শেয়ার বাজার

আরও বাড়লো তেলের দাম, ব্যারেলপ্রতি ছাড়ালো ৮০ ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

আরও বাড়লো তেলের দাম, ব্যারেলপ্রতি ছাড়ালো ৮০ ডলার

বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক ইরানের সব সমুদ্রবন্দরের ওপর ফের অবরোধ আরোপ ও এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলেপ্রতি ১.৪৬ ডলার বা ১.৭২ শতাংশ বেড়ে ৮৬.১৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ব্যারেলে ১.১১ ডলার বা ১.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে সর্বমোট ৮০.৪০ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) ভোরের দিকে মধ্যপ্রাচ্যে এই নতুন সামরিক উত্তেজনা ও সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়। দুই পরাশক্তির এমন মারমুখী অবস্থানের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই নতুন অস্থিরতা ও সংঘাত যদি আরও তীব্র আকার ধারণ করে ও পারস্য উপসাগরের মূল জ্বালানি অবকাঠামোগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে অদূর ভবিষ্যতেই তেলের দাম আবারও ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রবল শঙ্কা রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডোর হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে, যা মূলত বিশ্ববাজারের এই দাম বৃদ্ধির মূল কারণ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েকদিন ধরে চলা এই পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপের ফলে গত জুন মাসে স্বাক্ষরিত হওয়া একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তি এখন সম্পূর্ণ ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। ওয়াশিংটন থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে নতুন করে অবরোধ কার্যকর করার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান বাহরাইন, জর্ডান ও কুয়েতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে এই প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে জ্বালানির বৈশ্বিক দামে।

Dummy Ad 1

দক্ষিণ লেবাননে পানি সরবরাহ কেন্দ্রে ইসরায়েলের হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননে পানি সরবরাহ কেন্দ্রে ইসরায়েলের হামলা

লেবাননের হামলা অব্যাহত রেখেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। দেশটির জাতীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ) জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী বাতুলিয়েহ শহরের একটি পানি সরবরাহ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। খবর আল জাজিরার। 

এতে বলা হয়েছে, শহরটির অবশিষ্ট বাসিন্দারা পানি তোলার জন্য ওই কেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। এনএনএ আরও জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী আল-বায়াদ শহরের একটি পর্যটন কেন্দ্রও উড়িয়ে দিয়েছে।

গত ১৬ এপ্রিল ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল এবং গত বৃহস্পতিবার তিন সপ্তাহের জন্য এর মেয়াদ বাড়ানো হয়।

এই চুক্তি অনুসারে, ইসরায়েল পরিকল্পিত, আসন্ন বা চলমান আক্রমণের বিরুদ্ধে যেকোনো সময় আত্মরক্ষার্থে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার বজায় রাখবে বলে জানিয়েছে।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ উভয়ই একে অপরের ওপর হামলার কথা জানিয়েছে এবং একে অপরকে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগও এনেছে।


ইরানের কাছে আর ‌‘২২ শতাংশ’ ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট আছে: ট্রাম্প

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ জুন, ২০২৬

ইরানের কাছে আর ‌‘২২ শতাংশ’ ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট আছে: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের কাছে এখন আর ‘২১ থেকে ২২ শতাংশ’ ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট আছে। ট্রাম্প এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, তাদের এখনো সক্ষমতা আছে। তাদের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র আছে, কিছু ড্রোন আছে। আমি বলবো, শতাংশের হিসাবে, হয়তো তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের ২১ থেকে ২২ শতাংশ আছে। খবর এএফপির।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের এই পরিসংখ্যান মে মাসে ট্রাম্পের দেওয়া ১৮ শতাংশের চেয়ে বেশি। তিনি এর আগে দাবি করেছেন যে, ইরানের যুদ্ধ করার সক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

ইরানের সামরিক বাহিনী শুক্রবার বলেছে, তারা ওমান উপসাগরে দুটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারের দিকে ‘সতর্কতামূলক ক্ষেপণাস্ত্র’ নিক্ষেপ করেছে। তবে এই দাবি মার্কিন সামরিক বাহিনী সঙ্গে সঙ্গেই অস্বীকার করেছে।

এদিকে কুয়েতের আলি-আল সালেম বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর ফিফথ ফ্লিট সদরদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। হরমুজ প্রণালির দুটি দ্বীপে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলার জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে অনুমোদনবিহীন ট্যাংকার চলাচল নিয়ে সংঘর্ষের পর ইরানের কাশেম ও সিরিক-এ অবস্থিত যোগাযোগ টাওয়ারে ড্রোন হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এর জবাবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।


ইরানের ‘কোনো তাড়া নেই’, বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল, ২০২৬

ইরানের ‘কোনো তাড়া নেই’, বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে

ইসলামাবাদে ম্যারাথন বৈঠক শেষে মার্কিন প্রতিনিধি দল পাকিস্তান ত্যাগ করার পর এবার মুখ খুলেছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সমঝোতার জন্য তাদের ‘কোনো তাড়া নেই’ এবং আলোচনার ভবিষ্যৎ এখন সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে।

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, আলোচনায় ইরান অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত প্রস্তাব এবং উদ্যোগ পেশ করেছে। এখন ‘বল যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে’। যুক্তরাষ্ট্র যদি বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে আসে, তবেই পরবর্তী অগ্রগতি সম্ভব।

সূত্রটি আরও অভিযোগ করে, যুক্তরাষ্ট্র যেমন যুদ্ধে ভুল হিসাব করেছে, আলোচনাতেও একই ভুল করছে। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘যৌক্তিক চুক্তি’ মেনে না নেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতিতে কোনো পরিবর্তন আসবে না।

সূত্রের ভাষায়, ‘ইরানের কোনো তাড়া নেই।’

এদিকে, পরবর্তী দফার আলোচনার জন্য এখনো কোনো তারিখ বা স্থান নির্ধারণ করা হয়নি।