শেয়ার বাজার

চৌদ্দগ্রামে ইয়াবাসহ ছাত্রলীগ নেতা ইয়াবা খলিল আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

চৌদ্দগ্রামে ইয়াবাসহ ছাত্রলীগ নেতা ইয়াবা খলিল আটক

মু. আলম (কুমিল্লা প্রতিনিধি) : কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ভারত সীমান্ত এলাকা থেকে ১৯৯৫০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ছাত্রলীগ নেতা খলিলুর রহমানকে আটক করেছে বিজিবি। খলিল উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও বাবুচি গ্রামের ইদু মিয়ার ছেলে। শনিবার বিকেলে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বিজিবি ১০ ব্যাটালিয়ান কুমিল্লার অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মীর আলী এজাজ। 

জানা গেছে, বিজিবি কুমিল্লা ১০ ব্যাটালিয়নের ভারত সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকে। 

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় আমানগন্ডা বিওপি এর টহলদল সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সীমান্তের ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাবুচি পাড়া নামক স্থান হতে ১৯,৯৫০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ খলিলুর রহমান নামের এক যুবককে আটক করে। আটককৃত খলিলুর রহমানকে ইয়াবাসহ চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। 

বিজিবি ১০ ব্যাটালিয়ান কুমিল্লার অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মীর আলী এজাজ বলেন, ‘১৯৯৫০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ খলিল নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে। এছাড়াও সীমান্তে চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণে বিজিবিকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতার আহবান জানান তিনি’।

Dummy Ad 1

হৃদয় হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও শাস্তির দাবি, নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন; শাহনেওয়াজ কাজল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ জুন, ২০২৬

হৃদয় হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও শাস্তির দাবি, নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন; শাহনেওয়াজ কাজল

মু.আলম, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলোচিত হৃদয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন চিওড়া মাই-স্কুল ও মাদ্রাসার চেয়ারম্যান এবং চিওড়া সোসাইটি ঢাকার সভাপতি আলহাজ্ব শাহনেওয়াজ কাজল।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার ধোরকরা গ্রামের শাকতলা পশ্চিমপাড়ায় নিহত হৃদয়ের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময় শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান, তাদের খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।নিহত হৃদয় উপজেলার ধোরকরা গ্রামের শাকতলা পশ্চিমপাড়ার মরহুম হেদায়েতুল্লাহ (হেদু মিয়া)-এর ছোট ছেলে। সম্প্রতি দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে তিনি নিহত হন।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে আলহাজ্ব শাহনেওয়াজ কাজল বলেন, “বর্তমান সমাজে দুষ্কৃতকারীদের কোনো দল, মত বা পরিচয় নেই। তারা দেশ, সমাজ ও মানবতার শত্রু। হৃদয় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”তিনি আরও বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা অত্যন্ত জরুরি। 

শুধু হত্যাকারীদের গ্রেফতার করলেই হবে না, এর নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্তের মাধ্যমে বের করে আনতে হবে। সত্য উদঘাটন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই সমাজে আইনের শাসন নিশ্চিত করা সম্ভব।”সমাজে অপরাধ ও সন্ত্রাসের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবাই যদি নীরব থাকে, তাহলে আজ একজন, কাল আরেকজন নিরীহ মানুষ প্রাণ হারাবে। 

তাই সমাজের সচেতন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলেই দুষ্কৃতকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হবে।”এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মেম্বার ও অবসরপ্রাপ্ত বিডিআর সদস্য নেছার আহমেদ, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, মাহবুবুল হক, ইয়াসিন, শহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী। তারাও হৃদয় হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।


ই-পাসপোর্টে থাকছে শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওয়াসিমের ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ জুলাই, ২০২৬

ই-পাসপোর্টে থাকছে শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওয়াসিমের ছবি

বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টের জলছাপে নতুন সংযোজন হিসেবে যুক্ত হয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’। এর অংশ হিসেবে রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ, উত্তরার আজমপুরে শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ এবং চট্টগ্রামের শহীদ ওয়াসিম আকরামের প্রতীকী ছবি স্থান পেয়েছে। একই সঙ্গে ই-পাসপোর্টে আবারও যুক্ত করা হয়েছে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দবন্ধ।

ছয় বছর আগে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বাদ দেওয়া এই শব্দবন্ধ পুনর্বহাল করে রোববার (১৯ জুলাই) সরকারি আদেশ জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের বহিরগমন-৪ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ নুরুজ্জামানের সই করা আদেশে বলা হয়েছে, ই-পাসপোর্ট বুকলেটের বিদ্যমান ছবি পুনর্বিন্যাস করে নকশা পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধনের মাধ্যমে জলছাপগুলো নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।

