শেয়ার বাজার

১০ শতাংশ আসন উন্মুক্ত রেখেই জামায়াতসহ ১১ দলের সমঝোতা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

১০ শতাংশ আসন উন্মুক্ত রেখেই জামায়াতসহ ১১ দলের সমঝোতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও তাদের শরিক ১১ দলের মধ্যে আসন সমঝোতার আলোচনা চললেও এখনও চূড়ান্ত ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। সমঝোতা না হলে মোট আসনের অন্তত ৫ থেকে ১০ শতাংশ উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। প্রার্থী চূড়ান্ত হলে চলতি সপ্তাহেই আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।

১১ দলীয় জোটের একাধিক সূত্র জানায়, বেশ কয়েকটি আসনে একাধিক দল প্রার্থী দিতে আগ্রহী হওয়ায় সমঝোতার বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায় যেসব আসনে সমাধান সম্ভব হবে না, সেগুলো উন্মুক্ত রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। ফলে ওই আসনগুলোতে জোটভুক্ত দলগুলো আলাদাভাবে প্রার্থী দিতে পারবে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, ‘শুধু ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেই নয়, আরও কয়েকটি দলের সঙ্গেও আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতা রয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৫ থেকে ১০ শতাংশ আসন উন্মুক্ত থাকতে পারে। বাকি আসনগুলোতে প্রার্থী চূড়ান্ত হলে চলতি সপ্তাহেই ঘোষণা আসবে।’

খেলাফত মজলিশের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘এমন অনেক আসন রয়েছে, যেখানে তিন-চারটি দলই প্রার্থী দিতে চায়। সোমবারও লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক হয়েছে। সামনে আরও বৈঠক হবে। আমরা চাই সব আসনে সমঝোতা হোক, তবে যেগুলো অমীমাংসিত থাকবে, সেগুলো উন্মুক্ত রাখা হতে পারে।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘আমাদের বৈঠক এখনও বাকি রয়েছে। কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। যেসব আসনে সমঝোতা কঠিন হবে, সেখানে উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। কয়টি আসন উন্মুক্ত হবে, তা সমঝোতার পরই নির্ধারিত হবে।’

জামায়াত-চরমোনাই দ্বন্দ্ব কাটছে না

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ ফজলে বারী মাসুদ বলেন, ‘জামায়াত কোন কোন আসনে প্রার্থী দিতে চায়, তা এখনও আমরা জানি না। তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো বিষয়ই চূড়ান্ত হয়নি। আমরা মনোক্ষুণ্ন, কারণ একত্রে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। দুই দল আলাদা আলাদা বৈঠক করলেও সমাধান আসছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাতির প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে বাস্তবতা বিবেচনায় নিতে হবে। কার কতটা সমর্থন আছে, সেটিও বিবেচনায় আনতে হবে। আমরা তো ২৬৭ আসনেই মনোনয়ন জমা দিয়েছি।’

আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা

জামায়াত ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটে রয়েছে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ, খেলাফত মজলিশ, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি), এবি পার্টি ও এলডিপি।

জোট সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামী ৩০০ আসনের মধ্যে ১৯০ থেকে ১৯৫টি আসনে প্রার্থী দিতে চায়। ইসলামী আন্দোলন শতাধিক আসন দাবি করলেও তাদের জন্য ৪০টির মতো আসন দেওয়ার আলোচনা চলছে। এছাড়া এনসিপি: ২৫-৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ: ১০টি,,খেলাফত মজলিশ: ৩টি, এবি পার্টি: ৩টি, এলডিপি: ২টি, বিডিপি: ২টি, জাগপা: ২টি, নেজামে ইসলাম পার্টি: ১টি আসন।

মনোনয়নপত্র জমা, অপেক্ষা ঘোষণার

সমঝোতার আলোচনা চলমান থাকলেও জোটের প্রায় সব দলই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।

দলীয় সূত্র অনুযায়ী,জামায়াত: ২৭৬ আসন, ইসলামী আন্দোলন: ২৬৮ আসন, এনসিপি: ৪৭, এবি পার্টি: ৫৩,,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ: ৯৪, খেলাফত মজলিশ: ৬৮, এলডিপি: ২৪, খেলাফত আন্দোলন: ১১, নেজামে ইসলাম পার্টি: ৬, জাগপা: ৩, বিডিপি: ২টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছে।

এদিকে, সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, মঙ্গলবার অথবা বুধবার ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে।

Dummy Ad 1

হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুলের মনোনয়ন বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুলের মনোনয়ন বাতিল

কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ইসির আপিল শুনানিতে এ সিদ্ধান্ত হয়। এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। ইসি তার আবেদন নামঞ্জুর করে। ফলে হাসনাতের মনোনয়ন বৈধই থাকছে। তবে ঋণখেলাপির অভিযোগে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন

গত ৯ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে হাসনাতের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আবেদন করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। তার আগে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আবেদন করেছিলেন হাসনাত।

এর আগে ঋণ খেলাপির অভিযোগ এনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোয়নপত্র কেন বাতিল করা হবে না, এজন্য ইসিতে আপিল করেছিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।



ভোটের পর আ’লীগের দ্বিতীয় যৌথসভা বুধবার, সভাপতিত্ব করবেন কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

ভোটের পর আ’লীগের দ্বিতীয় যৌথসভা বুধবার, সভাপতিত্ব করবেন কাদের

বার্তাবেলা ডেস্ক: দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ ও সব সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে দ্বিতীয় যৌথসভা ডেকেছে আওয়ামী লীগ। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বুধবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।


