শেয়ার বাজার

অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে মালদ্বীপে জোরালো অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৫

অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে মালদ্বীপে জোরালো অভিযান

মালদ্বীপে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ১৫০৭টিরও বেশি অভিবাসন মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

এর মধ্যে ৯৭৬টি মামলা ইমিগ্রেশন বিভাগ দিয়েছে। তবে এখনো ২৪৪টি মামলা যাচাই করা হয়নি এবং ১১৬টি মামলা তদন্তাধীন বলে জানা গেছে। এছাড়াও, ইমিগ্রেশন সংস্থার বাইরে থেকে ১৭১টি মামলা দায়ের হয়েছে।

শুধু অবৈধ অভিবাসীদের ধরপাকড় নয় বরং শহর, আবাসিক এলাকা, শিল্প গ্রাম ও কৃষি গ্রামে অবস্থানরত বিদেশিদের তথ্য সংগ্রহ করতে মাঠপর্যায়ে অভিযান চালাচ্ছে ইমিগ্রেশন বিভাগ। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্য প্রস্তুতকারী সাইটগুলোতে নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য আলাদা অপারেশনও চালু করা হয়েছে।

বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে মালদ্বীপে সব বিদেশি নাগরিকের তথ্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেসে সংরক্ষণ করা। আগামী তিন বছরের মধ্যে অভিবাসন সমস্যার পূর্ণ সমাধান হয়ে যাবে বলে স্থানীয় গণমাধ্যকে জানানো হয়েছে।


এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ভাবে কর্মী নেবে যে দেশ, দেবে বিমান ভাড়াও

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ মে, ২০২৫

এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ভাবে কর্মী নেবে যে দেশ, দেবে বিমান ভাড়াও

বাংলাদেশের নারীদের জন্য এক দারুণ সুখবর! রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বোয়েসেল (BOESL) এর মাধ্যমে জর্ডানের খ্যাতনামা “তাস্কার অ্যাপারেল” কোম্পানিতে যোগদানের সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৩০০ জন মহিলা পোশাককর্মী জর্ডানে কর্মজীবন শুরু করতে পারবেন।

তাস্কার অ্যাপারেল কোম্পানি, যা উন্নত কর্মপরিবেশ এবং সুযোগ-সুবিধার জন্য সুপরিচিত, নারী কর্মীদের জন্য মেশিন অপারেটর পদে এই আকর্ষণীয় চাকরির প্রস্তাব দিয়েছে। এই পদটিতে কর্মরত মহিলারা মাসিক ২১,৩১১ টাকা মূল বেতন পাবেন।

এছাড়াও, কর্মীদের জন্য রয়েছে বিনামূল্যে থাকা, তিন বেলা মানসম্মত খাবার এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সুবিধা। দূর দেশ জর্ডানে কর্মজীবন শুরু করতে কর্মীদের যেন কোনো আর্থিক চাপ না থাকে, সেজন্য কোম্পানি আসা-যাওয়ার বিমান ভাড়াও বহন করবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে এবং পোশাক শিল্পে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বিশেষত, প্লেইন মেশিন ও ওভারলক মেশিন পরিচালনায় দক্ষতা থাকতে হবে। দৈনিক আট ঘণ্টা এবং সপ্তাহে ছয় দিন কাজ করার সুযোগের পাশাপাশি অতিরিক্ত কাজের জন্য ওভারটাইমেরও ব্যবস্থা রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য চুক্তি করা হলেও, কর্মীদের কর্মদক্ষতা বিবেচনা করে চুক্তির মেয়াদ নবায়ন করা হতে পারে। জর্ডানের শ্রম আইন অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা ও শর্তাবলীও প্রযোজ্য হবে।

তবে, যে সকল নারীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ বা জর্ডানের আদালতে কোনো মামলা চলমান আছে অথবা পূর্বে জর্ডান থেকে ফেরত এসেছেন, তাদের এই পদে আবেদনের প্রয়োজন নেই। এছাড়াও, প্রত্যেক কর্মীকে ন্যূনতম দুটি মেশিনে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি বাংলাদেশের নারী শ্রমিকদের জন্য বৈদেশিক কর্মসংস্থানের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। যোগ্য প্রার্থীদের জন্য তাস্কার অ্যাপারেল কোম্পানিতে কাজের এই সুযোগ নিজেদের ভাগ্য বদলের একটি সেরা মাধ্যম হতে পারে।


সৌদি আরবে কর্ম ক্ষেত্রে নারীর সংখ্যা বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

সৌদি আরবে কর্ম ক্ষেত্রে নারীর সংখ্যা বেড়েছে

সৌদি আরবে নারী কর্মশক্তির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, যা ২০১৬ সালের ১৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২২ সালে মোট মানবসম্পদের ৩৬ শতাংশ হয়েছে।

সৌদি আরবে কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে, ফলে উপকৃত হচ্ছে দেশটির অর্থনীতি। ইতোমধ্যে দেশটির অর্থনীতিতে সেই উদ্যোগের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বলে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের গবেষণায় দেখা গেছে, সৌদি আরবে নারী কর্মশক্তির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, যা ২০১৬ সালের ১৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২২ সালে মোট মানবসম্পদের ৩৬ শতাংশ হয়েছে। এই অগ্রগতি ভিশন-২০৩০ এর ৩০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে।

সৌদির সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের ভিশন-২০৩০ উদ্যোগের লক্ষ্য নারী কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা।

এছাড়াও, সৌদি আরবে নারী শিক্ষারও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০২০ সালে ২৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রায় ৩২ শতাংশ নারী কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ২০১৭ সাল যা ছিল ২৬ শতাংশ।

এদিকে ফার্স্ট আবুধাবি ব্যাংক (এফএবি) ও ওয়েলথব্রিফিং প্রকাশিত এক গবেষণায় জানানো হয়েছে, নারীদের সম্পদ বৃদ্ধি মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনছে।

'উইনিং উইমেন ইন মেনা: হাউ ওয়েলথ ম্যানেজারস ক্যান হেল্প ফারদার ফিমেল এমপাওয়ারমেন্ট' শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ খাতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি দায়ী।

এতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য বিশেষ করে সৌদি আরবে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, এই অঞ্চলে প্রতি তিনটি নতুন ব্যবসার মধ্যে একটির উদ্যোক্তা নারী।

এফএবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামিরা জাকুর বলেন, 'গত ২০ বছরে আমি অনেক নারীকে এই অঞ্চলের পারিবারিক ব্যবসাকে শীর্ষে নিয়ে যেতে দেখেছি। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা মূলধন বিনিয়োগের আগে অনেকের মতামত শোনেন। তারা প্রায়ই কম ঝুঁকিপূর্ণ খাতে বিনিয়োগ করেন, ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আরও ভালো আয়ের দিকে পরিচালিত হয়।'