শেয়ার বাজার

প্রিমিয়ার লিগের দলবদল, অর্ধডজন ক্রিকেটার চান এক কোটি টাকা পারিশ্রমিক!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রিমিয়ার লিগের দলবদল, অর্ধডজন ক্রিকেটার চান এক কোটি টাকা পারিশ্রমিক!

ক্রিকেটাররা এখন প্রস্তুতি নিচ্ছেন জাতীয় লিগ টি-টোয়েন্টি আসর খেলার জন্য। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৪ অক্টোবর ৮ বিভাগীয় দলকে নিয়ে শুরু হবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের এই আসর।

তারপরই জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচি। প্রথমে দুবাইতে আফগানিস্তানের সাথে এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ এবং একই মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর। ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে এবং ২ ম্যাচের টি-২০ সিরিচ। এর মাঝখানেও ভেতরে ভেতরে আরও একটি কার্যক্রম ক্রিকেটারদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে। কী সেটা? নিশ্চয়ই ভাবছেন কী সেই ক্রিকেটীয় কার্যক্রম, যা ক্রিকেটারদের অবচেতন মনে তাড়া করে বেড়াচ্ছে? সেটা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের দলবদল।

বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল জাতীয় লিগ, বিসিএলের দীর্ঘ পরিসরের পাশাপাশি একদিনের ফরম্যাটেও ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়িয়েছেন। তাতে করে জাতীয় দলের বাইরে মাঝারিমানের একজন ক্রিকেটারেরও বছরে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা আয়ের পথ খুলেছে; কিন্তু তারপরও বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা প্রিমিয়ার লিগের দিকে তাকিয়ে। কারণ ১০০ থেকে ১৫০ ক্রিকেটারের বছরের রুটি-রুজিই এই ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ। অনেকেই এই আসরে পাওয়া পারিশ্রমিক দিয়ে সারা বছর চলেন।

আগের বছরগুলোয় মার্চ-এপ্রিল কিংবা কখনো কখনো মে মাসে লিগ মাঠে গড়ালেও অক্টোবরের মধ্যে দল গড়ার কাজ শুরু হয়ে যেত। ক্রিকেটারদের অন্তত ৫০% না হয় এক-তৃতীয়াংশ অগ্রিম পেমেন্ট দিয়ে চুক্তি করে রাখত ক্লাবগুলো। সেখানে এবার লিগ শুরুর কথা ফেব্রুয়ারিতে। মানে লিগ ২ মাস এগিয়ে আসছে। সে আলোকে এখন ভেতরে ভেতরে নতুন বছরে দল গড়ার সেরা সময়; কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন।

এখন পর্যন্ত প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের দলবদল নিয়ে সে অর্থে কোনো সাড়া-শব্দ নেই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেশ কয়েকটি কারণে এখন পর্যন্ত দলবদল নিয়ে ক্লাবগুলোর আগ্রহ কম। প্রথমত, ক্লাবগুলো এখনো সন্দিহান ফেব্রুয়ারিতে লিগ মাঠে গড়াবে কিনা? যদিও ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটের আয়োজক, ব্যবস্থাপক সংগঠন সিসিডিএম নিশ্চিত করেছে এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও দিয়েছে ২০২৭ সালের প্রিমিয়ার লিগ হবে ফেব্রুয়ারিতে। ক্লাবগুলোর সন্দেহ, শেষ পর্যন্ত ওই সময়ে না ঘুরে ফিরে মার্চ-এপ্রিলেই লিগ শুরু হবে। তাই ক্লাবগুলো একটু ধীরে চলো নীতি অবলম্বন করছে। সেটাও এখন পর্যন্ত দলবদল কার্যক্রম শুরু না হওয়ার একটা কারণ।

পাশাপাশি আরও দুটি কারণে দলবদলে ক্লাবগুলোর তোড়জোড় তুলনামূলক কম। প্রথমত, বেশ কয়েকটি ক্লাবের এবার বাজেট বেশ কম। সেখানে উল্টো ক্রিকেটারদের ডিমান্ড এবার বেশি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় ৫/৬ জন ক্রিকেটার প্রায় এক কোটি টাকা পারিশ্রমিক দাবি করছেন। এর বাইরে অন্তত ডজন খানেক ক্রিকেটার ৬০ থেকে ৭৫ লাখ টাকা দর হাঁকাচ্ছেন। তার মানে ২/৩ জন নামী ও সুপ্রতিষ্ঠিত তারকাকে দলে নিতে হলে দেড় কোটি টাকা গুনতে হবে। এই বিশাল অংক দেওয়ার মতো ক্লাব নেই বললেই চলে।

