শেয়ার বাজার

বৃহস্পতিবার রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

বৃহস্পতিবার রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান

দীর্ঘ ২২ বছর পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজশাহীতে নির্বাচনি প্রচারণায় আসছেন। ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তিনি।

দীর্ঘ ২২ বছর পর দলীয় প্রধানের আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে নগরীতে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তিন জেলার ১৩টি সংসদীয় আসনের নেতাকর্মীরাসহ সাধারণ জনগণ এই সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন। সমাবেশে তিন লক্ষাধিক জনসমাগমের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুন জানান, ২৯ জানুয়ারি বেলা ১১টার দিকে বিমানযোগে তারেক রহমান রাজশাহীতে পৌঁছাবেন এবং সরাসরি মাদরাসা মাঠে সমাবেশে যোগ দেবেন। একইদিন সন্ধ্যায় নওগাঁ বাইপাসে এবং রাতে বগুড়ায় নির্বাচনি সমাবেশে ভাষণ দেবেন। বগুড়ায় রাত্রিযাপন করার সম্ভাবনাও রয়েছে।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, তারেক রহমানের আগমনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোতে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। আমরা কয়েক লাখ মানুষের সমাগম নিশ্চিত করতে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছি।

জানা যায়, গত শনিবার দিবাগত রাতে নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকায় বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনুর বাসভবনে রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাজগঞ্জ আসনের দলীয় প্রার্থী, মহানগর ও বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভায় অংশ নেন তারেক রহমান। সভায় তিনি রাজশাহীতে তিন জেলার নির্বাচনি সমাবেশ সফল করার জন্য সমন্বয়ের নির্দেশনা দেন। ভার্চুয়াল সভায় রাজশাহী বিভাগের ১৩ আসনের প্রার্থীদেরও এ সমাবেশ সম্পর্কে অবহিত করার কথা বলেন তিনি। সভায় রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত, নাটোর-২ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং মহানগর বিএনপির নেতারা অংশগ্রহণ করেন।

এরপর রোববার সকাল থেকেই ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়। এরই মধ্যে রাজশাহী মহানগর বিএনপি ও সংশ্লিষ্ট অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। মঞ্চ প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে স্থানীয় প্রশাসনকেও অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু জানান, তারেক রহমান ২৯ জানুয়ারি বিমানে দুপুর সোয়া ১২টায় রাজশাহীতে নামবেন এবং সরাসরি মাদরাসা মাঠে পৌঁছে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন। রাজশাহীসহ আশপাশের তিন জেলার ১৩টি সংসদীয় আসনের প্রার্থী ও সাধারণ মানুষ এই জনসভায় উপস্থিত থাকবেন। রাজশাহী বিএনপির প্রাণকেন্দ্র, এখানকার মানুষ ‘ধানের শীষ’ ছাড়া কিছু ভাবেই না। আমরা বিজয়ের দৃঢ় প্রত্যয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এদিকে দীর্ঘ সময় পর রাজশাহীতে তারেক রহমানের আগমন বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উৎসাহ ও উদ্দীপনা তৈরি করেছে। দলীয় নেতারা মনে করেন, এই সমাবেশ রাজশাহী ও আশপাশের তিন জেলায় বিএনপির নির্বাচনি শক্তিকে ব্যাপকভাবে উজ্জীবিত করবে এবং ভোটারদের মধ্যে দলীয় মনোবল বাড়াবে। এর ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ব্যাপক সুবিধা সৃষ্টি হবে।

উল্লেখ্য, রাজশাহী বিভাগের ১৩টি আসনে এই বৃহৎ সমাবেশ দলটির জন্য ঐতিহাসিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ সর্বশেষ ২০০৫ সালে দলীয় কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে তারেক রহমান রাজশাহীতে এসেছিলেন। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে এই প্রথম ভোটের প্রচারে সরাসরি মহানগরীতে আসার ফলে দল ও ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাজগঞ্জের প্রার্থীদের জন্য একযোগে এই মহাসমাবেশ বিএনপির ঐক্য ও শক্তির প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সমাবেশ সফল করতে দল ও অঙ্গসংগঠন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানা গেছে।

Dummy Ad 1

বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে মোদীর চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৪

বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে মোদীর চিঠি

রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

শনিবার (২ মার্চ) ঢাকায় ভারতের হাইকমিশন এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে গতকাল শুক্রবার শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি পাঠান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

চিঠিতে ২৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় আন্তরিক শোক প্রকাশ করেছেন নরেন্দ্র মোদী। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি।

নরেন্দ্র মোদী বলেন, এই দুঃসময়ে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে ভারত। একই সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ চিন্তাভাবনা ও প্রার্থনা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে থাকবে।


ধর্ষণকাণ্ড: জাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ধর্ষণকাণ্ড: জাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

বার্তাবেলা ডেস্ক: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষক ও তার সহযোগীদের সর্বোচ্চ সাজাসহ পাঁচ দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত নতুন প্রশাসনিক ভবন ‘প্রতীকী অবরোধ’ করেছেন আন্দোলনকারীরা। 

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘নিপীড়নবিরোধী মঞ্চের’ ব্যানারে দুই ঘণ্টা ধরে এ অবরোধ করা হয়। পরে বেলা ১১টায় এই অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। 

অবরোধ চলাকালে প্রশাসনিক ভবনে কোনো কর্মকর্তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলমকেও দেখা যায়নি। 

এর আগে সোমবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত নতুন প্রশাসনিক ভবনে প্রতীকী অবরোধ করেছিল ‘নিপীড়নবিরোধী মঞ্চ'। 

‘নিপীড়নবিরোধী মঞ্চের’ পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ধর্ষক ও তার সহায়তাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা; মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হল থেকে বের করে গণরুম বিলুপ্তপূর্বক নিয়মিত শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত ও র‌্যাগিং সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা; নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনির বিচার নিষ্পত্তি করাসহ ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সময়ে নানাবিধ অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনা; নিপীড়কদের সহায়তাকারী প্রক্টর ও মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষের অপরাধ তদন্ত ও সুষ্ঠু হওয়ার স্বার্থে তদন্ত চলাকালে তাদের প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া; মাদকের সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে জড়িতদের ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামছুল আলম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদকমুক্ত করতে হবে, অছাত্রদের সরিয়ে দিতে হবে। প্রশাসন আমাদেরকে বলেছিল, পাঁচ কর্মদিবসে অছাত্রদের বের করে দিবে। কিন্তু তারা সেটা পারেনি। প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে ঢাকায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।“ 

তিনি বলেন, “সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রশাসন দেখা করেছে। এখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করবেন? তার কাছে গিয়েছিলেন নিশ্চয় ক্যাম্পাসে পুলিশের সহায়তা নিয়ে তল্লাশি করার জন্য। কিন্তু পুলিশ এখানে কী সহায়তা করবে, তারা কি বহিরাগত অছাত্রদের চেনে? এখানে হল প্রশাসন যদি কাজ করে তাহলে কিন্তু সমাধান হয়। কিন্তু তারা কেউ কাজ করছেন না।”

গত ১৫ বছরে প্রতিটা হল টর্চার সেলে পরিণত হয়েছে; রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যে বিচারহীনতা চলছে তার প্রভাব এখানে পড়েছে বলে জানান এই অধ্যাপক।  

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির সহসভাপতি ও প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সোহেল আহমেদ বলেন, “এক পৈশাচিক ঘটনা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকগুলো ব্যাধিকে জাতির সামনে তুলে ধরেছে। এই সংক্রামক ব্যাধিগুলো দূর করা যাবে না এটা এমনও না। এটা অবশ্যই দূর করার মত। কিন্তু এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে যে দায়িত্বশীল হতে হবে। সেই দায়িত্ব আমরা দেখিনি। 

“বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারকে যে ঘটনাগুলো কলুষিত করেছে, কলঙ্কিত করেছে, সম্মান ক্ষুণ্ন করেছে সেই সম্মান উদ্ধারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কোনো তৎপরতা আমরা দেখতে পাচ্ছি না।" 

তিনি বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদক কীভাবে ছড়িয়ে গেছে, মাদক ব্যবসা, চোরা চালান, মাদক সেবন সামনে এসেছে। র‍্যাবের ব্রিফিং থেকে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনের পর দিন যে পাশবিক ঘটনাগুলো ঘটছিল তা এই অছাত্ররা করছিল। এই প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে তারা দায় এড়াতে পারে না। শুধু এই প্রশাসন তা উপলব্ধি করতে পারছে না।" 

