শেয়ার বাজার

কৃষ্ণসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, আটকে পড়লেন ১৩ ভারতীয় নাবিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

কৃষ্ণসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, আটকে পড়লেন ১৩ ভারতীয় নাবিক

কৃষ্ণসাগর সংলগ্ন ইউক্রেনের চরনোমোরস্ক বন্দরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে একটি পণ্যবাহী জাহাজে অন্তত ১৩ জন ভারতীয় নাবিক আটকা পড়েছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) এই তথ্য জানিয়েছে ফরোয়ার্ড সিমেন্স ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (এফএসইউআই)।

এফএসইউআই জানিয়েছে, ইউক্রেনীয় ওই বন্দরে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে অব্যাহত যুদ্ধের কারণে সেখানে আটকে পড়া নাবিকরা এক ‘ভয়াবহ ও জীবনঘাতী পরিস্থিতিতে’ পড়েছেন। একই সঙ্গে যে কোনো মুহূর্তে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলার শিকার হওয়ার ‘ক্রমাগত আতঙ্কের’ মধ্যে তারা দিন কাটাচ্ছেন বলে সতর্ক করেছে নাবিকদের সংগঠনটি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (পূর্বে টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় এফএসইউআই জানিয়েছে, বর্তমানে ইউক্রেনের চরনোমোরস্ক বন্দরে ১৫ জন ক্রুসহ অবস্থানরত ‘এম.ভি আমীর-১’ (M.V. AMIR1) জাহাজে ১৩ জন ভারতীয় নাবিক আটকা পড়েছেন। তারা চরম জীবনঘাতী ও সংকটজনক পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন।

সংগঠনটি আরও জানায়, জাহাজের একদম নিকটবর্তী এলাকায় বারবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হচ্ছে। নাবিকরা যে কোনো মুহূর্তে সরাসরি আঘাত হানার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে তারা ভারত সরকার, জাহাজের মালিক, যে দেশের পতাকাবাহী জাহাজ সেই রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে অবিলম্বে নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ তাদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার (রিপ্যাট্রিয়েশন) ব্যবস্থা নেয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছে।

বার্তায় জোর দিয়ে বলা হয়, সংঘাতপূর্ণ এলাকায় ভারতীয় নাবিকদের কোনোভাবেই বলির পাঁঠা হিসেবে ফেলে রাখা যাবে না। এখনই পদক্ষেপ নিন।

বন্দর এলাকার নিরাপত্তা যে চরম অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ, তা তুলে ধরতে নাবিকদের ইউনিয়ন একটি ভিডিও শেয়ার করেছে। জাহাজ থেকে ধারণ করা ওই ভিডিওতে দেখা যায়, পুরো এলাকা জুড়ে ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে উড়ছে।

তবে ১৩ জন ভারতীয় নাবিক বিপদে পড়ার এই প্রতিবেদনের বিষয়ে এখন পর্যন্ত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা সংশ্লিষ্ট শিপিং কোম্পানির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

কৃষ্ণসাগরে বাড়তে থাকা ঝুঁকি

ইউক্রেনের দক্ষিণ উপকূলে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর সাম্প্রতিক দিনগুলোতে একাধিক হামলার মধ্যেই ভারতীয় নাবিকদের আটকে পড়ার এই খবর সামনে এলো। এর আগে গত সপ্তাহে কৃষ্ণসাগরে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় এক ভারতীয় নাবিক নিহত হন। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার (২৭ জুলাই) ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ওলেকসান্দর পোলিশচুককে তলব করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা নিয়ে নিজেদের গভীর উদ্বেগের কথা ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রদূতকে জানিয়েছে। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক জাহাজে এ ধরনের হামলার কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে নয়া দিল্লি।


Dummy Ad 1

সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানপন্থি ১৮ যোদ্ধা নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানপন্থি ১৮ যোদ্ধা নিহত

বার্তাবেলা ডেস্ক: সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় কমপক্ষে ১৮ জন ইরানপন্থি যোদ্ধা নিহত হয়েছে। যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ বিষয়ক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে স্থানীয় সময় শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক বিবৃতিতে ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবর-এএফপির। 

মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এবং তেহরান-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর ওপর হামলা চালানোর পরপরই পর্যবেক্ষক সংস্থাটি জানিয়েছে, সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলে বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৮ ইরানপন্থী যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে পাঁচজন নিহত হয়েছেন দেইর এজ্জোর এলাকায়।

