শেয়ার বাজার

কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬

কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ফোরামের সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যসহ মোট ২০০ জন চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) দিনব্যাপী এ হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।  এতে চিকিৎসাপত্র নিয়েছেন ২০০ জন, বিভিন্ন পরীক্ষা করেছেন ১২০ জন ও প্রায় ২০০ জন ঔষধ নিয়েছেন। 

এই আয়োজনে চিকিৎসা সেবা দেয় ড্রিমার্স কনসালটেশন অ্যান্ড রিসার্চ (ডিসিআর)।  সকালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সাবেক আঞ্চলিক উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. আবু মুহাম্মদ জাকির হোসেন, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. গোলাম সারওয়ার লিয়াকত হোসেন ভূঁইয়া, ড্রিমার্স কনসালটেশন অ্যান্ড রিসার্চ (ডিসিআর)-এর পরিচালক ও সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।

কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার সভাপতি সাঈদ আহমেদ খানের সভাপতিত্বে কর্মসূচির সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন জসিম। 

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে সেবা দেন- প্রখ্যাত ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার (রাসকিন), খ্যাতনামা নিউরোসার্জন অধ্যাপক ডা.  মাহফুজুর রহমান, চক্ষু বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক ডা. জাকিয়া সুলতানা নীলা, গাইনি বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক ডা. রুশদানা রহমান (তমা) এবং ডিসিআর-এর ৩০ জনের চিকিৎসক টিম।  

হেলথ ক্যাম্পে যাবতীয় ঔষধ সরবরাহ করে দি ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি পিএলসি, বায়োফার্মা লিমিটেড ও কসমো ফার্মা ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড। আর খন্দকার টি'র সৌজন্যে ছিল চা-কফির ব্যবস্থা। 

সন্ধ্যায় এই ক্যাম্পে স্বেচ্ছাসেবায় বেস্ট পারফর্মাদের অনুভূতি প্রকাশ ও শুভেচ্ছা পুরষ্কার তুলে দেওয়া হয়।

Dummy Ad 1

এক বছরের মধ্যে চালু হবে গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ জুন, ২০২৬

এক বছরের মধ্যে চালু হবে গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার: মির্জা ফখরুল

আগামী এক বছরের মধ্যে গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার প্রকল্পটি চালুর ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানান, ঢাকা ওয়াসার অধীনে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজ ইতোমধ্যে প্রায় ৯৭ শতাংশ শেষ হয়েছে। বাকি ছোটোখাটো কাজ সম্পন্ন করে আগামী এক বছরের মধ্যে এটি পুরোপুরি চালু করা হবে।

সোমবার (৮ জুন) বেলা ১১টায় রূপগঞ্জে চলমান প্রকল্প পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা মহানগরীর দুই সিটি কর্পোরেশনে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর বিপজ্জনক নির্ভরতা কমাতে এবং ভয়াবহ পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় মেঘনা নদী থেকে সারফেস ওয়াটার বা উপরিভাগের পানি আনার এই মেগা প্রকল্প এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বাস্তবায়নাধীন এনভায়রনমেন্টালি সাসটেইনেবল ওয়াটার সাপ্লাই প্রজেক্ট (ডিইএসডব্লিউএসপি) বর্তমানে দেশের অন্যতম বৃহৎ পানি সরবরাহ প্রকল্প।

মির্জা ফখরুল বলেন, মেঘনা নদীর পানি শোধন করে ঢাকায় সরবরাহের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমানোই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। প্রকল্পের আওতায় নদীতে পানি গ্রহণ কেন্দ্র, কাঁচা পানি পরিবহন লাইন, দৈনিক ৫০ কোটি লিটার সক্ষমতার পানি শোধনাগার এবং শোধিত পানি সরবরাহের ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক নির্মাণ করা হয়েছে। এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা।


কুমিল্লার খামারে মরুর উট, দেখতে দর্শনার্থীর ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

কুমিল্লার খামারে মরুর উট, দেখতে দর্শনার্থীর ভিড়

এবার কুমিল্লায় কোরবানির পশুর হাটে বিশেষ আকর্ষণ মরুভূমির জাহাজ খ্যাত উট। সদর দক্ষিণ উপজেলার একটি এগ্রো ফার্মে তাকে লালন-পালন করা হচ্ছে। বিশাল আকৃতির এই উটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘সুলতান’।

প্রথমবারের মতো জেলায় কোরবানির জন্য উট আসার খবরে এক নজর দেখতে প্রতিদিন ওই ফার্মে শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন।

সরেজমিন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার লক্ষ্মীনগর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, দৃষ্টিনন্দন এক বাংলো বাড়ি। ২০১৭ সালে সেই বাড়িতে রাফি এগ্রো নামে গড়ে উঠেছে তিন তলা বিশিষ্ট পশুর খামার। লালনপালন করা হচ্ছে নানা জাতের পশু। ঈদ উল আযহা উপলক্ষে দুই মাস আগে নতুন করে খামারে যুক্ত হয়েছে উট। পশুটি দেখতে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাংলো বাড়িতে দর্শনার্থীদের ভিড় জমে। এতে পশুর খামার এখন রূপ নিয়েছে চিড়িয়াখানায়। দর্শনার্থীদের জন্য উটকে ফার্মের বাইরে রাখা হয়েছে।

