শেয়ার বাজার

টি-টোয়েন্টিতে রোহিত শর্মাকে পেছনে ফেললেন বাটলার

প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টি-টোয়েন্টিতে রোহিত শর্মাকে পেছনে ফেললেন বাটলার

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে আরও একটি বড় মাইলফলক স্পর্শ করলেন ইংল্যান্ডের তারকা উইকেটকিপার-ব্যাটার জস বাটলার। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৮০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ভারতের সাবেক অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে পেছনে ফেলেছেন তিনি। এর মাধ্যমে পুরুষদের টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক এখন বাটলার।

মঙ্গলবার সাউদাম্পটনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে মাঠে নামার আগে রোহিতের ৪ হাজার ২৩১ রান থেকে বাটলার পিছিয়ে ছিলেন। রেকর্ডটি নিজের করে নিতে খুব বেশি সময় নেননি ইংল্যান্ডের এই ব্যাটার। মাত্র ৪৪ বলে ৮০ রান করে নিজের টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের মোট রান নিয়ে যান ৪ হাজার ২৯২-এ।

১৬১ ম্যাচে এই রান করেছেন বাটলার। তার বর্তমান ব্যাটিং গড় ৩৪.৩৩। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তার নামের পাশে রয়েছে ২টি সেঞ্চুরি ও ২৯টি হাফ সেঞ্চুরি।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ইনিংসটিতে বাটলার হাঁকিয়েছেন ৮টি চার ও ৩টি ছক্কা। মাত্র ২৯ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। এরপর ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুককে সঙ্গে নিয়ে শ্রীলঙ্কার বোলারদের ওপর চড়াও হন।

দ্বিতীয় উইকেটে বাটলার ও ব্রুক মিলে যোগ করেন ১২৮ রান। এই জুটি আরও একটি বড় জুটির ধারাবাহিকতা ধরে রাখে। এর আগে ইংল্যান্ডের সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে দুজন মিলে গড়েছিলেন রেকর্ড ২৩৩ রানের জুটি।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অবশ্য ৮০ রানে থামতে হয় বাটলারকে। কিন্তু তার বিদায়ের পরও থামেননি ব্রুক। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক শেষ পর্যন্ত মাত্র ৪৯ বলে অপরাজিত ১১৪ রান করেন। বাটলার ও ব্রুকের ব্যাটিং তাণ্ডবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২৫৪ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড।

বাটলারের সামনে এখন শুধু বাবর

রোহিতকে পেছনে ফেলে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন বাটলার। এই তালিকায় এখন তার সামনে কেবল পাকিস্তানের বাবর আজম। ১৪৫ ম্যাচে বাবরের সংগ্রহ ৪ হাজার ৫৯৬ রান। তার ব্যাটিং গড় ৩৮.৯৪। অন্যদিকে রোহিত আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ৪ হাজার ২৩১ রান নিয়ে। ফলে বাটলার এখন রোহিতের চেয়ে ৬১ রান এগিয়ে।

শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে ইংল্যান্ডের জয়

ইংল্যান্ডের বড় সংগ্রহের জবাব দিতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। প্রথম দুই ওভারে মাত্র ৬ রান তুলতে পারে তারা। এরপর ইংল্যান্ডের পেসার সনি বেকার আক্রমণে এসে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করে নেন। চার ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন বেকার। জেমি ওভারটন ও লিয়াম ডসন নেন দুটি করে উইকেট।

নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো শ্রীলঙ্কা শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে মাত্র ১৩৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। তাদের হয়ে কিছুটা লড়াই করেন দুনিথ ভেল্লালাগে। তিনি করেন ৩৩ রান। তবে তার ইনিংসও দলের পরাজয় ঠেকাতে পারেনি।

ফলে ১১৯ রানের বিশাল জয় পায় ইংল্যান্ড। তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে টানা জয়ের সংখ্যা ১৩ ম্যাচে নিয়ে গেছে ইংল্যান্ড।

Dummy Ad 1

ক্রিকেট
তিন সংস্করণে নতুন অধিনায়ক নাজমুল, প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ

সম্পাদক ও প্রকাশক মাইনউদ্দিন জমাদার

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

তিন সংস্করণে নতুন অধিনায়ক নাজমুল, প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ

বার্তাবেলা ডেস্ক: তিন সংস্করণেই বাংলাদেশের নতুন অধিনায়ক হিসেবে নাজমুল হোসেনের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নতুন প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন। 

আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে বড় এই দুটি সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান।

এত দিন সাকিব আল হাসান তিন সংস্করণেই বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন। গত অক্টোবরে ওয়ানডে বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে এক টিভি সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপের পর আর একদিনও অধিনায়ক থাকবেন না। তবে শুধু ওয়ানডের কথা বলেছিলেন, নাকি সব সংস্করণের—তা পরিষ্কার ছিল না। বিশ্বকাপে সাকিবের চোটের কারণে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন নাজমুল হোসেন।

পরে সাকিবের অনুপস্থিতিতে দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজেও নাজমুল অধিনায়কত্ব করেন। অধিনায়ক ছিলেন এর পরপরই নিউজিল্যান্ড সফরেও। নাজমুলের নেতৃত্বে দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জেতে। নিউজিল্যান্ড সফরে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডকে ওয়ানডেতে হারায় বাংলাদেশ, পরে জেতে একটি টি–টোয়েন্টিতেও। 

নতুন অধিনায়কের সঙ্গে নতুন নির্বাচক কমিটিও পাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। আগের নির্বাচক কমিটি থেকে আবদুর রাজ্জাক অবশ্য আছেন নতুন কমিটিতেও। আগের কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন মিনহাজুল আবেদীন ও হাবিবুল বাশার। মিনহাজুল আবেদীনের বদলে প্রধান নির্বাচক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেনের নাম। কমিটির তৃতীয় সদস্য হিসেবে নতুন এসেছেন হান্নান সরকার, এতদিন যিনি জুনিয়র নির্বাচক কমিটির সদস্য ছিলেন। 



