শেয়ার বাজার

ফরিদপুরের মধুখালীতে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ৩ এপ্রিল ২০২৪

ফরিদপুরের মধুখালীতে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরের মধুখালীতে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার (৩ এপ্রিল) মধুখালী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে উপজেলা বিএনপির সভাপতি রাকিব হোসেন চৌধুরী ইরানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হায়দার আলী মোল্লার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহব্বায়ক এডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ,কে এম কিবরিয়া স্বপন, কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, ফরিদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ন আহব্বায়ক আলী আসরাফ নান্নু, মধুখালী পৌর বিএনপির সভাপতি শাহাবুদ্দীন আহমেদ সতেজ, ফরিদপুর জেলা বিএনপির সহ- সভাপতি আব্দুল আলীম মানিক,  কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মাফুজুর রহমান মাফুজ, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব  শাহারির শিথিল, জেলা বিএনপির ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কায়েস, মধুখালী উপজেলা যুবদলের আহব্বায়ক এস এম মুক্তার উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তারিকুল ইসলাম ইনামুল,  মধুখালী উপজেলা জামাতে ইসলামির আমির মাওঃ আলীমুজ্জামান, মধুখালী কৃষকদলের আহব্বায়ক মেহেদী হাসান মুন্নু সদস্য সচিব শেখ তানভীর আহম্মেদ শিমুল  মধুখালী উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বান আকরাম হোসেন  পৌর সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইমাম হোসেন, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জহুরুল ইসলাম লিটনসহ এসময় উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়নে ছাত্রদল যুবদল কৃষকদল শ্রমিকদল তাতীঁদল সেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

Dummy Ad 1

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে সমাবেশ করবে জামায়াতসহ ১১ দল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে সমাবেশ করবে জামায়াতসহ ১১ দল

দেশের ৭ বিভাগে ভিন্ন ভিন্ন দিনে সমাবেশ করার কর্মসূচি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। আগামী ১৬ মে রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দল। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, জ্বালানি সংকট নিরসনসহ আরও নানা দাবিতে ১১ দল এ সমাবেশ করবে বলে জানান জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের লিঁয়াজো কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।

এরপর ১৩ জুন চট্টগ্রামে, ২০ জুন খুলনায়, ২৭ জুন ময়মনসিংহ, ১১ জুলাই রংপুর, ১৮ জুলাই বরিশাল ও ২৫ জুলাই সিলেটে বিভাগীয় সমাবেশ করবে তারা।

হস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলের লিঁয়াজো কমিটির সংবাদ সম্মেলনে নতুন এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের লিঁয়াজো কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।

তিনি বলেন, আজকে আমাদের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক থেকে এসব কর্মসূচি ঘোষণা হয়েছে।

তিনি বলেন, জেলাভিত্তিক ১১ দলের সিনিয়র নেতারা সফর করবেন, এ সময় আমাদের জেলা পর্যায়ে লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করা হবে। ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভা হবে। সবশেষে অক্টোবরে আমরা ঢাকায় একটা বড় সমাবেশ করবো।

তিনি আরও বলেন, সরকার প্রশাসনে অনেক বেশি দলীয়করণ করছে। নিয়োগ বাণিজ্য, স্থানীয় নির্বাচন না দিয়ে নিজেদের লোকজনকে পদে বসাচ্ছে। আমরা দেশবাসীকে সচেতন করছি। জনগনের সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে জনগনকে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করবো।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আমাদের মূল দাবি হচ্ছে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভুইয়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালউদ্দীন আহমেদ, বিডিপির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান সহ ১১ দলের শীর্ষ নেতারা।


শনিবার বিএনপির কালো পতাকা মিছিল: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪

শনিবার বিএনপির কালো পতাকা মিছিল: রিজভী

দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ডামি নির্বাচনে অবৈধ সংসদ বাতিলের এক দফা দাবিতে শনিবার (২৭ জানুয়ারি) কালো পতাকা মিছিল করবে বিএনপি। বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোও এ মিছিল করবে।

শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) বিএনপির প্রস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শনিবার দুপুর ২টায় নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কর্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল শুরু করবে বিএনপি। মিছিলে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য ও সিনিয়র নেতারা। এছাড়া দলটির অঙ্গ, সহযোগী ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অংশ নেবেন।

অন্যদিকে, দুপুর সাড়ে ১২টায় বিজয় নগর পানির ট্যাংক সামনে থেকে মিছিল শুরু করবে ১২ দলীয় জোট। বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব সামনে থেকে শুরু করবে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট।

বিকেল সাড়ে ৩টায় মতিঝিল নটরডেম কলেজ উল্টো দিকে গণফোরাম চত্বর থেকে শুরু করবে গণফোরাম ও পিপলস পার্টি। বেলা ১১টা বিজয় নগর পানির ট্যাংক সামনে থেকে শুরু করবে এলডিপি। বিকেল সাড়ে ৩টায় বিজয় নগর দলীয় কার্য়ালয় সংবাদ সম্মলেন করবে এবি পার্টি।


আসন সমঝোতা নিয়ে জামায়াতের তৃণমূলে অসন্তোষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

