শেয়ার বাজার

মনোনয়ন পেতে প্রতারকের ফাঁদে পড়ে ৫০ লাখ খোয়ালেন আওয়ামী লীগ নেতা; গ্রেফতার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩

মনোনয়ন পেতে প্রতারকের ফাঁদে পড়ে ৫০ লাখ খোয়ালেন আওয়ামী লীগ নেতা; গ্রেফতার ৩

বার্তাবেলা: জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) কর্মকর্তা পরিচয়ে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ফোন করে এক প্রতারক বলেন, ‘আমি এনএসআইর ডিডি (ডেপুটি ডিরেক্টর) হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আছি। জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন সংক্রান্ত ইস্যুতে কাজ করছি। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আমি কয়েকজনকে বিভিন্ন আসনে মনোনয়ন পাইয়ে দিয়েছি। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এরই মধ্যে কয়েকজনের মনোনয়নের বিষয়টি আমি নিশ্চিত করছি।

মোবাইল ফোনে এমন পরিচয়ে কথা বলে পরে আস্থা অর্জনের পর ভুক্তভোগী আওয়ামী লীগ নেতাকে ওই প্রতারক বলেন, ‘আপনার মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এজন্য ৫০ লাখ টাকা নগদ দিতে হবে। এরপর ভুক্তভোগীকে প্রধানমন্ত্রীর কন্যা পুতুল নামে একজন নারী কণ্ঠের সঙ্গে কথা বলিয়ে দেয় চক্রের সদস্যরা।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও গোয়েন্দা প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের টার্গেট করে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র দেশব্যাপী সক্রিয় হয়। এর ধারাবাহিকতায় চক্রটি দেশের বিভিন্ন স্থানে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের টার্গেট করে।

এভাবে মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার ফাঁদে পা দেন ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাচনে আওয়ামলী লীগ থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী দীপক কুমার রায় (৬৩)। প্রতারকের ফাঁদে পড়ে ৫০ লাখ টাকা খোয়ান তিনি। পরে গত ২৬ নভেম্বর মনোনয়নপত্রের তালিকা চূড়ান্তভাবে প্রকাশ হলে সেখানে তার নাম না থাকায় ভুক্তভোগী বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

এরপর ভুক্তভোগী আওয়ামী লীগ নেতা দীপক কুমার রায় বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ও ঠাকুরগাঁও জেলার রুহিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ।

গ্রেফতাররা হলেন নুরুল হাকিম (৩১), হাসানুল ইসলাম জিসান (২২) ও মো. হারুন অর রশিদ (২৯)।


Dummy Ad 1

বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য নিহত
বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪

বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য নিহত

বার্তাবেলা ডেস্ক: যশোরের বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে এক বিজিবি সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত সিপাহী মোহাম্মদ রইস উদ্দীনের মরদেহ ভারতে রয়েছে। এ ঘটনায় ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিজিবি। রইস উদ্দীনের গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আহমেদ হাসান জামিল সোমবার (২২ জানুয়ারি) গভীর রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি সদস্য নিহতের খবর দেন।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, সোমবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে বিজিবি যশোর ব্যাটালিয়নের ধান্যখোলা বিওপির জেলেপাড়া পোস্ট সংলগ্ন এলাকায় ভারত থেকে আসা একদল গরু চোরাকারবারিকে সীমান্ত অতিক্রম করে আসতে দেখে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর টহল দল তাদের ‘চ্যালেঞ্জ’ করে। চোরাকারবারিরা তখন দৌড়ে ভারতের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এ সময় বিজিবি টহল দলের সদস্য সিপাহী মোহাম্মদ রইস উদ্দীন চোরাকারবারীদের পেছনে ধাওয়া করতে করতে ঘন কুয়াশার কারণে দলবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। প্রাথমিকভাবে তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়, তিনি বিএসএফের গুলিতে আহত হয়ে ভারতের অভ্যন্তরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এরই মধ্যে ঘটনাস্থল জোলেপাড়া ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিওয়ন কমান্ডার ও যশোর ব্যাটালিয়নের সিইও লে. কর্নেল জামিল। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি ঘটনাস্থলে রয়েছেন। ঘটনার পরপরই এ বিষয়ে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করা হয় এবং জানা যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই সৈনিক মৃত্যুবরণ করেছেন।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানোর পাশাপাশি প্রতিবাদলিপি পাঠানোর কথা বলা হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