এদিকে ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি তেহরান। ধারণা করা হচ্ছে, এসব হামলার কারণে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেসব খতিয়ে দেখছে তারা।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল যে, তারা ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কুদস বাহিনীসহ ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এসব স্থান ইরানের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কুদস ফোর্স ইরান সমর্থিত কোনো আধাসামরিক গোষ্ঠী নয়, এটি সরাসরি ইরানি সেনাবাহিনীর একটি অফিসিয়াল শাখা।


তাই এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র পরোক্ষভাবে বলছে যে, তারা ইরাক ও সিরিয়ায় বা ওই সীমান্তে ইরানি সেনাবাহিনীকে টার্গেট করেছে যা বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ঘটনায় ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এছাড়া হামলায় অংশ নেওয়া যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসে হামলা চালিয়েছে এবং এটাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলা যায়। কারণ অনেকদিন ধরেই এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের সামরিক সম্পদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে তেহরান।

আরও পড়ুন: ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানের ৮৫ স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

গত রোববার (২৮ জানুয়ারি) জর্ডানে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় তিন সেনা নিহত হন। জর্ডানে ওই হামলার জন্য ইরান–সমর্থিত একটি সশস্ত্র গ্রুপকে দায়ী করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই হামলায় তিনজন নিহত ছাড়াও আহত হন আরও ২৫ জন সেনা সদস্য। ওই হামলার কঠোর প্রতিশোধ হিসেবেই ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র।


১৯ বছর আগে কোলে তুলে গোসল করানো ইয়ামালই ফাইনালে মেসির প্রতিদ্বন্দ্বী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ জুলাই, ২০২৬

১৯ বছর আগে কোলে তুলে গোসল করানো ইয়ামালই ফাইনালে মেসির প্রতিদ্বন্দ্বী

বিশ্বকাপের ফাইনাল মানেই ইতিহাসের মঞ্চ। তবে ২০২৬ সালের আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল শুধু দুই দলের লড়াই নয়, এটি দুই প্রজন্মেরও মুখোমুখি হওয়া। একদিকে ৩৯ বছর বয়সী লিওনেল মেসি, যার এটি ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। অন্যদিকে সদ্য ১৯ বছরে পা রাখা লামিনে ইয়ামাল। যিনি খেলছেন নিজের প্রথম বিশ্বকাপ। দুই তারকার মধ্যে বয়সের ব্যবধান ২০ বছর, আর সেই ব্যবধানের সবচেয়ে প্রতীকী স্মৃতি হয়ে আছে ২০০৭ সালের একটি ছবি। যেখানে শিশু ইয়ামালকে কোলে নিয়ে গোসল করাচ্ছেন তরুণ মেসি।

২০০৭ সালে বার্সেলোনা ও স্প্যানিশ সংবাদপত্র স্পোর্ট-এর উদ্যোগে ইউনিসেফের জন্য তহবিল সংগ্রহের একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের ফটোশুটে অংশ নিয়েছিলেন মেসি। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর এবং তিনি ইতোমধ্যেই একটি বিশ্বকাপ খেলেছেন। আর পাঁচ মাস বয়সী শিশু ছিলেন লামিন ইয়ামাল, যাকে কোলে নিয়ে গোসল করানোর সেই ছবিই পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।\

১৮ বছর পর সেই ছবির দুই চরিত্র এবার বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে প্রতিপক্ষ হিসেবে মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে বার্সেলোনার কিংবদন্তি ১০ নম্বর জার্সি নিজের করে নেন ইয়ামাল। এই জার্সিটিই মেসি বার্সেলোনায় ১৭ মৌসুমের মধ্যে ১৩ মৌসুম পরেছিলেন এবং ক্লাবটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৬৭২ গোল করে কিংবদন্তির মর্যাদা অর্জন করেন।

বর্তমান বিশ্বকাপে অবশ্য ইয়ামাল স্পেনের হয়ে খেলছেন ১৯ নম্বর জার্সি পরে। মজার বিষয় হলো, ২০০৬ সালে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত নিজের প্রথম বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়েও ১৯ নম্বর জার্সি পরেছিলেন মেসি। তখন ইয়ামালের জন্মই হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপেও দুজনই গড়েছেন অনন্য রেকর্ড। ইয়ামাল গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতাদের শীর্ষ দশে নিজের নাম তুলেছেন, যেখানে তিনি মেসির চেয়েও কম বয়সে এই কীর্তি গড়েছেন।

