতনার প্রতীক ‘শহীদ মিনার’ এখন এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ সব কটি মহাদেশের বহুভাষিক চেতনার স্মারক।


সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ করে কাজে লাগানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ করে কাজে লাগানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

বার্তাবেলা ডেস্ক: সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ করে দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট, ১৯৭৪ (অ্যাক্ট নং ২৬, ১৯৭৪)’ প্রণয়নের ৫০ বছর পূর্তিতে ‘সুবর্ণজয়ন্তী’ উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের আছে তরুণ সমাজ। এরা অত্যন্ত মেধাবী। তাদের পথ দেখালেই বীরদর্পে সামনে এগিয়ে যাবে। আমরা সেটাই চাই।

এসময় বিভিন্ন দেশের যুদ্ধের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, শান্তি প্রগতি ও উন্নতির পথ দেখায়, জাতিকে অগ্রগরমান করে, উন্নত জীবন দেয়। আমরা সেজন্য শান্তি চাই। যুদ্ধ চাই না। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় সেটি আছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা যেখানে রেখে গেছেন, বাংলাদেশ সেখানে থমকে গিয়েছিল। আমরা আবার সেখান থেকে শুরু করে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছি। আমরা চাই, ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে উন্নত, সমৃদ্ধ, স্মার্ট বাংলাদেশ। আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্ঞানসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তুলতে চাই। আমরা বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়াবো। মর্যাদা নিয়ে চলবো। সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি নিয়ে রেখেছি। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সময়োপযোগী করে আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, খনিজ সম্পদসহ সব আমাদের উত্তোলন করতে হবে। কাজে লাগাতে হবে। এজন্য যথাযথ বিনিয়োগও প্রয়োজন। এজন্য আলাপ আলোচনা করছি। আন্তর্জাতিক টেন্ডারও দিয়েছি। আমরা বিশাল সমুদ্রসীমার যথাযথ ব্যবহার করে দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজে লাগাতে চাই।

এসময় তিনি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা আসুন। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন। আমাদের ভৌগলিক অবস্থানের কারণেই বিনিয়োগ করে আপনারাও লাভবান হবেন।

সরকারপ্রধান বলেন, আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হবো না। তবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সামর্থ্য থাকতে হবে। ফোর্সেস গোল তৈরি করেছি। সে অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি।

সমুদ্র এলাকার উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশাল সমুদ্র এলাকায় ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ চলছে। মাতারবাড়িতে ডিপ সি পোর্ট করেছি। পায়রা সি পোর্ট করছি। এটা থেকে সমুদ্র বেশি দূরে না। এটার একটা ভবিষ্যৎ আছে। আমরা ধীরে ধীরে উন্নতি করছি। তাড়াহুড়া করছি না। ব্লু ইকোনমি বাস্তবায়নে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের ভৌগলিক অবস্থানের কারণে নৌবাহিনী কতটা গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জাতির পিতা অনুভব করেছেন। আমি এই নৌবাহিনীকে ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনীতে রূপান্তর করেছি। অনেকে বলে, এটা কী দরকার ছিল। আমরা ছোট দেশ। আমরা কিন্তু জনসংখ্যার দিক থেকে অনেক বড়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭৫ সালের পরের সরকার আর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বিশাল সমুদ্রসীমায় আমাদের অধিকার নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি, কোনো রকম উদ্যোগ নেয়নি। আমাদের স্থল সীমানা চুক্তিও জাতির পিতা করে দিয়ে যান। সংবিধান সংশোধন করে সে চুক্তি বাস্তবায়ন করে দিয়ে যান। পরে সেটি আর কার্যকর হয়নি। ২১ বছর পর আমরা ক্ষমতায় আসি এবং এ নিয়ে কাজ শুরু করি। এটি করতে হয় গোপনীয়ভাবে। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়, এই নীতি মেনে চলেছি। পাশাপাশি আমাদের অধিকারটা আদায়েও সচেতন হই। উদ্যোগ নিই।

শেখ হাসিনা বলেন, বিশাল সমুদ্রসীমা আমাদের আছে। এটি আমাদের দেশের অর্থনীতিতে অনেক অবদান রাখতে পারবে। আজকের দিনের এই সেমিনার আমাদের সামুদ্রিক সম্পদের ব্যবহার ও সব সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা এবং সহায়ক ভূমিকা পালনে সক্ষম হবে। সমুদ্রপথ সবাই ব্যবহার করছে এবং ব্যবসা বাণিজ্য করে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো সংঘাত হয়নি, শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এটি অব্যাহত থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি। কখনোই সংঘাতপূর্ণ পরিবেশ হবে না। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব ধারণ করেই আমরা এগিয়ে যাবো।

আনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়া বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানসহ সরকারের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



গরম বাড়তে পারে আরও, আগামী সপ্তাহে বৃষ্টিপাত বাড়ার আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল, ২০২৪

গরম বাড়তে পারে আরও, আগামী সপ্তাহে বৃষ্টিপাত বাড়ার আভাস

দিনের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। আগামী সপ্তাহে দেশে ঝড়-বৃষ্টি বাড়তে পারে জানিয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আপাতত সিলেট অঞ্চল ছাড়া দেশের আর কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে না। মঙ্গলবার সিলেটে ৪১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

সারাদেশেই গরমে কষ্ট পাচ্ছে মানুষ। ঢাকাসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় বাড়ছে অস্বস্তি।

মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল চুয়াডাঙ্গায়। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, বুধবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তার লাভ করতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।