গত লিগে মোহামেডান, আবাহনী, প্রাইম ব্যাংক, লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ মোটামুটি বড় অংকের অর্থ খরচ করে বিগ বাজেটের দল গঠন করেছিল। এর মধ্যে নতুন ও পুরোনো মিলে মোহামেডানেই ছিলেন ১২-১৪ জন জাতীয় ক্রিকেটার। মুশফিকুর রহিম, তাওহীদ হৃদয়, এনামুল হক বিজয়, নাইম শেখ, পারভেজ হোসেন ইমন, আফিফ হোসেন ধ্রুব, রিশাদ হোসেন, ইয়াসির আলী রাব্বি, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা, এবাদত হোসেন, সাইফউদ্দীন আর তাইজুলের মতো প্রতিষ্ঠিত তারকা ছিলেন মোহামেডানে। তাদের পাশাপাশি উঠতি পেসার মুশফিক হাসান ও রিপন মন্ডলও খেলেছেন সাদা-কালো জার্সি গায়ে।

এতগুলো জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেটারকে দলে টানা, খেলানো সহজ কর্ম নয়। এজন্য মোহামেডানকে গুনতে হয়েছে বিপুল অর্থ। জানা গেছে, এখনো গত লিগের পুরো পেমেন্ট করতে পারেনি মোহামেডান। চলতি মাসে তিন তিনবার সময় দিয়েও সমুদয় পাওনা শোধ করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।

এবার শেষ পর্যন্ত মোহামেডানের লাইনআপ কেমন হবে? এখনই তা বলা কঠিন। পাওনা না পেলে দল ছাড়তে পারেন বেশ কজন ক্রিকেটার। একেতো আগেরবারের বিরাট পাওনা, তার ওপর এবার ক্রিকেটারদের বিশাল অংক ডিমান্ড, দুয়ে মিলে মোহামেডান কর্তারা আছেন বিপাকে। ১৭ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার পর আগেরবার এক ঝাঁক নামী ও দামি ক্রিকেটার দলে ভিড়িয়ে লিগ ট্রফি ঘরে তুললেও এবার মোহামেডান আগের মতো অত সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী দল গড়তে পারবে কিনা, সন্দেহ আছে।

রানার্সআপ আবাহনীরও তেমন সাড়া-শব্দ নেই। মোহামেডানের মতো আবাহনীরও একাধিক ক্রিকেটার প্রায় ১ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দাবি করেছেন। তাদের পাওনা মেটানো দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে আবাহনী অফিসিয়ালসদের।

প্রাইম ব্যাংক আর সিটি ক্লাব তুলনামূলক বিগ বাজেটের দল গড়ার প্রাথমিক প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানা গেছে। এ দল দুটির বাজেট মোটামুটি ভালো। কিন্তু লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ, ব্রাদার্স ইউনিয়নের মতো মাঝারি শক্তির দলগুলোর অবস্থা তেমন ভালো না। চূড়ান্ত সাফল্যের দেখা না পেলেও গত এক যুগের বেশি সময় ধরে প্রায় প্রতিবারই বেশ ভালো দল গঠন করেছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। সাবেক সরকারের আমলে মামলায় পড়ে একটা বড় সময় দেশের বাইরে থেকেও বিগ বাজেটের দল গড়েছেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের স্বত্বাধিকারী লুৎফর রহমান বাদল। কিন্তু এবার তিনি উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

সব মিলে ক্রিকেটারদের হাই ডিমান্ড আর ক্লাবগুলোর অর্থনৈতিক মন্দা, দুইয়ে মিলে এবারের প্রিমিয়ার ক্রিকেটের দলবদল অনেকটাই স্থবির হয়ে আছে। ভেতরের খবর, ক্রিকেটারদের এই হাই ডিমান্ড মেটাতে ক্লাবগুলো নিজেদের মধ্যে চুক্তি করে দল সাজানোর চিন্তাভাবনা করছে। তাতে করে ক্রিকেটারদের ‘গ্রেডেশন’ করা থাকবে। এ প্লাস, এ, বি, সি, ডি ক্যাটাগরি ভাগ করে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। সেই গ্রেডেশন অনুযায়ী ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক নির্ধারিত হবে।