পরিবর্তিত জলছাপে নতুন সংযোজন হিসেবে যুক্ত হয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’। এর অংশ হিসেবে রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদের দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে থাকা ছবি, উত্তরার আজমপুরে পানি হাতে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ এবং বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার জার্সি পরিহিত চট্টগ্রামের শহীদ ওয়াসিম আকরামের প্রতীকী ছবি স্থান পেয়েছে। এই তিনটি ছবিকে একত্রে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’ নামে জলছাপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া নতুন ই-পাসপোর্টে সব ধর্মের প্রতীকও যুক্ত করা হয়েছে। এখন থেকে যেসব নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে, সেগুলোতে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দবন্ধ থাকবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) পরিষেবা চালু করা হয়। সে সময় পাসপোর্ট থেকে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দবন্ধ বাদ দেওয়া হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন মহল থেকে এটি পুনর্বহালের দাবি ওঠে। এর আগে বাংলাদেশের পাসপোর্টে লেখা থাকতো—‘এই পাসপোর্ট বিশ্বের সব দেশের জন্য বৈধ, ইসরায়েল ছাড়া।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ই-পাসপোর্টের নকশায় কয়েকটি পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ বিষয়ে একাধিক সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারসংক্ষেপ পাঠায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন কয়েকটি ছবি জলছাপে যুক্ত করে সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে।

নতুন ই-পাসপোর্টের জলছাপে যা থাকছে

নতুন ই-পাসপোর্টের জলছাপে থাকছে জাতীয় ফুল শাপলা, রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, জাতীয় পাখি দোয়েল, শহীদ মিনার, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, জাতীয় সংসদ ভবন, সুপ্রিম কোর্ট, দিনাজপুরের কান্তজিউ মন্দির, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা অনির্বাণ, লালবাগ দুর্গ, কক্সবাজারের ঝাউবনসহ সমুদ্রসৈকতের ছবি (নৌকা ব্যতীত), সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর, জাতীয় মাছ ইলিশ, বান্দরবানের নীলগিরি, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪, ঢাকার আহসান মঞ্জিল, জাতীয় ফল কাঁঠাল, বান্দরবানের স্বর্ণমন্দির, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ, রাজশাহীর আমবাগান, সোনারগাঁয়ের ঐতিহাসিক পানামনগর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল, ষাটগম্বুজ মসজিদ, সোনালি আঁশ পাট, চা-বাগান, সুন্দরবন, খ্রিষ্টধর্মের হলি রোজারি চার্চ এবং শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম ‘সংগ্রাম’।

যেসব জলছাপ বাদ দেওয়া হয়েছে

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, নতুন নকশায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ, রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতার স্তম্ভ, মডেল মসজিদ, বঙ্গবন্ধু সেতু (যমুনা সেতু), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, নৌকাসহ কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের ছবি, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং মেহেরপুরে মুজিবনগর সরকারের স্মৃতিসৌধের জলছাপ বাদ দেওয়া হয়েছে।

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী ধাপে ধাপে নতুন পাসপোর্টে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দবন্ধ ও সংশোধিত জলছাপ যুক্ত করা হবে। তবে পুরোনো পাসপোর্টধারীদের জন্য তাৎক্ষণিক কোনো জটিলতা তৈরি হবে না। মেয়াদ শেষে নবায়নের সময় তারা নতুন সংস্করণের পাসপোর্ট পাবেন। ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার নতুন সব ই-পাসপোর্টে সংশোধিত জলছাপ ব্যবহার করা হবে।


সব নাগরিককে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে হবে, দপ্তর প্রধানদের অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ জুলাই, ২০২৬

সব নাগরিককে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে হবে, দপ্তর প্রধানদের অর্থমন্ত্রী

দেশের সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, কৃষক, শ্রমিকসহ সবাইকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো নাগরিক বাদ যাবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সোমবার (৬ জুলাই) সচিবালয়ের অর্থ বিভাগের মাল্টিপারপাস হলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উদ্যোগে ‘ইনোভেশন শোকেসিং ২০২৫-২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, উইদাউট ওয়েস্টিং এ মোমেন্ট, সমস্ত দেশকে ডিজিটালাইজেশন করতে হবে। এর মাধ্যমে আমরা চাই বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, কৃষক, শ্রমিক সবাইকে এর আওতায় আসতে হবে। এটার আউটরিচ (সেবা পৌঁছে দেওয়া) মাস্ট বি অল দ্য সিটিজেনস অব বাংলাদেশ। অল দ্য সিটি— আমি যখন বলি অল দ্য সিটিজেনস, উই মিন অল দ্য সিটিজেনস। সেজন্য আপনারা বাজেটে খেয়াল করেছেন, আমাদের অ্যালোকেশনে কিন্তু এভরিবডি ওয়াজ ইনক্লুডেড, এভরিবডি, কেউ বাকি নাই। আর্টিস্ট, সিঙ্গার কেউ তো বাকি নেই। গ্রামে যে একজন— ওই যে আর্টিস্ট যারা আছে, তারাও কিন্তু বাকি নাই। এভরিবডি ইজ ইনক্লুডেড।’

