শেয়ার বাজার

বেনাপোল বন্দর থেকে ৭ কোটি টাকার পণ্য পাচার, ঢাকায় আটক, বেনাপোলে শুল্ক ফাঁকির মহোৎসবে বড় বাঁধা যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

বেনাপোল বন্দর থেকে ৭ কোটি টাকার পণ্য পাচার, ঢাকায় আটক, বেনাপোলে শুল্ক ফাঁকির মহোৎসবে বড় বাঁধা যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞা

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি :

দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল স্থলবন্দরে শুল্ক ফাঁকি চক্রের আগ্রাসী ভূমিকায় একের পর এক আমদানি পণ্য চালান অনায়াসে পাচার হওয়ার ঘটনায় কাস্টমস ও বন্দর ব্যবস্থপনা কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন ব্যবসায়িক মহল।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বেনাপোল স্থলবন্দরের ৪১ নং শেড থেকে ৭ কোটি টাকা মূল্যের উচ্চ শুল্ক মূল্যের দুই ট্রাক সিনথেটিক্স ফেবিক্স, শাড়ী, থ্রিপিস পণ্য চালান শুল্ক পরিশোধ ছাড়াই বের করে নিয়ে যায় বেনাপোল শুল্ক ফাঁকি ও নো-এন্ট্রি সিন্ডিকেটের সদস্যরা। বেনাপোল কাস্টমস হাউজের এক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও বন্দরের শেড ইনচার্জের সাথে বিপুল পরিমাণ অর্থের চুক্তিতে পণ্যচালানটি বন্দরের শেড থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। নানা ভাবে চেস্টা চালিয়েও পণ্য চালানটি আটক করা যায়নি। পরে বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা কোতয়ালি থানা পুলিশ পুরান ঢাকার ওয়াইজ ঘাট এলাকার একটি গোউাউন থেকে পণ্য চালানটি আটক করে। এ ঘটনায় প্রাথমিক ভাবে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তবে রাঘববোয়ালরা এখনো ধরা ছোয়ার বাইরে রয়ে গেছে। রাঘববেয়ালরা বেনাপোল কেন্দ্রীক সিন্ডিকেটের সদস্য।

সংশ্লিস্ট সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ভারত থেকে কাগজপত্রবিহীন তিন ট্রাক পণ্য নিয়ে আসে এ চক্রটি। যা ভারতীয় ট্রাক থেকে খালাস করা হয় বেনাপোল বন্দরের ৪১ নম্বর শেডে। রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পণ্য চালানটি বন্দর থেকে পাচারের তথ্য পেয়ে এনএসআই বিষয়টি কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে জানান।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞা বন্দরের ৪১ নম্বর শেডে গিয়ে ভারতীয় তিনটি ট্রাকের পণ্য আটক করেন। ওই পণ্য চালানের বাংলাদেশি চার ট্রাক শাড়ি, থ্রিপিসসহ ফেবিক্স ছিল। যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞা এই পণ্য চালানটি দেখভাল করার দায়িত্ব দেন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আরমানকে। কিন্তুু বেড়ায় ক্ষেত খাওয়ার মঈন উদ্দিন আরমান শুল্ক ফাঁকিবাজ সিন্ডিকেটের সদস্যরা বিপুল অংকের অর্থ নিয়ে শেডে থাকা চার ট্রাক পণ্যের মধ্যে দুই ট্রাক পণ্য বের করে দেন। সেই পণ্য চালান অবশেষে শুক্রবার গভীর রাতে এনএসমআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে পুরান ঢাকার জব্দ করে পুলিশ। সাত কোটি টাকার মূল্যের দুই ট্রাক পণ্য বন্দর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞা নিজে বিজিবি-কাস্টমসের যৌথ বাঁশকলে গিয়ে ট্রাক দুইটি আটকের জন্য বলে আসেন। ট্রাক দুইটি হচ্ছে ঢাকা ট্রান্সপোর্টের ঢাকা মেট্রো-ট-২২-৭৪৭১ ও আফজাল পার্সেল ট্রান্সপোর্টের ঢাকা মেট্রো-ট-২৪-০৮৪৭। ট্রাক দুইটি আটকে যশোরসহ বিভিন্ন আইন শৃংখলা বাহিনীকে যশোর এনএসআই এর পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হলেও ট্রাক দুইটি আটক করা সম্ভব হয়নি। বৃহস্পতিবার রাতে ট্রাক দুইটি আটকের জন্য পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় বলেন। একই সাথে এনএসআই এর উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। সারারাত অভিযানের পর পুরান ঢাকার ওয়াইজ ঘাটের সামাদ প্লাজার নিচে অবস্থিত একটি গুদাম থেকে এক ট্রাক (১২০ বস্তা) অবৈধ ভারতীয় কাপড় জব্দ করে পুলিশ। এ সময় সাইফুর রহমান (৩৭), সংগ্রাম হোসেন (৩০) ও বাবু (৩৭) নামে তিন ব্যক্তিকে আটক করে কোতয়ালি থানা পুলিশ। তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা কোতোয়ালি থানায় পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা এ অভিযান চালিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে আসা বিপুল পরিমানে ভারতীয় কাপড় জব্দ করি। একই সাথে হাতেনাতে তিনজনকে আমরা গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। আটক ব্যক্তিরা অবৈধভাবে ভারতীয় কাপড় সংগ্রহ, মজুত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জব্দ করা কাপড়ের উৎস এবং চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, বেনাপোল কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞার নেতৃত্বে “তদন্ত, গবেষণা ও ব্যবস্থাপনা ইউনিট” (আইআরএম) টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে দায়িত্ব প্রাপ্ত সহাকরী রাজস্ব কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আরমানকে অনুপস্থিত থাকতে দেখেন। পরবর্তীতে তাকে দায়িত্বে না থাকার কারন জিজ্ঞাসাবাদ করলে কোন সদুউর দিতে না পারায় যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞা ক্ষিপ্ত হয়ে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আরমানকে শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠে। এআরওকে প্রকাশ্যে লাঞ্চিত করার প্রতিবাদে কাস্টমসের রাজস্ব ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাদের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। কয়েক ঘন্টা কাজও বন্ধ রাখে তারা।

ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ বলেন, বেনাপোল স্থলবন্দর দেশের অন্যতম প্রধান স্থলবন্দর। এখানে কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দাপ্তরিক কোনো সিদ্ধান্ত বা দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তা বিধি অনুযায়ী তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

তাঁরা বলেন, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু কর্মস্থলে কোনো কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ সত্য হলে সেটিও প্রশাসনিকভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আরমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন কথা বলতে রাজি হয়নি। যা কিছু বলার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন বলে জানান।

বন্দরের একটি সূত্র জানান, বেনাপোল বন্দর হতে পণ্য পাচার ঘটনায় কাস্টমস সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আরমানসহ বেনাপোল স্থল বন্দরের একাধিক কর্মকর্তা জড়িত যা সংশ্লিষ্ট মহলের সুষ্ঠ তদন্তে বেরিয়ে আসবে। একই সাথে বন্দরের ৪১ নং শেডে মিথ্যা ঘোষণায় আনা আরো কয়েক কোটি টাকার পণ্য চালান জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও গত আট মাসে ৪১ নং শেড থেকে মিথ্যা ঘোষনা ও জাল-জালিয়াতির কাগজপত্র দিয়ে কি পরিমাণ শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পণ্য চালান বেরিয়ে গেছে তার তদন্ত শুরু করেছ রাস্ট্রীয় উচ্চ পার্যায়ের একটি গোয়েন্দা দল।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) রহুল আমিন জানান, নতুন করে ওঠা অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রবিবার এ বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে যদি বন্দরের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারি জড়িত থাকে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিয়ার কাছে সাংবাদিকরা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে তিনি পরে এ নিয়ে কথা বলবেন বলে জানানো হবে।  

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত শুল্ক ফাঁকিতে কাস্টমস ও বন্দরের অভিযুক্ত বা সহায়তাকারী সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যাপারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিলে বন্দর ও কাস্টমস হাউসের শৃঙ্খলা নষ্ট হবে এবং একই সাথে এ বন্দর থেকে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে।

Dummy Ad 1

মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হলেন চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান সাংবাদিক মহিন উদ্দিন স্বপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হলেন চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান সাংবাদিক মহিন উদ্দিন স্বপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান ও মানবসেবায় নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠক মহিন উদ্দিন স্বপনকে ‘মানবতার পাশে ফাউন্ডেশন’-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই লেখাপড়ার পাশাপাশি মানবসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন তিনি। অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সহযোগিতা করাকে নিজের দায়িত্ব মনে করেন মহিন উদ্দিন স্বপন।

সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর মহিন উদ্দিন স্বপন বলেন, “সর্বপ্রথম আমি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। তিনি আমাকে সুস্থ রেখেছেন এবং মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। একই সঙ্গে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান সাংবাদিক উজ্জ্বল ভূঁইয়া ভাইয়ের প্রতি। তিনি আমাকে এত বড় একটি দায়িত্ব দিয়েছেন।”

তিনি আরও বলেন, “আমি যেন এই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করতে পারি এবং গরিব-দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি, এটাই আমার প্রত্যাশা। মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম শুধু একটি নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ভবিষ্যতে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে দিতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।”

মহিন উদ্দিন স্বপন বলেন, “আমি মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম দেখেছি। তারা অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের মানবিক উদ্যোগ আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। সেই কারণেই আমি এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। আমরা সবাই মিলে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ মানবতার পাশে ফাউন্ডেশন একদিন অনেক দূর এগিয়ে যাবে।”