এখন যারা ৭০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দাবি করছেন, তাদের পারিশ্রমিক নির্ধারিত হতে পারে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকায়। আনুপাতিক হারে ৫০-৬০ লাখ টাকা ডিমান্ড করা ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক নেমে আসবে ৪০ লাখে। একইভাবে ৩০-৩৫ লাখ টাকা মূল্য হাঁকানো ক্রিকেটারদের গড়পড়তা পারিশ্রমিত নেমে ২০-২৫ লাখে দাঁড়াবে।
Dummy Ad 1

বোর্ড যা ভালো মনে করেছে, তাই করেছে: মিনহাজুল আবেদিন নান্নু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বোর্ড যা ভালো মনে করেছে, তাই করেছে: মিনহাজুল আবেদিন নান্নু

বার্তাবেলা ডেস্ক: শেষ হয়ে গেল মিনহাজুল আবেদিন উপাখ্যান। ১৯৯০ সালে ভারতের মাটিতে এশিয়া কাপে ও একই বছর অস্ট্রেলেশিয়া কাপে টিম বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নেতৃত্বে দেওয়া দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবসময়ের অন্যতম দক্ষ ও সেরা ব্যাটার মিনহাজুল আবেদিন নান্নু আজ থেকে আর জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক নন।

আজ ১২ ফেব্রুয়ারি বিসিবি পরিচালক পর্ষদের সভায় তার সঙ্গে বোর্ডের চুক্তির মেয়াদ না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। নান্নুর বদলে প্রধান নির্বাচক করা হয়েছে দেশের ক্রিকেটের আরেক উজ্জ্বল তারকা ও বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুকে।

বলে রাখা ভালো, ক্লাব ক্রিকেট আশির দশকের শুরুতে আবাহনীতে এক সঙ্গে খেলেছেন লিপু আর নান্নু। লিপু ছিলেন আবাহনীতে নান্নুর প্রথম অধিনায়ক। একইভাবে ৮৬ সালে প্রথম এশিয়া কাপেও গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর ক্যাপ্টেন্সিতেই খেলেছেন নান্নু।

জাতীয় দলে লিপুর পর অধিনায়কও হয়েছিলেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। এবার নান্নুর বদলে প্রধান নির্বাচক হলেন লিপু। ২০১৬ থেকে টানা ৭ বছরের বেশি সময় প্রধান নির্বাচক ছিলেন নান্নু। তারও আগে প্রথম নির্বাচক হয়েছিলেন ২০১২ সালে। আজ সে নির্বাচক পদের ইতি নান্নুর। 

কিভাবে দেখছেন ব্যাপারটিকে? কেমন লাগছে? অনুভূতি কী?

এটা বিসিবির এখতিয়ার। বোর্ড যা ভালো মনে করেছে, সেটাই করেছে। আমি এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। প্রধান নির্বাচক পদে ৭ বছর আর নির্বাচক পদে আরও ৫ বছর- মোট ১২ বছরের বেশি সময় আমি নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছি, সেটাও কম নয়।’

এর বেশি আর কোনো মন্তব্য করতে না চাইলেও অন্য কথা প্রসঙ্গে নান্নুর মুখ থেকে বেরিয়ে এসেছে একটি আক্ষেপ। তার মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না, মানে তিনি আর প্রধান নির্বাচক থাকছেন না, এ বিষয়ে তার সঙ্গে বোর্ডের নীতি-নির্ধারকদের কেউ কোনো কথা বলেননি।


ইনজুরি থেকে সেরে উঠলেন নাসিম শাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ ডিসেম্বর, ২০২৩

ইনজুরি থেকে সেরে উঠলেন নাসিম শাহ

ইনজুরির কারণে ভারত বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের পেসার নাসিম শাহ। টুর্নামেন্ট শুরুর আগমুহূর্তে কাঁধের চোটে পড়ে জমজমাট এই আসরে খেলতে পারেননি এই ডানহাতি পেসার।

নাসিমের ইনজু্রি এতটাই জটিল ছিল যে, শেষ পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল তাকে। অবশেষে সফল অস্ত্রোপচারের পর পুরোপুরিভাবে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন তিনি।

নিজের ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টের মাধ্যমে সুসংবাদটি দিয়েছেন নাসিম শাহ নিজেই। পোস্টে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও মেডিক্যাল টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই ২০ বছর বয়সী পেসার।

