শেয়ার বাজার

২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লেন সাত কলেজ শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪

২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লেন সাত কলেজ শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্তি বাতিল করে সাত কলেজকে নিয়ে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীরা সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন। দাবি মেনে নিতে এ আলটিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়েন তারা।

সোমবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে এ হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আফজাল হোসেন রাকিব। এরপর সায়েন্সল্যাবের দুই পাশের সড়কে যান চলাচল শুরু হয়।

এর আগে বেলা ১১টা থেকে ঢাকা কলেজে জড়ো হন সাত কলেজের প্রায় এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। পরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে সায়েন্সল্যাব ও নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নেন তারা।

এসময় শিক্ষার্থীরা ৩ দফা দাবিও তুলে ধরেন। সেগুলো হচ্ছে

১. সাত কলেজ নিয়ে একটি স্বায়ত্তশাসিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় করার অভিপ্রায়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি সংস্কার কমিটি গঠন করতে হবে।

২. সংস্কার কমিটি অনধিক ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সাত কলেজের শিক্ষক–শিক্ষার্থী ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সাত কলেজের সমন্বয়ে শুধু একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার রূপরেখা প্রণয়ন করবেন।

৩. সংস্কার কমিটি বর্তমান কাঠামো সচল রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন। যাতে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সেশন জটিলতার কোনো ধরনের পরিবেশ তৈরি না হয়।

Dummy Ad 1

কারওয়ান বাজার
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে হামলা, সেনা মোতায়েন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে হামলা, সেনা মোতায়েন

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে হামলা চালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। পরে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কারওয়ান বাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে কারওয়ান বাজার কিচেন মার্কেটের সামনে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও থানার পরিদর্শক (অপারেশন্স) আব্দুল হান্নান।

এ ঘটনার পর থেকে কারওয়ান বাজার এলাকাজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সেখানে রয়েছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা আব্দুর রহমান কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছে ৫ আগস্টের পর থেকে চাঁদা আদায় করছেন। এর প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা মানববন্ধনের আয়োজন করলে তাতে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় আব্দুর রহমানের লোকজন। পরে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা সবাই নেমে এসে হামলাকারীদের ধাওয়া দেয়।

ব্যবসায়ীদের দাবি, পুলিশের সামনে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এই আব্দুর রহমানকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা না হলে ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে রাস্তায় নেমে আসবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিলও করেন।

আব্দুল হান্নান বলেন, আব্দুর রহমান নামের একজনের বিরুদ্ধে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করছিলেন। আগেও তারা এমন মানববন্ধন করেছেন। আজকের মানববন্ধনের সময় আশপাশে পুলিশও ছিল। হঠাৎ অতর্কিতভাবে কয়েকজন এসে তাদের ব্যানার কেড়ে নিতে চেষ্টা করেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ঘটে। পরবর্তীতে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটি'র নেতৃবৃন্দদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটি'র নেতৃবৃন্দদের

বার্তাবেলা (নিজস্ব প্রতিবেদক): মহান বিজয়দিবসের ৫৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির পক্ষ থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। 

আজ (সোমবার) ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪, বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির আহ্বায়ক মোঃ এফ রহমান রুপক এবং সদস্য সচিব মোঃ শাহাজালাল ভুইয়া উজ্জ্বলের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।


এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ শাহাজাহান মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ এনামুল হক আবির, এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, যাদের মধ্যে ছিলেন মোঃ মহিন উদ্দিন স্বপন, মোঃ শাহ আলম সাগর,মাহবুব মন্ডল, মোসাঃ মাহাফুজা আক্তার, মোসাঃ ডালিয়া আক্তার, মোঃ রায়হান, মোঃ মনির হোসেন, এবং মোঃ নাজমুল হুদা বাবুল প্রমুখ।


এসময় নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং স্বাধীনতার মূল্যবোধ বজায় রাখতে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

এদিনের শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে তারা মুক্তিযুদ্ধের মহান আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন


"কাচ্চি ভাই" ও ধানসিঁড়ি রেস্টুরেন্টকে লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ মার্চ, ২০২৪

"কাচ্চি ভাই" ও ধানসিঁড়ি রেস্টুরেন্টকে লাখ টাকা জরিমানা

অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ বুধবার (৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নায়েন এ আদালত পরিচালনা করেন। তার সঙ্গে আছেন সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান।

এদিকে, এসময় একই অভিযোগে ধানসিঁড়ি নামে আরেকটি রেস্তোরাঁকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া সিঁড়ির সামনে মালামাল রাখায় সেভা হাউজ নামে একটি ভবনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই ভবনটি সাততলা।

দুপুর পৌনে একটা পর্যন্ত গুলশান-২ নম্বর এলাকায় অভিযান চলে।

এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর রেস্টুরেন্টগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ঘাটতি খুঁজতে অভিযানে নেমে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) বেইলি রোডে বন্ধ থাকা সুলতানস ডাইন ও নবাবী ভোজ নামের রেস্টুরেন্ট দুটি সিলগালা করে রাজউক। এছাড়া স্কাই ভিউ নাইটেঙ্গল টাওয়ার নামের ৮ তলা রেস্টুরেন্ট ভবন পরিদর্শন করেন তারা। সেখানে তারা দেখতে পান ৩ মিটার সিঁড়ির বদলে সেখানে রয়েছে ৩ ফিট সিঁড়ি। সঙ্গে রয়েছে ছোট্ট একটি লিফট। এছাড়া ভবনটিতে কোনো ফায়ার এক্সটিংগুইসার দেখা যায়নি। পরে সেখানে ফায়ার সার্ভিস ‘ভবনটি অগ্নি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ লিখে একটি নোটিশ টানিয়ে দেয়।

এছাড়া সোমবার (৪ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডি, ওয়ারীসহ বিভিন্ন এলাকায় অর্ধশত রেস্টুরেন্টে একযোগে অভিযান পরিচালনা করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও পুলিশ। এসব অভিযানে বেশকিছু রেস্টুরেন্ট সিলগালা করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন রেস্তোরাঁর ১৬ জনকে আটক এবং ৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নিয়ম বহির্ভূতভাবে করা কয়েকটি রেস্তোরাঁ ভেঙে ফেলাও হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে লাগা আগুনে এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে, সেই ভবনের প্রথম তলায় ‘চায়ের চুমুক’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট ছিল। সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত, যা পরে পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার রেস্টুরেন্টগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা তদারকি করতে অভিযান পরিচালনা করছে বিভিন্ন সংস্থা।