শেয়ার বাজার

মিরপুরে পঙ্গ সাঈদের ক্ষতিপূরণের পাওনা টাকা পরিশোধ না করার অভিযোগ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০২৪

মিরপুরে পঙ্গ সাঈদের ক্ষতিপূরণের পাওনা টাকা পরিশোধ না করার অভিযোগ।

কুষ্টিয়া মিরপুর প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার মিরপুরে বিদ্যুৎ নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুল তথ্যে বৈদ্যুতিক শকে দুই হাত হারানো  পঙ্গু সাঈদের ক্ষতিপূরণের পাওনা টাকা পরিশোধ না করার অভিযোগ উঠেছে। 

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার  বহলবাড়িয়া ইউনিয়নের সাহেবনগর গ্রামের মিলন মালিথার ছেলে সাঈদ আহম্মেদ (২৪) গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে একই উপজেলা বহলবাড়িয়া গ্রামের সাহাবুলের ছেলে বিদ্যুৎ এর সাথে বিদ্যুৎ বিভাগের কন্ট্রাক্টর অপুর মালিকানাধীন নোভায়ন কোম্পানীতে মাসে ১৯ হাজার টাকা বেতনে চাকরির উদ্দেশ্যে  চট্টগ্রামের কুতুবদিয়া এলাকায় যায় এবং  সাঈদ আহাম্মেদ  তার সুপারভাইজার বিদ্যুৎ এর হুকুম মোতাবেক সব কাজ করতে থাকেন।

গত বছর ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে সুপারভাইজার বিদ্যুৎ সাঈদকে কুতুবদিয়া এলাকার একটি বৈদ্যুতিক লাইন মেরামতের জন্য খাম্বায় তুলে দেন এবং জানান যে কাজের জন্য এখন বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করা আছে কিন্তু ঐ সময় বৈদ্যুতিক সংযোগ চালু থাকায় বিদ্যুতের খাম্বায়  উঠার সাথে সাথে সাঈদ আহমদ বিদ্যুতের শখ খেয়ে বিদ্যুতের লাইনের তারের সাথে ঝুলতে থাকে একপর্যায়ে লাইন বন্ধ করে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়।সেখান থেকে পরে শেখ হাসিনা বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করে চিকিৎসা করা হয় এবং তার দুই হাত কেটে ফেলা হয় চিকিৎসক জানান বৈদ্যুতিক শখের কারণে সাঈদ আহাম্মেদের  দুই পা ও মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সে সময় সাব-কন্ট্রাক্টর  বিদ্যুৎ দুর্ঘটনায় পঙ্গুত্ব বরণ করা সাঈদ আহাম্মেদকে সকল ধরনের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের  আশ্বাস প্রদান করেন। 

দুর্ঘটনার ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও সাব-কন্ট্রাক্টর  বিদ্যুত এখন পর্যন্ত তার পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করায়  চিকিৎসা শেষে দুই হাত হারিয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করে সাঈদ আহাম্মদে তার নিজ বাড়িতে অসহায়ভাবে জীবনযাপন করছে।

তিনি জানান বহলবাড়িয়া গ্রামের সাহাবুল বা তার ছেলে বিদ্যুৎ তার পুনর্বাসনের জন্য কোন উদ্যোগ গ্রহন করছেনা এমনকি তার ফোনও রিসিভ করছেনা।

Dummy Ad 1

বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে মোদীর চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৪

বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে মোদীর চিঠি

রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

শনিবার (২ মার্চ) ঢাকায় ভারতের হাইকমিশন এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে গতকাল শুক্রবার শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি পাঠান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

চিঠিতে ২৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় আন্তরিক শোক প্রকাশ করেছেন নরেন্দ্র মোদী। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি।

নরেন্দ্র মোদী বলেন, এই দুঃসময়ে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে ভারত। একই সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ চিন্তাভাবনা ও প্রার্থনা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে থাকবে।


ভারত নির্বাচন বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ভারত নির্বাচন বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ভারত বিশ্লেষণ করতে পারে, তবে মতামত দেওয়ার সুযোগ (অধিকার) দেশটি রাখে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এছাড়া পতিত স্বৈরাচার ভোটের পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করলে সরকার প্রতিহত করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।  

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এ কথা জানান। রিজওয়ানা হাসান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন। 

কোনো কোনো জেলায় ডিসিদের গণভোটের পক্ষে সেভাবে প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে না- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, আমরা যা করছি তা হলো, আমরা উপদেষ্টারা দেশের ৬৪ জেলায় গিয়ে বিভিন্ন জেলার যারা সুশীল সমাজের আছেন, শিক্ষক প্রতিনিধি আছেন, ছাত্র প্রতিনিধি আছেন, যারা ধর্মীয় নেতা আছেন- সবাইকে গণভোটটা কেন হচ্ছে, গণভোটের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো কী- এটা বুঝিয়ে দিচ্ছি। এখন যেহেতু নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে গেছে, এখন আর আমরা কোনো উপদেষ্টা সেখানে যাচ্ছি না। আমাদের কিছু ম্যাটেরিয়াল আছে গণভোটের স্বপক্ষে, সেটাই আমরা বিলি করে বেড়াচ্ছি।  

তিনি বলেন, কিন্তু জেলা প্রশাসকেরা কোথায় প্রচার করছেন, করছেন না... জেলা প্রশাসকেরা প্রচার করবেন হচ্ছে যে ১২ তারিখে সাধারণ ভোটের পাশাপাশি একটা গণভোট হবে। সাধারণ ভোটের পাশাপাশি জনগণ যেন গণভোটে যেতে পারে সে খবরটা জানানো। এর বেশি তো আর তাদের কিছু করার কথা না।  