আসন সমঝোতা নিয়ে জামায়াতের তৃণমূলে অসন্তোষ

জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা দলগুলোর ‘১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য’ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। ইসলামী আন্দোলন ছাড়া ১০ দলের আসন সমঝোতাকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে এক ধরনের ক্ষোভ ও অসন্তোষ রয়েছে। জোটের একাধিক আসনে জামায়াতের নিজস্ব প্রার্থীর অবস্থান তুলনামূলকভাবে শক্ত হলেও সমঝোতার স্বার্থে প্রার্থী প্রত্যাহার নিয়ে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে মনোমালিন্য নজরে আসছে।

জামায়াতে ইসলামীর দাবি, বৃহত্তর ঐক্য ধরে রাখতে এবং এক ভোট বাক্স নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই তারা এসব আসনে ছাড় দিয়েছে। দলটির ভাষ্য অনুযায়ী, জোট টিকিয়ে রাখতে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে জামায়াত।

তবে দলের সেই সিদ্ধান্ত সহজভাবে মেনে নিতে পারছেন না তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

১০ দলীয় জোট সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী ২১৫টি, এনসিপি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২৩টি, খেলাফত মজলিস ১৩টি, এলডিপি সাতটি, এবি পার্টি চারটি নেজামে ইসলাম পার্টি তিনটি, বিডিপি দুটি ও খেলাফত আন্দোলন এক আসনে নির্বাচন করবে।

তবে এর মধ্যে জামায়াতের ছেড়ে দেওয়া বেশ কিছু আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

জামায়াত ও শিবিরের সমর্থকরা প্রকাশ্যেই প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে আপত্তি তুলেছেন। বিশেষ করে গত ১৫ জানুয়ারি ১০ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াত ও ছাত্রশিবির সমর্থকদের মধ্যে নানা মন্তব্য ও সমালোচনা চলছে।

মৌলভীবাজার-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মান্নানকে গ্রামের বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন এলাকাবাসী ও কর্মী-সমর্থকরা। তিনি যেন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে না পারেন এজন্য মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজনগর উপজেলার দত্তগ্রামে নিজ বাড়িতে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মান্নানের ছেলে ডা. তানভীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন সামনে রেখে স্থানীয় এলাকাবাসী ও কর্মীদের নিয়ে কাজ করছেন। এজন্য তিনি যাতে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে না পারেন এজন্য সকাল থেকে বাড়িতে সাধারণ মানুষ এসে বাবাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। তবে এখানে জামায়াতের কোনো নেতা নেই। সবাই আমাদের এলাকাবাসী ও আমার বাবার কর্মী।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ দেড়ব ছর ধরে নির্বাচন সামনে রেখে মাঠেঘাটে ঘুরেছেন। এসময় সাধারণ মানুষ ব্যাপক সমর্থন করেন। বাবা যাতে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে না পারেন এজন্য বাড়িতে সবাই অবরোধ করছেন।

অসন্তোষ দেখা গেছে, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনেও। ওই আসনের জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা বলছেন, জামায়াত প্রার্থী নাজমুল হোসেন পাটোয়ারী মাঠপর্যায়ে ভালো অবস্থানে রয়েছেন। তাদের অভিযোগ, সমঝোতার মাধ্যমে এনসিপি প্রার্থী মাহবুব আলমকে দেওয়া হচ্ছে, তাকে এলাকায় অনেকেই চেনেন না।

লক্ষ্মীপুর-১ আসনে রামগঞ্জ উপজেলার ১ নং কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের আমির সারাফাত হোসেন শাহিদ জাগো নিউজকে বলেন, এ আসনে এনসিপির ওই প্রার্থীকে কেউ চেনে না। আমরা এক বছর থেকে এই আসনটিতে ঘাম ঝরিয়েছি। এখন ১০ দলীয় জোট যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আমরা মনে করি এটা বিবেচনা করা দরকার। সেজন্য এই আসনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি বসছে, আমিরে জামায়াতও এটা নিয়ে বসছেন।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, এসব অসন্তোষ সাময়িক। তারা আশা করছেন, নির্বাচনের সময় দলীয় শৃঙ্খলা বজায় থাকবে এবং নেতাকর্মীরা বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন।

মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের এক সদস্য বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, আমাদের প্রার্থীরা মাঠ পর্যায়ে সর্বোচ্চ পরিশ্রম করেছে। জোট চূড়ান্ত হওয়ার আগে থেকে তাদের মেসেজ দেওয়া হয়েছে দেশের স্বার্থে আসন সমঝোতা করা হতে পারে, সেজন্য যে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহার নির্দেশনা মানতে হবে।

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী শৃঙ্খল সংগঠন। কর্মীরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছে, কিছুটা অভিমান থাকবে। আশা করছি কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা হবে না।

এই বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, আমরা চেয়েছি জুলাই অভ্যুথানের শক্তিদের সবাইকে একসঙ্গে রাখতে। এটা করতে গিয়ে এমন জায়গায় ত্যাগ শিকার করতে হয়েছে যেটা তারা মেনে নিতে পারছে না। আমাদের নেতাকর্মীরা নিজেদের টাকা খরচ করছে, শ্রম দিয়েছে- তাই তাদের কষ্ট পাওয়া স্বাভাবিক। আবার তার মানে এই না যে, তারা দলের সিদ্ধান্ত মানবে না। আশা করি, বৃহত্তর স্বার্থে দলের নেতাকর্মীরা সিদ্ধান্ত মেনে চলবে।