যোগাযোগ করা হলে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আহমেদ হাসান জামিল বলেন, সিপাহী রইস উদ্দীনের মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরত আনার জন্য সব পর্যায়ে যোগাযোগ করছেন তারা।


উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামানত বাড়লো ১০ গুণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামানত বাড়লো ১০ গুণ

বার্তাবেলা ডেস্ক: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামানত ১০ গুণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চেয়ারম্যান পদে জামানত ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামানত ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৭৫ হাজার টাকা। নারী সদস্যের ক্ষেত্রে জামানত ৫ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ২৮তম কমিশন সভায় ইসি এ অনুমোদন দেয়। ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানের নির্বাচনী ব্যয় সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা প্রস্তাব করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এছাড়া নারী সদস্যদের নির্বাচনী ব্যয় এক লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

নির্বাচনী প্রচারণায় একটির বেশি শব্দযন্ত্র (মাইক) বা জনসভায় চারটির বেশি শব্দযন্ত্রের (মাইকের) ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচনী ক্যাম্প বা অফিসের আয়তন ৬০০ বর্গফুটের বেশি হতে পারবে না।

জাহাংগীর আলম বলেন, পোস্টার, ব্যানার সাদা-কালো অথবা রঙিন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের আগে জনসংযোগ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচরণার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাঁচজনের অধিক কর্মী বা সমর্থককে নিয়ে জনসংযোগ করা যাবে না। প্রতি ইউনিয়নে একটি এবং পৌরসভার প্রতি ৩টি ওয়ার্ডে একটির বেশি নির্বাচনী ক্যাম্প বা অফিস রাখা যাবে না। শব্দদূষণ প্রতিরোধে শব্দ বর্ধনকারী যন্ত্রের শব্দের মান মাত্রা ৬০ ডেসিবলের অতিরিক্ত হতে পারবে না। প্রচারণায় পোস্টার বা ব্যানারে পলিথিনের ব্যবহার করা যাবে না।

তিনি বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ভোটারের সমর্থনযুক্ত তালিকা দাখিলের বিধান বিলুপ্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিল বাধ্যতামূলক। সমভোটের ক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রদত্ত ভোটের শতকরা ১৫ ভাগ অপেক্ষা কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্তের প্রস্তাব করা হয়েছে।


২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লেন সাত কলেজ শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর, ২০২৪

২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লেন সাত কলেজ শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্তি বাতিল করে সাত কলেজকে নিয়ে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীরা সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন। দাবি মেনে নিতে এ আলটিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়েন তারা।

সোমবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে এ হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আফজাল হোসেন রাকিব। এরপর সায়েন্সল্যাবের দুই পাশের সড়কে যান চলাচল শুরু হয়।

এর আগে বেলা ১১টা থেকে ঢাকা কলেজে জড়ো হন সাত কলেজের প্রায় এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। পরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে সায়েন্সল্যাব ও নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নেন তারা।

এসময় শিক্ষার্থীরা ৩ দফা দাবিও তুলে ধরেন। সেগুলো হচ্ছে

১. সাত কলেজ নিয়ে একটি স্বায়ত্তশাসিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় করার অভিপ্রায়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি সংস্কার কমিটি গঠন করতে হবে।

২. সংস্কার কমিটি অনধিক ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সাত কলেজের শিক্ষক–শিক্ষার্থী ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সাত কলেজের সমন্বয়ে শুধু একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার রূপরেখা প্রণয়ন করবেন।

৩. সংস্কার কমিটি বর্তমান কাঠামো সচল রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন। যাতে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সেশন জটিলতার কোনো ধরনের পরিবেশ তৈরি না হয়।