শেয়ার বাজার

এবার কলকাতার রাজপথে গণমাধ্যমকর্মীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

এবার কলকাতার রাজপথে গণমাধ্যমকর্মীরা

গত কয়েকদিন ভারতজুড়ে চলা ছাত্র আন্দোলনে সাংবাদিকদের ওপর আন্দোলনকারীদের হামলার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যমকর্মীরা। সোমবার (২৭ জুলাই) কলকাতা প্রেস ক্লাব থেকে বিশাল প্রতিবাদ মিছিল বের করেন সাংবাদিকরা।

মিছিলটি ধর্মতলার ডরিনা ক্রসিং কাছে গিয়ে মানববন্ধন রূপ নেয়। সেখানে গণমাধ্যমকর্মীরা দোষী ব্যক্তিদের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এর আগে কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলায় বামপন্থি, অতি বামপন্থি ও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিবাদ মিছিল থেকে সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে ছোড়া হয় পানির বোতল ও জুতা। এমনকি, অভিযোগ আছে, আন্দোলনকারীরা গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর শারীরিকভাবেও হামলা চালায়। এতে বেশকিছু গণমাধ্যমকর্মী আহত হন ও তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সোমবার (২৭ জুলাই) গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্বদানকারী ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের কাছে একটি স্মারক লিপি জমা দেয়। সেখানে রাজ্যপালের কাছে দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থার নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় ১৬ জন আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে ‘গুন্ডা দমন আইনে’ মামলা দায়ের করেছে রাজ্য প্রশাসন।

এ বিষয়ে আদর্শ তিতুমীর ও সংবাদ তিতুমীর পত্রিকার সম্পাদক ধৃতরাষ্ট্র দত্ত বলেন, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমর্থনে কলকাতায় যে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়, সেই মিছিলের সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আমাদের টার্গেট করে নৃশংসভাবে হামলা করা হয়। সেই হামলার প্রতিবাদে আজ পুরো রাজ্য থেকে কলকাতায় এক ঐতিহাসিক মিছিল বেরিয়েছে। মিছিল থেকে আমরা দাবি জানাচ্ছি, গ্রাম বাংলায় তো অনেক সাংবাদিক নিগ্রহের শিকার হন। তাদের ওপর হামলা হলেও যাতে এই ধরনের প্রতিবাদ করা হয়।

Dummy Ad 1

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় সেনা সদস্য ও শিশুসহ নিহত ১৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ মে, ২০২৬

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় সেনা সদস্য ও শিশুসহ নিহত ১৩

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ১৩ জন নিহত হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মঙ্গলবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় এক সেনা সদস্য, এক শিশু এবং দুজন উদ্ধারকর্মীসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন। খবর এএফপির।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নাবাতিয়া শহরে এক হামলায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে দুজন বেসামরিক প্রতিরক্ষা উদ্ধারকর্মীও রয়েছেন।

এছাড়া জেবচিতের কাছে আরেকটি হামলায় এক সেনা ও এক সিরীয় নাগরিকসহ চারজন নিহত হয়েছেন এবং বিন্ট জেবাইলে তৃতীয় হামলায় এক শিশু ও এক নারীসহ চার বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ১৬ এপ্রিল ইসরায়েল ও লেবানন সরকারের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির ঘোষণা দেওয়ার পরও ইসরায়েলি বাহিনী এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।

ইসরায়েলের অধিকাংশ বিমান হামলাই দক্ষিণ লেবাননে হয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনী বলছে, তারা হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ও ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালিয়ে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করার পর গত ২ মার্চ প্রতিশোধ হিসেবে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দিকে রকেট ও ড্রোন হামলা চালায়।

এর জবাবে ইসরায়েল লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে। মার্চের শুরুতে ইসরায়েলি বাহিনী আবার দক্ষিণ লেবাননে প্রবেশ করে। সেখানে তারা বিভিন্ন গ্রাম ধ্বংস করে দিয়েছে এবং এখনো লেবাননের ভূখণ্ডের প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা তারা দখল করে রেখেছে।


সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ৮ কোটি ৩৩ লাখ ডলার জরিমানা আদালতের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ৮ কোটি ৩৩ লাখ ডলার জরিমানা আদালতের

লেখক ই জেন ক্যারলের করা মানহানি মামলায় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জরিমানা করেছেন আদালত। শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) নিউইয়র্কের একটি জুরি ক্যারলকে ৮ কোটি ৩৩ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে ট্রাম্পকে নির্দেশ দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তে ক্যারল খুশি হলেও ট্রাম্প চটেছেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এই খবর জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার এই মামলায় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার কথা থাকলেও বিচারকের সঙ্গে ট্রাম্পের বাকবিতণ্ডা এবং ট্রাম্পকে তার সাক্ষ্যদানের সময় কী বিষয়ে কথা বলতে দেওয়া হবে তা ঠিক করতেই অনেক সময় ব্যয় করেন বিচারক ও আইনজীবীরা। পরে এই মামলার শুনানি একদিন পিছিয়ে শুক্রবার নির্ধারণ করা হয়। ওইদিনের শুনানিতে ট্রাম্পকে জরিমানা করেন