বোর্ড যা ভালো মনে করেছে, তাই করেছে: মিনহাজুল আবেদিন নান্নু

সম্পাদক ও প্রকাশক মাইনউদ্দিন জমাদার

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বোর্ড যা ভালো মনে করেছে, তাই করেছে: মিনহাজুল আবেদিন নান্নু

বার্তাবেলা ডেস্ক: শেষ হয়ে গেল মিনহাজুল আবেদিন উপাখ্যান। ১৯৯০ সালে ভারতের মাটিতে এশিয়া কাপে ও একই বছর অস্ট্রেলেশিয়া কাপে টিম বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নেতৃত্বে দেওয়া দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবসময়ের অন্যতম দক্ষ ও সেরা ব্যাটার মিনহাজুল আবেদিন নান্নু আজ থেকে আর জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক নন।

আজ ১২ ফেব্রুয়ারি বিসিবি পরিচালক পর্ষদের সভায় তার সঙ্গে বোর্ডের চুক্তির মেয়াদ না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। নান্নুর বদলে প্রধান নির্বাচক করা হয়েছে দেশের ক্রিকেটের আরেক উজ্জ্বল তারকা ও বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুকে।

বলে রাখা ভালো, ক্লাব ক্রিকেট আশির দশকের শুরুতে আবাহনীতে এক সঙ্গে খেলেছেন লিপু আর নান্নু। লিপু ছিলেন আবাহনীতে নান্নুর প্রথম অধিনায়ক। একইভাবে ৮৬ সালে প্রথম এশিয়া কাপেও গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর ক্যাপ্টেন্সিতেই খেলেছেন নান্নু।

জাতীয় দলে লিপুর পর অধিনায়কও হয়েছিলেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। এবার নান্নুর বদলে প্রধান নির্বাচক হলেন লিপু। ২০১৬ থেকে টানা ৭ বছরের বেশি সময় প্রধান নির্বাচক ছিলেন নান্নু। তারও আগে প্রথম নির্বাচক হয়েছিলেন ২০১২ সালে। আজ সে নির্বাচক পদের ইতি নান্নুর। 

কিভাবে দেখছেন ব্যাপারটিকে? কেমন লাগছে? অনুভূতি কী?

এটা বিসিবির এখতিয়ার। বোর্ড যা ভালো মনে করেছে, সেটাই করেছে। আমি এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। প্রধান নির্বাচক পদে ৭ বছর আর নির্বাচক পদে আরও ৫ বছর- মোট ১২ বছরের বেশি সময় আমি নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছি, সেটাও কম নয়।’

এর বেশি আর কোনো মন্তব্য করতে না চাইলেও অন্য কথা প্রসঙ্গে নান্নুর মুখ থেকে বেরিয়ে এসেছে একটি আক্ষেপ। তার মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না, মানে তিনি আর প্রধান নির্বাচক থাকছেন না, এ বিষয়ে তার সঙ্গে বোর্ডের নীতি-নির্ধারকদের কেউ কোনো কথা বলেননি।


কুমিল্লা-ঢাকা ম্যাচ দিয়ে বিপিএল পর্দা উঠছে ১৯ জানুয়ারি

সম্পাদক ও প্রকাশক মাইনউদ্দিন জমাদার

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩

কুমিল্লা-ঢাকা ম্যাচ দিয়ে বিপিএল পর্দা উঠছে ১৯ জানুয়ারি

বার্তাবেলা: সবকিছু নির্ভর করবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর। জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলে আগামী ১৯ জানুয়ারি এবারের বিপিএল শুরুর কথা ভাবা হচ্ছে।

১৯ জানুয়ারি ধরে সেভাবে সূচিও দেওয়া হয়েছে প্রতিযোগী দলগুলোকে। কোনোরকম ঝামেলা না হলে সেই সূচি অনুযায়ীই মাঠে গড়াবে বিপিএল।

সূচি অনুযায়ী, আগামী বছরের ১৯ জানুয়ারি উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স আর দুর্দান্ত ঢাকা। দুপুরে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শুরু হবে ম্যাচটি।

একই ভেন্যুতে ওইদিন সন্ধ্যায় দ্বিতীয় ম্যাচ। এই ম্যাচে রংপুর রাইডার্স মোকাবিলা করবে ফরচুন বরিশালের। আজ (সোমবার) সন্ধ্যায় বিপিএলের এই সূচি দেওয়া হয়েছে।

১৯ জানুয়ারি শুরু হওয়া ঢাকা পর্ব চলবে ৪ দিনের। ২৩ জানুয়ারি শেষ হবে প্রথমপর্ব। দ্বিতীয় পর্বের খেলা হবে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। তার আগে ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি ২ দিন বিশ্রাম ও ভ্রমণ বিরতি।

এরপর ২৬ জানুয়ারি থেকে সিলেট পর্ব মাঠে গড়াবে। চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এরপর বিপিএল আবার ফিরে আসবে ঢাকায়। আগের মতই ২ দিন বিরতির পর আবার ৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ঢাকা পর্ব। শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি।

এই পর্ব শেষে ২ দিন বিরতি দিয়ে বিপিএল আবার চলে যাবে চট্টগ্রাম। সেখনে খেলা শুরু ১৩ ফেব্রুয়ারি। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে খেলা চলবে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি ভ্রমণ ও বিশ্রামের কারণে দুদিন বিরতি।

এরপর শেষ অংশ আবার ঢাকায়। ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকায় শেষ পর্ব। আর ১ মার্চ শুক্রবার টুর্নামেন্টের ফাইনাল।