তিনি বলেন, ‘এই ইনক্লুসিভনেস আপনি খালি অর্থনীতিতে আনলে হবে না। এই যে মানুষের দুয়ারে সার্ভিস পৌঁছানোর ব্যাপারে— ব্যাপার করতে হবে আপনাদের। তাহলে কিন্তু এগুলো এগোনোর কোনো সুযোগ নাই। প্রত্যেকটি মানুষকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বলেন, রাজনীতি বলেন, সমাজ বলেন— কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হলে টেকনোলজির কোনো অল্টারনেটিভ নেই এই মুহূর্তে।’

ডিজিটাল রূপান্তরে বিশ্বের শীর্ষ দেশ এস্তোনিয়ার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল সেখানে সফরে রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের একটি টিম, আমাদের আইসিটি অ্যাডভাইজারসহ একটি টিম এস্তোনিয়ায় আছে। আর তারা গভর্নরসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের। অনেকে ভাববেন, এস্তোনিয়ায় কী কাজ? এস্তোনিয়া ইজ নাম্বার ওয়ান রাইট নাও ইন দ্য ওয়ার্ল্ড। অ্যামেজিং! অনেকে বিশ্বাস করবেন না এটা। নাম্বার ওয়ান ইন দ্য ওয়ার্ল্ড। এবং তাদেরকে সবাই ইমিউলেট করছে।’

‘আমাদের একটা টিম সেখানে গিয়েছে, আইসিটি অ্যাডভাইজার, গভর্নর এবং অন্যরা গেছে। মানে এটার গুরুত্ব এত বেশি আমরা মনে করছি এই মুহূর্তে। একটা দিনও এখানে আর নষ্ট করার নাই আমাদের সময়।’

ডিজিটাল সেবার প্রসার বাড়াতে ব্যাংক, বিমা ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বলছি, ব্যাংককে ব্যাংকারদের জিজ্ঞেস করলাম যে আপনারা সার্ভিস দিচ্ছেন, আপনাদের কত পার্সেন্ট— কতজন আপনাদের কাস্টমারের কত পার্সেন্টেজ এই সেবাটা নিচ্ছে? আমি মনে করি, এখনও এই সেবা যারা নিচ্ছে যথেষ্ট না।’

অধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোর প্রধানদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘দরকার হলে দুটি-তিনটি অফিসার রাখবেন যে আপনাদের কাজ হচ্ছে এটাকে কাভারেজ (অনলাইন সেবা) বাড়ানোর জন্য অ্যাসিস্ট করা। তারা এই দায়িত্বগুলো যদি পালন করে, তাহলে আপনার কাভারেজ বাড়বে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেকটা গ্রাহককে আপনারা চিঠি দেন একটা। চিঠি দিতে তো অসুবিধা নেই, একটু অ্যাট্রাক্টিভ। ওই সরকারি কায়দায় চিঠি দিলে হবে না। চিঠিটা খুব অ্যাট্রাক্টিভ হতে হবে, সে দেখে বুঝতে পারবে যে এখানে তার কাজটা সে বাড়িতে বসে করতে পারবে।’

ডিজিটাল সেবার সুফল তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই না বাংলাদেশের জনগণ— সে যেই হোক, তারা সরকারি অফিসে যাক, তারা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে যাক, তারা ব্যাংকে যাক কিংবা আর কোনো প্রতিষ্ঠানে যাক। ... একটা দেশের কত মানুষের কত টাইম সেভিং, কত পয়সা সেভিং, অফ তেল সেভিং, ট্রান্সপোর্ট টাকা-পয়সা সেভিং— এটা বিশাল ব্যাপার। সুতরাং, ইটস অ্যান অল-ইনকমপাসিং একটা উদ্যোগ। এটাকে আমাদের বাস্তবায়িত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ইন্স্যুরেন্সের ক্লেইম পাচ্ছেন না, শেয়ারবাজারে যারা আছে তারা যারা এটাকে মিসইউজ করছে, প্রতিটি ক্ষেত্রে মিসইউজ হচ্ছে। এগুলোকে যদি চেক দিতে হয়, আমাকে এটার (ডিজিটাল সেবা) ফুল ইমপ্লিমেন্টেশন করতে হবে।’

অনুষ্ঠানের উদ্যোগের প্রশংসা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের উদ্যোগটা ভালো ছিল। এটা অনেকের জন্য আই-ওপেনার। তবে আমি আবারও বলছি, এই আউটরিচটা করতে হলে আপনাদের খালি একটা প্রজেক্ট করলে তো হবে না, এটার আউটরিচ যদি না হয়, তাহলে এটার বেনিফিট পাবে না।’