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে নাসিম লিখেছেন, ‘আজ আমি ইংল্যান্ডে আমার পুনর্বাসন সম্পন্ন করেছি। এই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আমি পিসিবির প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ। আমার মেডিকেল টিমের ডাঃ ইমতিয়াজ আহমেদ, ফিজিও জর্জ আর্ল এবং ইংল্যান্ডে অ্যাডাম রাইটকে সার্বক্ষণিক দেখাশোনার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ।’

চলতি বছরের এশিয়া কাপের আসর চলাকালীন সময়ে কাঁধের ইনজুরিতে পড়েছিলেন নাসিম শাহ। চোট থেকে সেরে উঠতে ইংল্যান্ডে অস্ত্রোপচার করানো হয় তার। নাসিম শাহ বিশ্বকাপে খেলতে না পারার কারণে তার অভাব হাড়েহাড়ে টের পায় পাকিস্তান। বিশ্বকাপে ৯ ম্যাচ খেলে মাত্র ৪টিতে জিতেছিল পাকিস্তান। অথচ এই পাকিস্তান বিশ্বকাপের আসর শুরু হওয়ার আগে আইসিসির র্যাংকিংয়ের শীর্ষে ছিল।


আরও এক পাকিস্তানি
খুলনাকে শক্তিশালী করতে আসছেন আরও এক পাকিস্তানি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

খুলনাকে শক্তিশালী করতে আসছেন আরও এক পাকিস্তানি

বার্তাবেলা ডেস্ক: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের বড় একটা অংশ জুড়েই আছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই আসরে বরাবরের মতো আকর্ষণ তারা। ব্যতিক্রম হয়নি এবারেও। বিপিএলের সাত ফ্র্যাঞ্চাইজ সাধ্যমতো পাকিস্তানের তারকাদের দলে আনার চেষ্টা করেই যাচ্ছে। যার সবশেষ সংযোজন দেখা গেল খুলনায়। 

এবারের বিপিএল শুরুর ৫ দিন আগে তারা দলে টেনেছে পাকিস্তানের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নাওয়াজকে। বিপিএলের শুরু থেকেই পাকিস্তানি এই ক্রিকেটারকে পেতে আশাবাদী খুলনা টাইগার্স। এ ছাড়া ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা আরিফ আহমেদকেও তারা দলে নিয়েছে। লিস্ট 'এ' ও প্রথম শ্রেনির ম্যাচ খেলা আরিফ অপেক্ষায় আছেন টি-টোয়েন্টি অভিষেকের।  

সবমিলিয়ে এবারে বেশ শক্তিশালী দল গড়ার চেষ্টাই করেছে খুলনা টাইগার্স। কদিন আগেই দলে যুক্ত হয়েছেন ওশানে থমাস ও নাহিদ রানা। বিদেশিদের মধ্যে এভিন লুইস, ফাহিম আশরাফ, দাসুন শানাকা, শাই হোপ ও মোহাম্মদ ওয়াসিম দলের বড় শক্তি। দেশীয়দের মধ্যে এনামুল হক বিজয়, রুবেল হোসেন, আফিফ হোসেন ধ্রুব কিংবা পারভেজ হোসেন ইমনরা ভরসা জোগাচ্ছেন তাদের। 

মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র ও ফাহিম আশরাফ ছাড়াও মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, নাহিদুল ইসলামের বোলিং খুলনার বোলিং ভরসা। মোহাম্মদ নাওয়াজের অন্তর্ভুক্তি তাতে বাড়তি শক্তি জোগাবে নিশ্চিতভাবেই। আর তাদের স্পিন আক্রমণে নাসুম আহমেদ বড় ভরসা। আছেন আফিফ নিজেও। 

তবে দলের অধিনায়ক কে হবেন, তা এখনো নিশ্চিত না। আগের আসরে ইয়াসির আলী চৌধুরী শুরুতে নেতৃত্ব দিলেও পরে তাকে সরিয়ে শাই হোপকে অধিনায়ক করা হয়েছিল। এবার ঠিক কে অধিনায়ক হবেন, তা নিয়ে আছে ধোঁয়াশা। দলটির প্রধান কোচের ভূমিকায় থাকবেন সাবেক টাইগার পেসার তালহা জুবায়ের। সাবেক এই টাইগার পেসার এর আগে বিপিএলে পেস বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করেছেন।