শুক্রবার বিকেলে এ রায়ে পৌঁছাতে সাতজন পুরুষ ও দুইজন নারীর একটি জুরি তিন ঘণ্টারও কম সময় নেন।


২০১৯ সালে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ৫০ লাখ ডলার জরিমানা করা হয়। তখন ট্রাম্প নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ক্যারলকে মিথ্যাবাদী বলেন। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে মানহানি হয়েছে দাবি করে সাবেক এই প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন ক্যারল।  মানহানির ওই মামলায় আবারও জরিমানা গুণতে হচ্ছে ট্রাম্পকে।

শুক্রবারের রায়ের পরে এক বিবৃতিতে ক্যারল বলেছেন, ‘এটি প্রতিটি নারীর জন্য একটি বিজয় যারা ছিটকে পড়ার পরও ওঠে দাঁড়ায় এবং  প্রতিটি নিপীড়কের জন্য একটি বিশাল পরাজয় যারা একজন নারীকে ছোট করার চেষ্টা করেছে।’

আরও পড়ুন: গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধের নির্দেশ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের

এদিকে, সর্বশেষ এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ট্রাম্প। মামলাটিকে একটি ‘উইচ হান্ট’ এবং রায়টিকে ‘নিতান্তই হাস্যকর!’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।


একাধিক মামলা এবং চারটি ফৌজদারি অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন ট্রাম্প। এতদসত্ত্বেও চলতি সপ্তাহের শুরুতে নিউ হ্যাম্পশায়ারে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তিনি। সম্প্রতি, আইওয়া ককাসেও জিতেছেন।



যুদ্ধে ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপমানিত’ হচ্ছে: জার্মান চ্যান্সেলর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

যুদ্ধে ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপমানিত’ হচ্ছে: জার্মান চ্যান্সেলর

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কার্যত ‘অপমানিত’ হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই সংঘাত থেকে বের হওয়ার কোনো স্পষ্ট পথ ওয়াশিংটনের সামনে নেই, বরং পরিস্থিতিতে তেহরানই ক্রমশ প্রাধান্য পাচ্ছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) জার্মানির মার্সবার্গ শহরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক আলোচনায় ম্যার্ৎস বলেন, এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি গভীর কৌশলগত সমস্যার দিক তুলে ধরেছে। তিনি অতীতের সামরিক ব্যর্থতার উদাহরণ টেনে বলেন, এ ধরনের সংঘাতে সমস্যাটা হলো- শুধু ঢোকা নয়, বের হওয়ার পথও থাকতে হয়। আমরা আফগানিস্তানে ২০ বছর ধরে সেটা খুব কষ্টের সঙ্গে দেখেছি। ইরাকেও দেখেছি।

তিনি আরও বলেন, ইরানের কর্মকর্তারা খুব দক্ষতার সঙ্গে আলোচনা করছেন ও তারা অনেক বেশি শক্তিশালী বলে প্রতীয়মান হচ্ছে, যতটা আগে মনে করা হয়েছিল। তার মতে, পুরো একটি জাতি ইরানের নেতৃত্বের হাতে অপমানিত হচ্ছে, বিশেষ করে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর ভূমিকার কারণে।

ম্যার্ৎস দ্রুত যুদ্ধের অবসান ঘটানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, এর প্রভাব এরই মধ্যে জার্মানির অর্থনীতিতে পড়তে শুরু করেছে। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে পরিস্থিতি খুব জটিল ও এর জন্য আমাদের অনেক অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ আমাদের অর্থনৈতিক উৎপাদনে সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

জার্মান নেতা জানান, বার্লিন এখনো প্রস্তুত রয়েছে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে মাইন অপসারণকারী জাহাজ মোতায়েন করতে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এমন পদক্ষেপ নেওয়া নির্ভর করছে সংঘাত বন্ধ হওয়ার ওপর।

ম্যার্ৎসের এই মন্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন ইউরোপজুড়ে এই যুদ্ধের বিস্তৃত প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এর আগে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ওয়াডেফুল সতর্ক করে বলেন, পারমাণবিক হুমকি এখনো বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করছে, যদিও বার্লিন পারমাণবিক বিস্তার রোধে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

তিনি জাতিসংঘে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি নিয়ে বৈঠকের আগে বলেন, যতদিন আমাদের ও আমাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে পারমাণবিক হুমকি থাকবে, ততদিন আমাদের একটি বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রয়োজন হবে।

এদিকে, ইউরোপে বাড়তে থাকা উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে ফ্রান্স ও জার্মানি সম্প্রতি পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থায় সহযোগিতা আরও জোরদার করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ ও বৃহত্তর আঞ্চলিক অস্থিরতা ঘিরে উদ্বেগ থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।