শেয়ার বাজার

অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ
পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

গাইবান্ধার অবৈধ ১৭৯ ইটভাটা উচ্ছেদে হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়ন না করায় পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) লুৎফর রহমানসহ তিন জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বাকি দুইজন হলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের রংপুরের বিভাগীয় পরিচালক নুরুল আমিন এবং গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান।

আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার (৯ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে রিটকারী আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী।

আদেশের বিষয়ে আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাকা সাংবাদিকদের বলেন, আদালত অবমাননার দায়ের কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

গাইবান্ধার লাইসেন্সবিহীন ১৭৯ অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক।

এই রিটের শুনানি নিয়ে ২০২৪ সালের ৬ মে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। রুল শুনানি শেষে চলতি বছর ১৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে ওই ১৭৯ ইটভাটাসহ গাইবান্ধার সব অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। ৬০ দিনের মধ্যে এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।

তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও আদেশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় আদালত অবমাননার আবেদন করেন আইনজীবী রাজ্জাক। ওই আবেদন শুনানি নিয়ে আদালত অবমাননার এই রুল জারি করেছন হাইকোর্ট। 

Dummy Ad 1

ইউআইটিএস-এ আইন দর্শন সেমিনার: বক্তব্য রাখলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ মে, ২০২৬

ইউআইটিএস-এ আইন দর্শন সেমিনার: বক্তব্য রাখলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি

ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) এর আইন বিভাগের উদ্যোগে আইন দর্শনবিষয়ক বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে ২০২৬) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের মুট কোর্ট রুমে এ আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ও মূল বক্তা ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রিফাত আহমেদ। তিনি আইনের দার্শনিক ভিত্তি, ন্যায়বিচারের ধারণা, বিচারিক যুক্তি বিশ্লেষণ এবং আধুনিক জুরিসপ্রুডেন্সের বিভিন্ন তাত্ত্বিক দিক তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, আইন ও ন্যায়বিচারের তাত্ত্বিক এবং ব্যবহারিক অনুষঙ্গের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক গভীরভাবে অনুধাবন করা জরুরি। তার বক্তব্য আইন শিক্ষার্থী, গবেষক ও আইনবিদদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে।


গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য দেন একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পপতি এবং ইউআইটিএস ও পিএইচপি ফ্যামিলির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হওয়ার আহ্বান জানান। তার ভাষ্য, ভালো কাজের সদিচ্ছা ও পরিশ্রম মানুষকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নেয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত আইনবিদ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ড. আব্দুল্লাহ আল ফারুক। তিনি মূল প্রবন্ধের ওপর বিশ্লেষণধর্মী প্রতিফলন উপস্থাপন করেন।

সভাপতির বক্তব্যে ইউআইটিএসের উপাচার্য ড. মো. আবু হাসান ভুঁইয়া মন্তব্য করেন, এ ধরনের একাডেমিক আয়োজন সমালোচনামূলক আইন গবেষণা ও বৌদ্ধিক চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠন ও আইন শিক্ষার উৎকর্ষে এ ধরনের উদ্যোগ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও নাতে রাসুল (সা.) পরিবেশন করা হয়। পরে ইউআইটিএসের আইন বিভাগ এবং প্রধান অতিথির সংক্ষিপ্ত জীবনীর ওপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

স্বাগত বক্তব্য দেন ইউআইটিএসের অ্যাডভাইজর ও সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া।

শেষ পর্বে ক্রেস্ট প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ‘১ম ইন্ট্রা-ইউআইটিএস ল কলোকিয়াম’-এর বিজয়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও সমন্বয় করেন ইউআইটিএসের আইন বিভাগের প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক ড. মো. সোহেল রানা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, গবেষক ও বিপুলসংখ্যক আইন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।


ই-কমার্সে প্রতারণার আটক টাকা কীভাবে ফেরত, জানতে চান আপিল বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪

ই-কমার্সে প্রতারণার আটক টাকা কীভাবে ফেরত, জানতে চান আপিল বিভাগ

বার্তাবেলা ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন অনলাইন ভিত্তিক কোম্পানি ও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের পর প্রতারণার শিকার ও আটকে থাকা টাকা গ্রাহকরা কীভাবে ফেরত পাবেন, সেটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানি (এমএলএম) ইউনিপে-টু-ইউ সংক্রান্ত এক শুনানিতে মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের বিচারপতির আপিল বিভাগ এমন প্রশ্ন তোলেন।

এসময় দুদকের পক্ষে শুনানি করা সিনিয়র আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খানের কাছে আদালত জানতে চান, ‘ইউনিপে-টু-ইউ, ইভ্যালি, আলেশা মার্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আটকে থাকা টাকা গ্রাহকরা ফেরত পাবেন কীভাবে? গ্রাহকদের-তো টাকা ফেরত পেতে হবে।


অ্যাটর্নি জেনারেল পদে আলোচনায় যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

অ্যাটর্নি জেনারেল পদে আলোচনায় যারা

বাংলাদেশের পরবর্তী অ্যাটর্নি জেনারেল কে হচ্ছেন—এ প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের আদালতপাড়ায় চলছে নানান গুঞ্জন। বিশেষত বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন—এমন ঘোষণার পর থেকে সেই গুঞ্জন ডালপালা মেলতে শুরু করেছে আইনাঙ্গনের বাতাসে। এরপর থেকেই সামনে আসছে অনেকের নাম। বিদ্যমান অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলদের মধ্যে থেকে কাউকে এ পদে উন্নীত করা হবে, নাকি নতুন কাউকে নিয়োগ দেয়া হবে—আছে এমন প্রশ্নও।

একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, পরবর্তী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগের জন্য সরকার চিন্তাভাবনা করছে। এক্ষেত্রে কয়েকজনের নাম খুব জোরেশোরেই উচ্চারিত হচ্ছে। তাদের মধ্যে আছেন—অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আরশাদুর রউফ ও ব্যারিস্টার অনীক আর হক। এছাড়া বিএনপিপন্থি প্রভাবশালী আইনজীবীদের নামও শোনা যাচ্ছে। যাদের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদকও রয়েছেন।

সংবিধানের ৬৪ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোনো ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।’

বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন—এমন খবর এখন সর্বত্র। তিনি যদি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন তাহলে নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। তাই, এ পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে জোর লবিং চালাচ্ছেন অনেক আইনজীবী।

সূত্রের তথ্য, পরবর্তী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগের জন্য যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. বদরুদ্দোজা বাদল, ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ব্যারিস্টার সালাহউদ্দিন দোলনের নাম জোরেশোরে শোনা যাচ্ছে।

অন্যদিকে, অ্যাটর্নি জেনারেল মনোনয়ন নিশ্চিত হলে পদত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছেন। তাই আইনজীবীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে, কে হচ্ছেন পরবর্তী অ্যাটর্নি জেনারেল?

সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন অ্যাটর্নি জেনারেল। সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্য কোনো ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দান করবেন।’ উপ-অনুচ্ছেদ ৪-এ বলা হয়েছে, ‘তিনি রাষ্ট্রপতির সন্তোষ অনুযায়ী স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।’

এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী জাগো নিউজেকে বলেন, তফসিল ঘোষণা এবং মনোনয়নপত্র কেনার পর রাষ্ট্রের বর্তমান প্রধান আইন কর্মকর্তাকে পদত্যাগ করলেই হবে। এরপর রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেবেন।

বর্তমানে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে রয়েছেন, মুহাম্মদ আব্দুল জব্বার ভুঁঞা, মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও মোহাম্মদ অনীক আর হক। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়েই কর্মরত রয়েছেন তারা। সুপ্রিম কোর্ট বার থেকে নিয়োগ দেওয়ার মতো নাম শোনা যাচ্ছে অনেকের। তাদের মধ্যে রয়েছেন—ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিনিয়র অ্যাডভোকেট সালাহউদ্দিন দোলন, ব্যারিস্টার এম. বদরুদ্দোজা বাদল এবং ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ

অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলদের মধ্যে থেকে পরবর্তী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ পাওয়ার আলোচনায় রয়েছেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ। একজন বিচক্ষণ আইনজীবী হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট বারে তার সুনাম রয়েছে। তিনি সাবেক বিচারপতি ও সাবেক সফল প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুর রউফের ছেলে। ব্যারিস্টার রউফ বিভিন্ন সময়ে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

ব্যারিস্টার অনীক আর হক

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার অনীক আর হক বর্তমানে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন সমন্বয়কদের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। পরবর্তী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ব্যারিস্টার অনীক আর হকের নামও আলোচনায় রয়েছে।

ব্যারিস্টার এম. বদরুদ্দোজা বাদল

বিএনপিপন্থি আইনজীবী হিসেবে পরিচিত তিনি। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের আহ্বায়কও। দলীয় আদর্শ থাকলেও সব মত ও পথের আইনজীবীদের কাছে তিনি জনপ্রিয়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ল’ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (রুলা) কমিটির আহ্বায়ক। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল রিটের অন্যতম আইনজীবীও।

ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল

ব্যারিস্টার কাজল বাংলাদেশের আইন অঙ্গনে সুপরিচিত মুখ। অভিজ্ঞ ও মেধাবী আইনজীবী হিসেবেও পরিচিত। বিএনপির প্যানেল থেকে তিনি সুপ্রিম কোর্ট বারের দুইবারের নির্বাচিত সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাংবিধানিক বিভিন্ন আলোচিত মামলার শুনানিতে তিনি দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। পরবর্তী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুসের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

আব্দুল জব্বার ভুঁইয়া

সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবীকে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। তাদের একজন অ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার ভুঁইয়া। ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তাদের নিয়োগ দিয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন

ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন বারের সুপরিচিতি আইনজীবী। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে আইনি লড়াই করেছেন। জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলায়ও তিনি ছিলেন আসামিদের আইনজীবী। সর্বশেষ, গ্রামীণফোন তথা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসেরও আইনজীবী ছিলেন।

ব্যারিস্টার সালাহউদ্দিন দোলন

সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার সালাহউদ্দিন দোলন ‘সার্ভিস ম্যাটার’ সংক্রান্ত মামলার জন্য খ্যাতি পান। বেশ কিছু মামলার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে তিনি আলোচনায় আসেন। এর মধ্যে একটি হচ্ছে, ১৭ বছর আগে অনুষ্ঠিত ২৭তম বিসিএস উত্তীর্ণদের নিয়োগবঞ্চিত এক হাজার ১৩৭ জনের চাকরি ফেরত দিতে আপিল বিভাগ থেকে রায় পাওয়া। চাকরিচ্যুত দুদক কর্মকর্তা মো. শরীফউদ্দিনের আইনজীবীও তিনি।

সর্বশেষ গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে প্রতীকী ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পক্ষে আইনি লড়াই চালান। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের কট্টর সমালোচকও তিনি।

শরীফ ভূইয়া

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করে আনা ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে ১৪ বছর আগে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানিতে সিনিয়র আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়ার নামও রয়েছে পরবর্তী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে।

বিএম ইলিয়াস কচি

সুপ্রিম কোর্ট বারের সুপরিচিত মুখ অ্যাডভোকেট বিএম ইলিয়াস কচি। তিনি সরাসরি দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তবে ২০১৭-১৮ মেয়াদে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। অনেক গুরুত্বপূর্ণ মামলা তিনি পরিচালনা করেছেন।

এছাড়া বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজীও অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ পাওয়ার আলোচনায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।