শেয়ার বাজার

কুমিল্লা মহানগর বিএনপির ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লা মহানগর বিএনপির ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

কুমিল্লা মহানগর বিএনপির ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে উদবাতুল বারী আবুকে সভাপতি এবং মো. ইউসুফ মোল্লা টিপুকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সই করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

ঘোষিত কমিটিতে ৯ সদস্যের উপদেষ্টা মন্ডলী রাখা হয়েছে। উপদেষ্টারা হলেন— বেগম রাবেয়া চৌধুরী, ফজলুল হক ফজলু, ফরিদ উদ্দিন আহাম্মেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদের জিলানী, এস এ বারী সেলিম, ফরহাদ আক্তার মো. শাহরিয়ার, ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ এবং অধ্যাপক ডা. নীলুফা পারভীন।

কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি করা হয়েছে নজরুল ইসলাম ভিপিকে। সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন শওকত আলী বকুল, আতাউর রহমান ছুটি, শহিদুল্লাহ রতন, মামুনুর রশিদ মজুমদার, অ্যাডভোকেট হোসেন মিয়া, মাহাবুবুর রহমান দুলাল ভিপি, রেজাউল হক আঁখি, ইঞ্জিনিয়ার ইদ্রিস মেহেদী, আব্দুর রহমান, আবদুল জলিল, মুজিবুর রহমান কামাল, রায়হান রহমান হেলেন, মো. রফিকুল ইসলাম, আব্দুস সাত্তার ও শ্যামল কৃষ্ণ সাহা।

সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপুর সঙ্গে সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে খলিলুর রহমান বিপ্লবকে। যুগ্ম সম্পাদক পদে রয়েছেন জলিশ আব্দুর রব, জামাল হোসেন, নাজমুল হক, অধ্যাপক নেছার আহাম্মেদ রাজু, রিয়াজ খান রাজু, মোর্শেদ আলম, মঞ্জুরুল আলম রুবেল, ফেরদৌস পাটোয়ারী, মো. কামাল হোসেন এবং বদরুল হাসান রাব্বু।

কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে আহাম্মেদ শোয়েব সোহেলকে। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন রাজিউর রহমান রাজিব, সাজ্জাদুল কবির সাজ্জাদ, খলিলুর রহমান খলিল, মনির হোসেন পারভেজ, ফুয়াদ আহাম্মেদ এবং মোসাম্মৎ ফরিদা আক্তার ডলি।

কমিটিতে প্রচার সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন ভিপি, দপ্তর সম্পাদক ইকরাম হোসেন তাজ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুব চৌধুরী, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সারজেক আলম সরকার, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট দাউদ আহাম্মেদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপিকা নাজমা আক্তার চৌধুরী, যুববিষয়ক সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম মনির এবং ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আল মামুন করা হয়েছে।

এ ছাড়া শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো. আবু ইউসুফ পাখি, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান, প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শোহেব বিন আহাম্মেদ সোহেল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সোহরাব হোসেন, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক নাছির উদ্দিন সুমন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডা. আবু তাহের মুহিত ও ডা. আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ডা. প্রিয়ম চক্রবর্তীসহ বিভিন্ন পদে নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কমিটিতে সহ-কোষাধ্যক্ষ হিসেবে জহিরুল ইসলাম (রহমান), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নেছার আহাম্মেদ দিপু, সাজ্জাদ মাহমুদ দিপু ও মো. রবিউল হক শামীম, সহ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দেওয়ান সালাউদ্দিন আহাম্মেদ ও মনির হোসেন এবং সহ-প্রচার সম্পাদক হিসেবে ফরিদ আলীকে রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া সহ-সম্পাদক পদে বিভিন্ন বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর হোসেন মোল্লা, তোফাজ্জল হোসেন বেলাল, নাসির উদ্দিন নাসির, ডা. তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, অ্যাডভোকেট মাহাবুব খন্দকার, অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত মিঠু, অ্যাডভোকেট মাহামুদা খানম শিল্পী, আছমা আক্তার, রেহানা রহমান, ডা. খাজা মোর্শেদ মাহমুদ তুষার, মো. হামিদ উদ্দিন মজুমদার সুমন, গোলাম মুর্তুজা তপু, কামাল হোসেন (হাসেম), জামাল আহাম্মেদ, ডা. দেবাশীষ চক্রবর্তী, মোস্তফা মজুমদার, জাকির হোসেন ও আবুল খায়ের।

কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে কাউসার জামান বাপ্পী, মোস্তাক মিয়া, আনোয়ার হোসেন, বদরুল আলম বাবুল, বেলায়েত হোসেন কনক, মনোয়ার হোসেন সেলিম, আব্দুল মতিন, জামাল হোসেন, অ্যাডভোকেট সেলিম হোসেন রনি, মো. জাকির হোসেন (৪ নম্বর ওয়ার্ড), আবুল হোসেন, তোফায়েল আহাম্মেদ, ফরিদ আহাম্মেদ মজুমদার, আক্তার হোসেন, আতিকুল ইসলাম, মো. হাসমত, অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন শিশু, জাবেদ আহাম্মেদ মজুমদার কিসলু, আব্দুল কুদ্দুস, মো. মাসুদ হোসেন, অ্যাডভোকেট এ কে এম ইকবাল কবির, গোলাম মোস্তফা বাবুল, হুমায়ন কবির, সেলিনা বেগম, কিশোর দেবনাথ, নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া আজাদ, খোকন আহাম্মেদ, সাইফ আহাম্মেদ সাইফুল, আলেক হোসেন, মাসুক মিয়া, তাজুল ইসলাম তাজু, সাদেকুল ইসলাম, মোশারফ হোসেন বাবু, জামাল হায়দার, এস এম সবুর বশির, জহির উদ্দিন, নাসির উদ্দিন, মো. লিটন মিয়া, জমিরুল হক জামাল, জাকির হোসেন, এনামুল কিবরিয়া রনি, শ্যামল কুমার সাহা, শাহাদাত হোসেন সাগর, মনির হোসেন, সালেহ উদ্দিন সেলিম, মো. মাহাবুবুল আলম, শাহাদাত হোসেন সানি, সফিকুল ইসলাম স্বপন, লিটন পাল, মো. আব্দুর রহিম খান, অ্যাডভোকেট মোজাদ্দেদ হোসেন আদনান, আমজাদ হোসেন মজুমদার, মাহাবুবুর রহমান, মহিবুর রহমান তুহিন, আশিকুর রহমান শিমুল, মঞ্জুরুল আলম, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (অব.) শাহজাহান মজুমদার, অধ্যাপক বেল্লাল হোসেন, সোহেল মজুমদার, গোলাম মো. হুমায়ন কবির, মো. হানিফ, মো. সাইফুল ইসলাম, আমজাদ হোসেন মজুমদার জিহাদ ও মো. শাহাজান।

Dummy Ad 1

নারায়ণগঞ্জের তিন কর্তা আইভী-শামীম-সেলিম বসছেন এক টেবিলে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

নারায়ণগঞ্জের তিন কর্তা আইভী-শামীম-সেলিম বসছেন এক টেবিলে

বার্তাবেলা ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান ও সিটি করপোরেশনের (নাসিক) মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে একই টেবিলে বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে অনেকবার। কিন্তু পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে সেটা হয়ে ওঠেনি। অবশেষে এক টেবিলে দেখা যাবে তাদের। তাদের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানও।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের আয়োজনে গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন তারা।

এর আগে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র একসঙ্গে বসলেও নারায়ণগঞ্জের সমস্যা নিয়ে কথা হয়নি কখনো। কিন্তু এবার তাদের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরা হবে।

সভায় আরও উপস্থিত থাকবেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল, র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চন্দন শীল, বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) রুহুল আমিন সাগর ও বিআরটির সহকারী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল কবীর।

নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আরিফ আলম দিপু বলেন, জেলার সব সমস্যার সমাধানের জন্য এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। বৈঠক থেকে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে সমস্যাগুলোর যেন সমাধান হয়।