এদিকে, মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক উজ্জ্বল ভূঁইয়া বলেন, মানবতার পাশে ফাউন্ডেশন গড়ে তোলার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। যারা এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, আমি বিশ্বাস করি তারাও মানবতার কল্যাণে কাজ করতে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসবেন।

তিনি বলেন, “আমি নিজের চোখে দেখেছি, অনেক মানুষ ঠিকমতো একবেলা খাবারও খেতে পারেন না। অনেক অসহায় মানুষ রাস্তায় রাত কাটান।

তাদের কষ্ট আমাকে নাড়া দিয়েছে। তাদের পাশে দাঁড়ানো, অন্তত একমুঠো খাবার তুলে দেওয়া এবং বিপদের সময়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য থেকেই মানবতার পাশে ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছি।”

উজ্জ্বল ভূঁইয়া সমাজের বিত্তবান ও বিবেকবান মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “মানবতার কল্যাণে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা সবাই মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের পাশে থাকুন। সম্মিলিতভাবে কাজ করলে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। মানুষের জন্য কাজ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠক মহিন উদ্দিন স্বপনকে ঘিরে মানবতার পাশে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংগঠনের সংশ্লিষ্টরা। মানবিক সহযোগিতা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে সংগঠনটি ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশাই সংশ্লিষ্টদের।


রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশীদের দাফন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মার্চ, ২০২৪

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশীদের দাফন সম্পন্ন

ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার মেগচামী খান বাড়ীর বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মেগচামী স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন সহকারী শিক্ষক হারুন অর রশিদ (৮২) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। 

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) যোহর বাদ মেগচামী খান বাড়ী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামনুন আহমেদ অনিকের নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে গার্ড অফ অনার প্রদান করা হয়। এসময় মধুখালী উপজেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা খুরশীদ আলম সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

এরপর জানাজার নামাজ শেষে তাকে খান বাড়ী পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। পারিবারিক সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার মীরপুরস্থ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে যান। তাঁর একমাত্র সন্তান যুবরাজ খান বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনার জন্য সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন। 



চৌদ্দগ্রামে তরুণ রাজনীতিবীদের উদ্যোগে সাংবাদিকদের সম্মানে দোয়া ও ইফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল, ২০২৪

চৌদ্দগ্রামে তরুণ রাজনীতিবীদের উদ্যোগে সাংবাদিকদের সম্মানে দোয়া ও ইফতার

এম এ  আলম (চৌদ্দগ্রাম) প্রতিনিধি: প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মুহসিনুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, ইসলামী ঐক্যজোটের কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও আল মক্কা ট্রাভেলসের স্বত্তাধিকারী মুফতি মোঃ খোরশেদ আলমের উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সম্মানে দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (০৩ এপ্রিল) বিকেলে অফবিট রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা করেন মুফতি মোঃ খোরশেদ আলম। দৈনিক যায়যায়নি পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ বেলাল হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিনিধি মাহবুবুর রহমান মিয়াজী, এই চ্যারিটি সোসাইটির চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল মামুন, দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ আকতারুজ্জামান, সাপ্তাহিক চৌদ্দগ্রাম পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মোঃ এমদাদ উল্যাহ, দৈনিক কালবেলার প্রতিনিধি আবু বকর সুজন, দৈনিক কালেরকণ্ঠের প্রতিনিধি আবুল বাশার রানা। 

অন্যান্যেদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আল মক্কা ট্রাভেলস মুন্সিরহাট শাখার পরিচালক সামছুল আলম, বার্তাবলো.কম এবং দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের প্রতিনিধি এম এ আলম, এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি কামাল হোসেন নয়ন, আনন্দ টিভির প্রতিনিধি মিজানুর রহমান মিনু, দৈনিক দেশ রুপান্তরের প্রতিনিধি মনোয়ার হোসেন, দৈনিক সকালের সময়ের প্রতিনিধি মুহা. ফখরুদ্দিন ইমন, দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি মোঃ শাহীন আলম, কুমিল্লার টিভির প্রতিনিধি আনিসুর রহমান, দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি গোলাম রসুল, দৈনিক গণজাগরণের প্রতিনিধি সফিউল রানা, দৈনিক গণমুক্তির প্রতিনিধি খোরশেদ আলম। 

অনুষ্ঠানে চৌদ্দগ্রামের প্রয়াত সাংবাদিক ও কবরবাসী সকল বাবা-মায়ের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ইসলামী ঐক্যজোট চৌদ্দগ্রাম উপজেলার যুগ্ম আহবায়ক মাওলানা মোবারক করিম। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিকদের উৎসাহ প্রদানে মুফতি খোরশেদ আলমের মতো অন্যান্য রাজনীতিবীদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহবান জানান সাংবাদিকবৃন্দ। এরআগে মুফতি মোঃ খোরশেদ আলম সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদের পোষাক বিতরণ করেন।