শেয়ার বাজার

নরসিংদীতে বয়লার বিস্ফোরণে দগ্ধ যুবকের ঢামেকে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

নরসিংদীতে বয়লার বিস্ফোরণে দগ্ধ যুবকের ঢামেকে মৃত্যু

নরসিংদির মাধবদীতে প্রিন্ট কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে দগ্ধ মো. জামালের (৩৮) মৃত্যু হয়।

ঢামেকের বার্ন ইউনিটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. হারুনুর রশিদ বলেন, আমাদের এখানে দগ্ধ পাঁচজনকে আনা হয়েছে। এর মধ্যে সকালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামালের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এছাড়া চিকিৎসাধীন টিপুর ৯০ শতাংশ, ফয়সালের ২৫ শতাংশ, বাবুলের ৮ শতাংশ এবং শাজাহানের ৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

তিনি আরও জানান, দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় টিপু ও জামালকে বার্ন ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। বাকিদের জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে রাত ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট এবং জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।


Dummy Ad 1

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ মার্চ, ২০২৪

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা। নগরীর ৫ হাজার রেস্তোরাঁর মধ্যে অগ্নিনিরাপত্তা সনদ আছে হাজারখানেকের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিটি বহুতল ভবনে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ রেস্তোরাঁ থাকার কথা থাকলেও মানছে না কেউ। 

ধানমন্ডির গাউসিয়া টুইনপিক ভবনটি পরোটাই ঠাসা রেস্তোরাঁ দিয়ে। ওঠা-নামার একমাত্র পথ লিফট। ভেতরে দুটি সিড়ি থাকলেও একটি বন্ধ গোডাউনে, অন্যটি দখলে সিলিন্ডারে। বারান্দা থাকলেও তা কাচে ঢাকা। এ যেন পুরোই বোমার কারখানা।

টুইনপিক ভবনের নকশা করেন স্থপতি মুস্তাফা খালিদ পলাশ। বেইলি রোড ট্রাজেডির পর পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে ভবনটি এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান এই স্থপতি। নিজের সৃষ্টির এমন অবস্থা দেখে বিষ্মিত তিনি। দাবি করেন, অফিসের জন্য করা ভবন রেস্তোরাঁ বানিয়ে সব কিছুই পাল্টে ফেলেছেন ভবন মালিক ও ব্যবস্যায়ীরা।

মুস্তাফা খালিদ পলাশ বলেন, এটি ডিজাইন করেছিলাম বাণিজ্যিক ভবন হিসেবে। আমি কোনোভাবেই সেটি কেমিক্যাল গুদাম হিসেবে ডিজাইন করেনি।

একই অবস্থা ধানমন্ডিসহ রাজধানীর বেশিরভাগ ভবনের। রাজধানীতে প্রকৃত অর্থে কেমন ভবন নির্মাণ হওয়া উচিত? এ প্রশ্নে এই স্থপনি জানান, সর্বোচ্চ ১০ ভাগ রেস্তোরাঁ থাকতে পারবে একটি সুউচ্চ বানিজ্যিক ভবনে।

তিনি বলেন, ভবনে রেস্টুরেন্ট দেয়ার ক্ষেতে একটি মাত্রা নিদির্ষ্ট করে দেয়া উচিত। ১০০ পার্স্টেন্ট কোনোভাবেই নয়। এই কালাচার আমি কোথাও দেখিনি। সাম্প্রতিক বাংলাদেশে শুরু হয়েছে। 

তাহলে এগুলো দেখবে কারা? সরকারের কয়েকটি সংস্থা এর তদারকির দায়িত্বে থাকলেও শুধু খাবারে ভেজালবিরোধি অভিযানেই সারা। ফায়ার সার্ভিসের সাবেক ডিজি ব্রি.জে. আবু নাঈম মো. শহীদুল্লাহ বলছেন, সরকারি সংস্থার উদাশীনতা ও আইন না মানার প্রবনতা বাড়াচ্ছে সংকট।

রাজধানীর ৫ হাজারের বেশি রেস্তোরাঁ থাকলেও ফায়ার সার্টিফিকেট আছে হাজার খানিকের। অন্যান্য সংস্থার অনুমোদনের ধারধারে না কেউ।


ধানমন্ডি লেক থেকে ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ধানমন্ডি লেক থেকে ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে মো. জাবেদ আহমেদ (৫১) নামে এক ব্যক্তির পানিতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, নিহত ব্যক্তি মার্কেটিং কনসালটেন্ট ছিলেন।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানী ধানমন্ডি আবেশ হোটেলের পেছনে ব্রিজের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ধানমন্ডি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল গফুর জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ধানমন্ডি ১০নং রোডের আবেশ হোটেলের পেছনে ব্রিজের নিচে পানিতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, স্বজনের মুখে জানতে পারি নিহত ব্যক্তি মার্কেটিং কনসালটেন্ট ছিলেন। দীর্ঘদিন বেকার ও আর্থিক অভাব অনটনের কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। এ কারণে আত্মহত্যা করেছেন কি না বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

জাবেদের বাবার নাম সালাউদ্দিন আহমেদ। বর্তমানে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বসবাস করতেন।