অন্যদিকে মেসি নিজের রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করেছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে দুটি অ্যাসিস্ট করার পর বিশ্বকাপে তার প্রভাব আরও বাড়লেও, গোলের হিসেবে তিনি ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে গেছেন ২১ গোল নিয়ে।

আগামী রোববারের ফাইনালে তাই শুধু আর্জেন্টিনা ও স্পেনের শিরোপা লড়াই নয়, এটি হবে এক অবিস্মরণীয় প্রতীকী মুহূর্তও। যেখানে একসময় শিশুকে কোলে নেওয়া কিংবদন্তি মেসি মুখোমুখি হবেন সেই শিশুই আজকের ফুটবল বিশ্বের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র লামিন ইয়ামালের।


নবজাতকদের জন্য ম্যালেরিয়া চিকিৎসার অনুমোদন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

নবজাতকদের জন্য ম্যালেরিয়া চিকিৎসার অনুমোদন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শুক্রবার ঘোষণা করেছে যে, তারা প্রথমবারের মতো নবজাতক ও শিশুদের জন্য একটি ম্যালেরিয়া চিকিৎসাকে অনুমোদন দিয়েছে। আর্টেমেথার-লুমেফ্যান্ট্রিন হলো প্রথম ম্যালেরিয়ারোধী ফর্মুলেশন যা বিশেষভাবে এই মশাবাহিত রোগের সবচেয়ে কম বয়সী শিকার ভুক্তভোগীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। খবর এএফপির।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক বিবৃতিতে বলেছে, প্রাক-যোগ্যতার এই স্বীকৃতি নির্দেশ করে যে, ওষুধটি গুণমান, সুরক্ষা এবং কার্যকারিতার আন্তর্জাতিক মান পূরণ করেছে।

এখন পর্যন্ত বড়দের জন্য তৈরি ফর্মুলেশন দিয়েই শিশুদেরও চিকিৎসা করা হতো। এতে ওষুধের ডোজের ভুল, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস বলেছেন, শতাব্দী ধরে ম্যালেরিয়া বাবা-মায়ের কাছ থেকে সন্তানদের এবং সমাজের কাছ থেকে স্বাস্থ্য, সম্পদ ও আশা কেড়ে নিয়েছে।

কিন্তু আজ পরিস্থিতি পাল্টে যাচ্ছে। নতুন টিকা, রোগ নির্ণয় পরীক্ষা এবং সবচেয়ে কমবয়সীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ওষুধসহ অন্যান্য কার্যকর ওষধ এই পরিস্থিতি পাল্টে দিতে সাহায্য করছে।

তিনি বলেন, আমাদের জীবদ্দশায় ম্যালেরিয়া নির্মূল করা এখন আর স্বপ্ন নয়... এটি একটি বাস্তব সম্ভাবনা। তবে তা কেবল টেকসই রাজনৈতিক ও আর্থিক অঙ্গীকারের মাধ্যমেই সম্ভব। এখন আমরা তা করতে পারি। এখন আমাদের অবশ্যই করতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ৮০টি দেশে আনুমানিক ২৮ কোটি ২০ লাখ ম্যালেরিয়া রোগী শনাক্ত হয় এবং ৬ লাখ ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে।

মোট রোগী ও মৃত্যুর ৯৫ শতাংশই আফ্রিকায় এবং এই মৃত্যুর তিন-চতুর্থাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। জাতিসংঘের সংস্থাটি জানিয়েছে, ওষুধের প্রতিরোধ ক্ষমতা, কীটনাশকের প্রতিরোধ ক্ষমতা, রোগ নির্ণয়ে ব্যর্থতা এবং বৈদেশিক সাহায্য খাতে ব্যয় ব্যাপকভাবে হ্রাস পাওয়ার কারণে ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, তাদের প্রাক-যোগ্যতা নির্ধারণ প্রক্রিয়াটি সরকারি খাতে পণ্য ক্রয়কে সক্ষম করবে এবং আফ্রিকার ম্যালেরিয়া-প্রবণ এলাকাগুলোতে প্রতি বছর জন্ম নেওয়া প্রায় ৩ কোটি শিশুর জন্য চিকিৎসার দীর্ঘদিনের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করবে।

বিশ্বব্যাপী ৭০ শতাংশ দেশে ওষুধ, টিকা, পরীক্ষা এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম তদারকি করার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রাক-যোগ্যতা নির্ধারণ কর্মসূচি নিশ্চিত করে যে, আন্তর্জাতিক ক্রয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য পণ্যগুলো গুণমান, সুরক্ষা, কার্যকারিতা এবং কর্মক্ষমতার বৈশ্বিক মান পূরণ করছে কি না।