উটের শরীরে ময়লা জমায় পানি ছিটিয়ে পরিষ্কার করছেন খামারটির কর্মচারীরারা। উটটি উচ্চতায় ১০ ফুট ছাড়িয়ে। ওজনে সাড়ে ২২ মণের বেশি। পরিষ্কারের পর বাঁধা হয় বাড়ির সড়কের ওপরই। সেখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা তরুণরা বিস্ময় চোখে উট দেখতে থাকেন। কেউ ছুঁয়ে দেখছেন, কেউ উটের সঙ্গে সেলফি তুলছেন। উটও সেলিব্রেটির মতো চুপচাপ ছবি তোলার সুযোগ করে দিচ্ছে। এতে বেশ মজা পাচ্ছেন দর্শনার্থীরা।

এদিকে খামারে রয়েছে গয়াল, মহিষসহ বিভিন্ন জাতের শতাধিক বিক্রিযোগ্য দেশি-বিদেশি গরু। রয়েছে শতাধিক কবুতরও। একেকটি গরুর দাম ৮০ হাজার থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত।

দর্শনার্থী সাইফুল হাসান শুভ, পারভেজ হোসেন অনিক ও মো. রিফাত বলেন, ভার্চুয়ালি উট দেখেছি। বাস্তবে কখনো দেখার সুযোগ হয়নি। বন্ধুদের কাছে শুনেছি এখানে উট এসেছে। তাই দেখতে এলাম। ছুঁয়েও দেখলাম। খুব ভালো লেগেছে। এটি খুব শান্ত প্রাণী বলে মনে হয়েছে।

পরিচর্যাকারী সুমন ইসলাম বলেন, দুই মাস আগে উটটি আমাদের খামারে এসেছে। প্রথমে দেখে ভয় পেয়েছি কীভাবে পরিচর্যা করবো। আস্তে আস্তে তার সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব হয়েছে। সে এখন আমাদের কথা শুনে। আমরা তার নাম দিয়েছি ‘সুলতান’। সে বালু ও রোদ পছন্দ করে। আমরা তাকে ভুট্টা, গম ও দূর্বা ঘাস দিলেও কাঁটাযুক্ত খাবার সুলতানের বেশি প্রিয়। দৈনিক তাকে অন্তত ৪০ লিটার পানি পান করাতে হয়। প্রতিদিন উট দেখতে শত শত লোকজন ফার্মে ভিড় করেন।

রাফি এগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী জুয়েল আহাম্মদ বলেন, আমার খামারে গয়াল, মহিষসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশি-বিদেশি গরু রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে আমি খামারে গরু মোটা-তাজাকরণ শুরু করি। এবার শখের বসে ভারতের রাজস্থান থেকে উটটি সংগ্রহ করেছি। উটের ওজন ৯০০ কেজির ওপরে। ৩২ লাখ টাকা দাম পেলে বিক্রি করে দিবো। ক্রেতারা আসতে শুরু করেছেন। এখনো আশানুরূপ দাম বলেননি কেউ। খামারে বিক্রি না হলে ২/১ দিন পর হাটে ওঠাবো। ৩২ লাখ টাকা হলে ছেড়ে দিবো।

তিনি আরও বলেন, শুধু সৌদিতে না, বাংলাদেশেও উটের খামার করা যেতে পারে। তবে প্রাণিসম্পদ অফিসকে আরও আন্তরিক হতে হবে। গত ৯ বছরে আমার খামারে সরকারি কোনো চিকিৎসক বা কর্মকর্তা আসেননি। চিকিৎসার জন্য তাদের ফোন করেও পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে প্রাইভেট চিকিৎসক রাখতে হয়।

তবে এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামছুল আলম বলেন, গরুসহ বিভিন্ন পশুর চিকিৎসাসেবা আমরা নিয়মিত দিয়ে যাচ্ছি। রাফি এগ্রো ফার্ম কার কাছে সেবা চেয়ে পায়নি এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


হাব নির্বাচনে তসলিমের নেতৃত্বে ‘হাব সম্মিলিত ফোরামের' জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৪

হাব নির্বাচনে তসলিমের নেতৃত্বে ‘হাব সম্মিলিত ফোরামের' জয়

হজ এজেন্সিগুলোর সংগঠন হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে বর্তমান সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিমের নেতৃত্বের ‘হাব সম্মিলিত ফোরাম’ পূর্ণ প্যানেলে জয়লাভ করেছে।

শনিবার (২ মার্চ) রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতু্ন্নেসা মুজিব কনভেনশনে হাব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

দুটি প্যানেল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। শাহাদাত হোসাইন তসলিমের নেতৃত্বে হাব সম্মিলিত ফোরাম ও জামাল উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে ‘হাব গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদ’। শাহাদাত হোসাইন তসলিমের প্রাপ্ত ভোট ৪০৪, অন্যদিকে জামাল উদ্দিন আহমদ ২২৭ ভোট পান। তসলিম ১৭৭ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন।

হাব কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের ২৭টি পদে হাব সম্মিলিত ফোরামের প্রার্থীরা জয়লাভ করেন। ঢাকা আঞ্চলিক পরিষদের ১৩টি ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের ৭টি পদেও ফোরামের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে সিলেট আঞ্চলিক পরিষদের ৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

এছাড়া সিলেট ও চট্টগ্রামে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (বাণিজ্য সংগঠন) জিনাত রেহান, উপসচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, এম এম মোস্তফা জামাল চৌধুরী ও মোহাম্মদ মশিউর রহমান।