প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জীবন বলেন, যানজটসহ যে সমস্যাগুলো আছে তা সমাধানে যেন জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসন একসঙ্গে কাজ করে, এটাই আমাদের লক্ষ্য।

এর আগে গতবছরের ১৪ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, শামীম ওসমান ও সেলিম ওসমান একত্রে বসেছিলেন। সেদিন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


মতপার্থক্য থাকলেও যেন মতবিভেদ না হয়: তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ জানুয়ারি, ২০২৬

মতপার্থক্য থাকলেও যেন মতবিভেদ না হয়: তারেক রহমান

মতপার্থক্য থাকলেও যেন মতবিভেদ না হয়—সে জন্য আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের তাগিদ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় ৫ আগস্টের আগে ফিরে তাকানোর সুযোগ নেই। যে কোনো মূল্যে দেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় রাখতে হবে।

জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়ে নিজের ও বিএনপির পরিকল্পনার কিছু অংশ তুলে ধরেন বিএনপি চেয়ারম্যান। দেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে মতবিরোধের বাজে দৃষ্টান্ত দেখেছে দেশ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশ গণতন্ত্রের দিকে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে না পারলে সব অর্জন ধ্বংস হয়ে যাবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি বিজয়ী হলে নারী, কৃষক, প্রবাসী, তরুণসহ সব নাগরিকের জীবনমান উন্নয়নে নানান পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। দেশ পুনর্গঠনে গণমাধ্যমকর্মীরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির নেতার মধ্যে ছিলেন—মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান, স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস এবং গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন, যুগ্ম মহাসচিব ড. হুমায়ূন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন, বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দীন অসীম এবং চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।

গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক ও বিএনপির উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য কবি আব্দুল হাই শিকদার, আমাদের সময় পত্রিকার সাবেক নির্বাহী সম্পাদক এহসান মাহমুদ, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এডিটর ইনাম আহমেদ, দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মাহাবুবুল আলম, রয়টার্সের সিনিয়র সাংবাদিক রুমা পল, মানবজমিন পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান, জাগো নিউজ ২৪ ডটকম-এর সম্পাদক কে এম জিয়াউল হক, ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম এবং নাগরিক টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক দ্বীপ আজাদ।

এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সম্পাদক ও সাংবাদিকসহ আনুমানিক ৩০০ থেকে ৩৫০ জন গণমাধ্যমকর্মী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


আমরা সরকারও মানছি না, রাজপথও ছাড়ছি না: মান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

আমরা সরকারও মানছি না, রাজপথও ছাড়ছি না: মান্না

বার্তাবেলা ডেস্ক: সরকার দ্রব্যমূল্য কমাতে পারবে না বলে দাবি করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মৌচাক মোড়ে ‘গণতন্ত্রের পক্ষে গণস্বাক্ষর’ কর্মসূচিতে এ কথা বলেন তিনি।

মান্না বলেন, এই সরকার দ্রব্যমূল্য কমাতে পারবে না। কারণ এরাই সিন্ডিকেট, আর সিন্ডিকেটই সরকার।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে। দেশের জনগণকে এই সরকারের হাত থেকে মুক্ত করেই আমরা ফিরবো। ঢাকা মহানগরের সব থানা থেকে শুরু করে সারাদেশে আমরা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চালিয়ে যাবো। পাশাপাশি শেখ হাসিনা সরকারের অবৈধ ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করার কর্মসূচিও থাকবে।

তিনি জানান, ১৬ ফেব্রুয়ারি গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল হবে। ১৫-১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, ফার্মগেট, খামারবাড়ি এবং ২৩-২৪ তারিখে খিলগাঁওয়ে নাগরিক ঐক্যের গণস্বাক্ষর কর্মসূচি হবে। ২০-২২ ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবসের কর্মসূচি থাকবে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, এর মানে বার্তা পরিষ্কার, আমরা তোমাকে মানছি না, রাজপথ ছাড়ছি না। তোমাকে যেতে হবে।

মান্নার সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সারসহ নেতারা।

মান্না বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৫ বছরে লুটপাট করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছে। ব্যাংক ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলার নেই, টাকা নেই। সরকারের কাছেও টাকা নেই।