শেয়ার বাজার

কুমিল্লা অঞ্চলে ঝুলে আছে ৬০ হাজার এনআইডি আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪

কুমিল্লা অঞ্চলে ঝুলে আছে ৬০ হাজার এনআইডি আবেদন

কুমিল্লা অঞ্চলের জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে প্রায় ৬০ হাজার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের আবেদন অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়েছে।

সোমবার (২১ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, মাঠপর্যায় থেকে উঠে আসা প্রতিবেদন অনুযায়ী কুমিল্লা অঞ্চলে ৫৯ হাজার ৬৬৩টি এনআইডি সংশোধনের আবেদন ঝুলে আছে।

এই অঞ্চলের প্রবাসীরা সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন আট হাজার ৭৮৬টি। এর মধ্যে সাড়ে তিন হাজারের মতো আবেদন অনুমোদন হয়েছে।

এদিকে গত আট মাসে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন এক লাখ ৬২ হাজার ৭৬৪ জন। এদের মধ্যে আবেদন অনুমোদন হয়েছে এক লাখ তিন হাজার ৩৯৮ জনের।

Dummy Ad 1

ভুট্টা চাষের আড়ালে আফিম চাষ, জমির মালিক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ভুট্টা চাষের আড়ালে আফিম চাষ, জমির মালিক গ্রেপ্তার

বার্তাবেলা (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের শিবালয়ে নিষিদ্ধ আফিম গাছ চাষ করায় নূরুল ইসলাম (৪৫) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শিবালয় উপজেলার তেওতা ইউনিয়নের পুরান পয়লা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত নূরুল ইসলাম উপজেলার তেওতার পুরান পয়লা এলাকার জাবেদ খানের ছেলে।তিনি পেশায় কৃষক।

ডিবি পুলিশ জানান, শিবালয় উপজেলার তেওতা ইউনিয়নের পুরান পয়লা এলাকার একটি ফসলের মাঠে ভুট্টাক্ষেতের মাঝখানে ছয় শতাংশ জমিতে আফিম গাছের আবাদের খবর পেয়ে রাতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় আফিম গাছ আবাদের সততা পাওয়ায় রোববার সকালে নূরুল ইসলামকে আটক করা হয়।

জেলা ডিবি পুলিশের এসআই রিপন নাগ জানান, আফিম গাছ দেখতে অনেকটা গোলাপ ফুলের মতো। অভিযানে নূরুল ইসলামের ফসলের ক্ষেত থেকে প্রায় ৩০ হাজার আফিমের গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে অনেক গাছে ফুল ও ফলও ধরেছিল। এঘটনায় নূরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে দুটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। উদ্ধার করা আফিম গাছগুলো পরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।


গরম বাড়তে পারে আরও, আগামী সপ্তাহে বৃষ্টিপাত বাড়ার আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল, ২০২৪

গরম বাড়তে পারে আরও, আগামী সপ্তাহে বৃষ্টিপাত বাড়ার আভাস

দিনের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। আগামী সপ্তাহে দেশে ঝড়-বৃষ্টি বাড়তে পারে জানিয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আপাতত সিলেট অঞ্চল ছাড়া দেশের আর কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে না। মঙ্গলবার সিলেটে ৪১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

সারাদেশেই গরমে কষ্ট পাচ্ছে মানুষ। ঢাকাসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় বাড়ছে অস্বস্তি।

মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল চুয়াডাঙ্গায়। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, বুধবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তার লাভ করতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।


হেমন্ত সন্ধ্যায় কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরামের মিলনমেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

হেমন্ত সন্ধ্যায় কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরামের মিলনমেলা

"গান, কবিতা, নাটিকা ও পিঠাপুলির আয়োজনে ঢাকায় কর্মরত কুমিল্লার সাংবাদিকদের প্রাণবন্ত পুনর্মিলন"

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: 

গান, কবিতা, নাটিকা আর প্রাণবন্ত আড্ডায় ঢাকায় কর্মরত কুমিল্লার সাংবাদিকদের মিলনমেলায় পরিণত হলো ‘হেমন্ত সন্ধ্যা’। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা আয়োজিত এ বর্ণিল অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, প্রকাশক, সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকেরা। পেশাগত ব্যস্ততার বাইরে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করার প্রত্যয়ে আয়োজনটি পরিণত হয় এক আন্তরিক পুনর্মিলন উৎসবে।


অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য ড. মো. নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আলী এবং সামাইরা গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক মো. জহিরুল ইসলামসহ কুমিল্লার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।


কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার সভাপতি সাঈদ আহমেদ খান বলেন, “কুমিল্লার সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করাই এ ধরনের আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। পেশাগত ব্যস্ততার বাইরে সবাইকে একত্রিত করার মাধ্যমে পারস্পরিক যোগাযোগ ও ঐক্য আরও জোরদার হবে বলে আশা করি।”


ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সালাহ উদ্দিন জসিম বলেন, “সাংবাদিকদের নিয়ে একটি আনন্দঘন ও আন্তরিক মিলনমেলার আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আড্ডা ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের মাধ্যমে সহকর্মীদের মধ্যে সৌহার্দ্য বাড়ানোই ছিল এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।”


জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এম. এস. দোহা বলেন, “সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা। পেশাগত মতপার্থক্য থাকলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ঐক্য ও সহমর্মিতা বজায় রাখা জরুরি। এ ধরনের মিলনমেলা সাংবাদিকদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সম্পর্ক দৃঢ় করার সুযোগ তৈরি করে।”


অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সাংবাদিক মহিন উদ্দিন স্বপন বলেন, “দৈনন্দিন পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যে সহকর্মী ও সহযোদ্ধাদের সঙ্গে এমন আন্তরিক পরিবেশে মিলিত হতে পারা আনন্দের। ‘হেমন্ত সন্ধ্যা’ আমাদের মধ্যে স্মৃতিচারণ, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করার একটি সুন্দর উপলক্ষ।”


আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সংগীত পরিবেশনা, কবিতা আবৃত্তি ও নাটিকা প্রদর্শনী। এসব সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলির আয়োজন অতিথিদের বাড়তি আকর্ষণ জোগায়। চিতই পিঠা ও হাঁসের মাংসের আপ্যায়নের পাশাপাশি চা-কফির আড্ডায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।


অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মতে, সাংবাদিকতার পথচলায় মত ও পথের ভিন্নতা থাকলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও পেশাগত সংহতি অটুট রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি ঐক্য, সম্প্রীতি এবং ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।


দৈনন্দিন পেশাগত ব্যস্ততা পেরিয়ে প্রিয় সহকর্মী, বন্ধু ও সহযোদ্ধাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, স্মৃতিচারণ এবং প্রাণখোলা আড্ডায় সন্ধ্যাটি হয়ে ওঠে আনন্দমুখর ও স্মরণীয়। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও আন্তরিক আতিথেয়তায় ‘হেমন্ত সন্ধ্যা’ ঢাকায় কর্মরত কুমিল্লার সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন সুদৃঢ় করার এক স্মরণীয় উপলক্ষ হয়ে ওঠে।