অবরোধ চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী কনোজ কান্তি রায় বলেন, "এই ক্যাম্পাসে একজন বৈধ শিক্ষার্থী থাকার জায়গা ও লেখাপড়ার জন্য চেয়ার-টেবিল পায় না। অন্যদিকে কিছু অবৈধ শিক্ষার্থী ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের ছত্রছায়ায় থেকে তাদের সঙ্গে লেজুড়বৃত্তি করে হলগুলোতে থাকছে।যার ফলে বৈধ শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

“গণরুমে ওঠার পরে যারা ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হয় তাদেরকে আগে সিট দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার একটা প্রবণতা তৈরি হয়। আর গণরুম ও গেস্টরুমের কালচার এবং র‍্যাগিং শিক্ষার্থীদের মস্তিষ্ককে বিকৃত করে তোলে।” 

এ সময় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মাফরুহি সাত্তার ও সোহেল রানা, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক পারভীন জলী, সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আমেনা ইসলাম, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নূরুল ইসলাম।


ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ মার্চ, ২০২৪

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা। নগরীর ৫ হাজার রেস্তোরাঁর মধ্যে অগ্নিনিরাপত্তা সনদ আছে হাজারখানেকের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিটি বহুতল ভবনে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ রেস্তোরাঁ থাকার কথা থাকলেও মানছে না কেউ। 

ধানমন্ডির গাউসিয়া টুইনপিক ভবনটি পরোটাই ঠাসা রেস্তোরাঁ দিয়ে। ওঠা-নামার একমাত্র পথ লিফট। ভেতরে দুটি সিড়ি থাকলেও একটি বন্ধ গোডাউনে, অন্যটি দখলে সিলিন্ডারে। বারান্দা থাকলেও তা কাচে ঢাকা। এ যেন পুরোই বোমার কারখানা।

টুইনপিক ভবনের নকশা করেন স্থপতি মুস্তাফা খালিদ পলাশ। বেইলি রোড ট্রাজেডির পর পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে ভবনটি এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান এই স্থপতি। নিজের সৃষ্টির এমন অবস্থা দেখে বিষ্মিত তিনি। দাবি করেন, অফিসের জন্য করা ভবন রেস্তোরাঁ বানিয়ে সব কিছুই পাল্টে ফেলেছেন ভবন মালিক ও ব্যবস্যায়ীরা।

মুস্তাফা খালিদ পলাশ বলেন, এটি ডিজাইন করেছিলাম বাণিজ্যিক ভবন হিসেবে। আমি কোনোভাবেই সেটি কেমিক্যাল গুদাম হিসেবে ডিজাইন করেনি।

একই অবস্থা ধানমন্ডিসহ রাজধানীর বেশিরভাগ ভবনের। রাজধানীতে প্রকৃত অর্থে কেমন ভবন নির্মাণ হওয়া উচিত? এ প্রশ্নে এই স্থপনি জানান, সর্বোচ্চ ১০ ভাগ রেস্তোরাঁ থাকতে পারবে একটি সুউচ্চ বানিজ্যিক ভবনে।

তিনি বলেন, ভবনে রেস্টুরেন্ট দেয়ার ক্ষেতে একটি মাত্রা নিদির্ষ্ট করে দেয়া উচিত। ১০০ পার্স্টেন্ট কোনোভাবেই নয়। এই কালাচার আমি কোথাও দেখিনি। সাম্প্রতিক বাংলাদেশে শুরু হয়েছে। 

তাহলে এগুলো দেখবে কারা? সরকারের কয়েকটি সংস্থা এর তদারকির দায়িত্বে থাকলেও শুধু খাবারে ভেজালবিরোধি অভিযানেই সারা। ফায়ার সার্ভিসের সাবেক ডিজি ব্রি.জে. আবু নাঈম মো. শহীদুল্লাহ বলছেন, সরকারি সংস্থার উদাশীনতা ও আইন না মানার প্রবনতা বাড়াচ্ছে সংকট।

রাজধানীর ৫ হাজারের বেশি রেস্তোরাঁ থাকলেও ফায়ার সার্টিফিকেট আছে হাজার খানিকের। অন্যান্য সংস্থার অনুমোদনের ধারধারে না কেউ।