আসন সমঝোতা নিয়ে জামায়াতের তৃণমূলে অসন্তোষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

আসন সমঝোতা নিয়ে জামায়াতের তৃণমূলে অসন্তোষ

জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা দলগুলোর ‘১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য’ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। ইসলামী আন্দোলন ছাড়া ১০ দলের আসন সমঝোতাকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে এক ধরনের ক্ষোভ ও অসন্তোষ রয়েছে। জোটের একাধিক আসনে জামায়াতের নিজস্ব প্রার্থীর অবস্থান তুলনামূলকভাবে শক্ত হলেও সমঝোতার স্বার্থে প্রার্থী প্রত্যাহার নিয়ে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে মনোমালিন্য নজরে আসছে।

জামায়াতে ইসলামীর দাবি, বৃহত্তর ঐক্য ধরে রাখতে এবং এক ভোট বাক্স নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই তারা এসব আসনে ছাড় দিয়েছে। দলটির ভাষ্য অনুযায়ী, জোট টিকিয়ে রাখতে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে জামায়াত।

তবে দলের সেই সিদ্ধান্ত সহজভাবে মেনে নিতে পারছেন না তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

১০ দলীয় জোট সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী ২১৫টি, এনসিপি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২৩টি, খেলাফত মজলিস ১৩টি, এলডিপি সাতটি, এবি পার্টি চারটি নেজামে ইসলাম পার্টি তিনটি, বিডিপি দুটি ও খেলাফত আন্দোলন এক আসনে নির্বাচন করবে।

তবে এর মধ্যে জামায়াতের ছেড়ে দেওয়া বেশ কিছু আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

জামায়াত ও শিবিরের সমর্থকরা প্রকাশ্যেই প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে আপত্তি তুলেছেন। বিশেষ করে গত ১৫ জানুয়ারি ১০ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াত ও ছাত্রশিবির সমর্থকদের মধ্যে নানা মন্তব্য ও সমালোচনা চলছে।

মৌলভীবাজার-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মান্নানকে গ্রামের বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন এলাকাবাসী ও কর্মী-সমর্থকরা। তিনি যেন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে না পারেন এজন্য মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজনগর উপজেলার দত্তগ্রামে নিজ বাড়িতে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মান্নানের ছেলে ডা. তানভীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন সামনে রেখে স্থানীয় এলাকাবাসী ও কর্মীদের নিয়ে কাজ করছেন। এজন্য তিনি যাতে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে না পারেন এজন্য সকাল থেকে বাড়িতে সাধারণ মানুষ এসে বাবাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। তবে এখানে জামায়াতের কোনো নেতা নেই। সবাই আমাদের এলাকাবাসী ও আমার বাবার কর্মী।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ দেড়ব ছর ধরে নির্বাচন সামনে রেখে মাঠেঘাটে ঘুরেছেন। এসময় সাধারণ মানুষ ব্যাপক সমর্থন করেন। বাবা যাতে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে না পারেন এজন্য বাড়িতে সবাই অবরোধ করছেন।

অসন্তোষ দেখা গেছে, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনেও। ওই আসনের জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা বলছেন, জামায়াত প্রার্থী নাজমুল হোসেন পাটোয়ারী মাঠপর্যায়ে ভালো অবস্থানে রয়েছেন। তাদের অভিযোগ, সমঝোতার মাধ্যমে এনসিপি প্রার্থী মাহবুব আলমকে দেওয়া হচ্ছে, তাকে এলাকায় অনেকেই চেনেন না।

লক্ষ্মীপুর-১ আসনে রামগঞ্জ উপজেলার ১ নং কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের আমির সারাফাত হোসেন শাহিদ জাগো নিউজকে বলেন, এ আসনে এনসিপির ওই প্রার্থীকে কেউ চেনে না। আমরা এক বছর থেকে এই আসনটিতে ঘাম ঝরিয়েছি। এখন ১০ দলীয় জোট যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আমরা মনে করি এটা বিবেচনা করা দরকার। সেজন্য এই আসনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি বসছে, আমিরে জামায়াতও এটা নিয়ে বসছেন।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, এসব অসন্তোষ সাময়িক। তারা আশা করছেন, নির্বাচনের সময় দলীয় শৃঙ্খলা বজায় থাকবে এবং নেতাকর্মীরা বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন।

মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের এক সদস্য বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, আমাদের প্রার্থীরা মাঠ পর্যায়ে সর্বোচ্চ পরিশ্রম করেছে। জোট চূড়ান্ত হওয়ার আগে থেকে তাদের মেসেজ দেওয়া হয়েছে দেশের স্বার্থে আসন সমঝোতা করা হতে পারে, সেজন্য যে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহার নির্দেশনা মানতে হবে।

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী শৃঙ্খল সংগঠন। কর্মীরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছে, কিছুটা অভিমান থাকবে। আশা করছি কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা হবে না।

এই বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, আমরা চেয়েছি জুলাই অভ্যুথানের শক্তিদের সবাইকে একসঙ্গে রাখতে। এটা করতে গিয়ে এমন জায়গায় ত্যাগ শিকার করতে হয়েছে যেটা তারা মেনে নিতে পারছে না। আমাদের নেতাকর্মীরা নিজেদের টাকা খরচ করছে, শ্রম দিয়েছে- তাই তাদের কষ্ট পাওয়া স্বাভাবিক। আবার তার মানে এই না যে, তারা দলের সিদ্ধান্ত মানবে না। আশা করি, বৃহত্তর স্বার্থে দলের নেতাকর্মীরা সিদ্ধান্ত মেনে চলবে।