সার্বিকভাবে এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ কেমন দেখছেন? দুই দলের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি হচ্ছে। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকেও ভোট নিয়ে মন্তব্য আসছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, শোনেন, প্রথম কথা হচ্ছে নির্বাচনের পরিবেশ তো উত্তেজনাপূর্ণ হবে। এক দল আরেক দলকে হারাবার চেষ্টা করবে, এক দল জিতবার চেষ্টা করবে। যে দল জিতবার চেষ্টা করবে সে তার পক্ষকে ঘায়েল করার জন্য কথা বলবে, প্রতিপক্ষ আরেকজনকে ঘায়েল করার কথা বলবে, এটা খুব স্বাভাবিক কথা।

তিনি বলেন, কোনো কোনো জায়গায় হয়তো ভদ্রতা সভ্যতার সীমাটা রাখা হচ্ছে না, সেজন্য সব দলকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। যদি কোনোটা আইনশৃঙ্খলা পর্যায়ে পৌঁছে যায় তখন সেটা সরকারের দায়িত্ব। তার আগ পর্যন্ত কে কার জনসভায় কী বললো না বললো সেটা তো সরকারের দায়িত্ব না।  

নির্বাচন সম্পূর্ণ একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় মন্তব্য করে রিজওয়ানা হাসান বলেন, সেখানে অন্য দেশ বিশ্লেষণ করতে পারে, কিন্তু মতামত তো দেওয়ার সুযোগ রাখে না। তার বিশ্লেষণ থাকতে পারে কিন্তু কে জিতলে কী ধারণা করবে জিতবার আগেই এত কথা বলে দিলে তো এই মন্তব্য বস্তুনিষ্ঠ সেরকম মনে করার কোনো সুযোগ নেই।  

ভোটের পরিবেশ নষ্ট হলে আওয়ামী লীগকেই দায়ী করা হবে- সরকারের এমন একটা বিবৃতি আছে। এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার যে আওয়ামী লীগ চেষ্টা করেনি তা তো ঠিক কথা না। ভোটের যেদিন শিডিউল ঘোষণা হলো সেদিনই তো বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ করা হলো এবং সেটার ভুক্তভোগী আমরাও কয়েকজন আছি। ফলে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য যদি পতিত স্বৈরাচারের কোনো শক্তি কোনো রকম চেষ্টা করে সেটা প্রতিরোধ করার জন্য সরকার প্রস্তুত আছে, প্রয়োজনে প্রস্তুতি আমরা বাড়াবো।

মানুষের ভেতরে ভোটের পরিবেশ নিয়ে ভয় কাজ করছে- এ বিষয়ে তিনি বলেন, আপনি আমাকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেবেন যে কোন মানুষ আপনাকে বলেছে তার ভোট দিতে ভয় লাগছে। আমরা যে এত কয়টা জেলায় গেলাম সব জায়গায় আমরা দেখে এসেছি প্রতিটি জায়গায় নির্বাচনের একটা আমেজ শুরু হয়েছে। যখন আমরা গেছি তখনও কিন্তু নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়নি। তো প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়বে, আগ্রহও বাড়বে, আনন্দও বাড়বে। এটা সবসময় বাংলাদেশে হয়ে থাকে। কোনো জায়গাতে কোনো মানুষ আমাকে বলেনি যে আপা ভোট দিতে কেমন করে যাবো আমার ভয় লাগছে। আপনাকে যদি কেউ এটা বলে থাকে আমাদের জানাবেন তার ভয় দূর করার দায়িত্ব অবশ্যই আমাদের।

সরকারের এ উপদেষ্টা আরও বলেন, এই যে ভয়ের একটা আবহ তৈরি করা নানান প্রচার-প্রচারণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, নানান কিছু ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়ে দিয়ে একটা ভয়ের আবহ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্যই বলা হচ্ছে যে পতিত স্বৈরাচার যদি নির্বাচনের পরিবেশকে বিঘ্ন করার জন্য কোনো কাজ করে আমরা সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।


বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে হত্যার ঘটনায় হোটেলকর্মী মিলন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে হত্যার ঘটনায় হোটেলকর্মী মিলন গ্রেফতার

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসা থেকে ফাতেমা আক্তার নিলি নামের এক স্কুলছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। তার নাম মিলন। পেশায় মিলন একজন হোটেলকর্মী।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দক্ষিণ বনশ্রীর নিজ বাসায় খুন হওয়া স্কুলছাত্রীর চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার সন্দেহজনক আসামি হোটেলকর্মী মিলনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

জানা গেছে, গ্রেফতার মিলন নিহত নিলির বাবার রেস্তোরাঁয় কাজ করেন। নিলি বাসায় একা ছিল সেই সুযোগে মিলন তাকে গলাকেটে হত্যা করে। তবে কি কারণে হত্যা সে বিষয়ে এখনও জানাতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

এ হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয়ের ব্যক্তিদের আসামি করে গত শনিবার রাতে একটি মামলা হয়।

গত শনিবার বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের প্রীতম ভিল থেকে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছিলেন খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

খিলগাঁও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফাতেমা আক্তার (১৭) বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মা-বাবা, ভাই ও বোনের সঙ্গে ওই বাসায় থাকতো নিলি। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাইয়ে। তার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রীতে একটি রেস্তোরাঁ চালান। দুই দিন আগে তার মা-বাবা ও ভাই হবিগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে যান। ঢাকায় সে ও তার বোন ছিল। বিকেলে ফাতেমার বোন জিমে যান। ফিরে এসে ফাতেমার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান।