শেয়ার বাজার

নারায়ণগঞ্জের তিন কর্তা আইভী-শামীম-সেলিম বসছেন এক টেবিলে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

নারায়ণগঞ্জের তিন কর্তা আইভী-শামীম-সেলিম বসছেন এক টেবিলে

বার্তাবেলা ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান ও সিটি করপোরেশনের (নাসিক) মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে একই টেবিলে বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে অনেকবার। কিন্তু পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে সেটা হয়ে ওঠেনি। অবশেষে এক টেবিলে দেখা যাবে তাদের। তাদের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানও।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের আয়োজনে গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন তারা।

এর আগে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র একসঙ্গে বসলেও নারায়ণগঞ্জের সমস্যা নিয়ে কথা হয়নি কখনো। কিন্তু এবার তাদের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরা হবে।

সভায় আরও উপস্থিত থাকবেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল, র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চন্দন শীল, বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) রুহুল আমিন সাগর ও বিআরটির সহকারী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল কবীর।

নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আরিফ আলম দিপু বলেন, জেলার সব সমস্যার সমাধানের জন্য এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। বৈঠক থেকে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে সমস্যাগুলোর যেন সমাধান হয়।

প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জীবন বলেন, যানজটসহ যে সমস্যাগুলো আছে তা সমাধানে যেন জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসন একসঙ্গে কাজ করে, এটাই আমাদের লক্ষ্য।

এর আগে গতবছরের ১৪ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, শামীম ওসমান ও সেলিম ওসমান একত্রে বসেছিলেন। সেদিন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Dummy Ad 1

শনিবার বিএনপির কালো পতাকা মিছিল: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪

শনিবার বিএনপির কালো পতাকা মিছিল: রিজভী

দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ডামি নির্বাচনে অবৈধ সংসদ বাতিলের এক দফা দাবিতে শনিবার (২৭ জানুয়ারি) কালো পতাকা মিছিল করবে বিএনপি। বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোও এ মিছিল করবে।

শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) বিএনপির প্রস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শনিবার দুপুর ২টায় নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কর্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল শুরু করবে বিএনপি। মিছিলে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য ও সিনিয়র নেতারা। এছাড়া দলটির অঙ্গ, সহযোগী ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অংশ নেবেন।

অন্যদিকে, দুপুর সাড়ে ১২টায় বিজয় নগর পানির ট্যাংক সামনে থেকে মিছিল শুরু করবে ১২ দলীয় জোট। বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব সামনে থেকে শুরু করবে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট।

বিকেল সাড়ে ৩টায় মতিঝিল নটরডেম কলেজ উল্টো দিকে গণফোরাম চত্বর থেকে শুরু করবে গণফোরাম ও পিপলস পার্টি। বেলা ১১টা বিজয় নগর পানির ট্যাংক সামনে থেকে শুরু করবে এলডিপি। বিকেল সাড়ে ৩টায় বিজয় নগর দলীয় কার্য়ালয় সংবাদ সম্মলেন করবে এবি পার্টি।


জাপা কার্যালয়
সকালে রওশন পন্থিদের দখলে, দুপুরে তালা মারলেন কাদের পন্থিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সকালে রওশন পন্থিদের দখলে, দুপুরে তালা মারলেন কাদের পন্থিরা

জাতীয় পার্টির কাকরাইল কার্যালয় দখলে নিয়ে সকালে ‘আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম’ শুরুর ঘোষণা দেন রওশনপন্থিরা। তবে রওশনপন্থিরা বের হয়ে যাওয়ার পর দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে ফের নিজেদের দখলে নেন জিএম কাদেরপন্থিরা।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দুইটার পর কাকরাইলের পাইওনিয়ার রোডের পাঁচ তালাবিশিষ্ট ওই কার্যালয়ে দেখা যায় এমন চিত্র। যদিও সেসময় দুইপক্ষের কোনো নেতাকর্মীকেই দলীয় কার্যালয়ে দেখা যায়নি।

এর আগে, এদিন সকাল ৮টায় কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে থাকা দলের প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রওশনপন্থি নেতাকর্মীরা। এর মাধ্যমে তারা ওই কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেন। ফুল দেওয়া এবং মোনাজাত শেষে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কার্যালয় পরিদর্শন এবং সেখানকার স্টাফদের খোঁজখবর নেন রওশনপন্থি অংশের মহাসচিব কাজী মামুনুর রশীদ।

এরপর উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অব্যাহতি পাওয়া চুন্নুর (মুজিবুল হক চুন্নু) চ্যালেঞ্জ প্রতিহত করেই শত শত নেতাকর্মী সঙ্গে নিয়ে আমরা কার্যালয়ে প্রবেশ করেছি। দেখি কে প্রতিহত করে? কার কত বুকের পাটা আছে, তা আগামীতেই প্রমাণ হবে।’

দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় সেখানে অবস্থান শেষে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ত্যাগ করেন কাজী মামুনুর রশীদ ও রওশনপন্থি নেতাকর্মীরা।


এরপর দুপুর দুইটার দিকে জাতীয় পার্টির কাকরাইল কার্যালয়ে যান জাগো নিউজের এই প্রতিবেদক। এসময় দেখা যায়, এরশাদের প্রতিকৃতিতে নেই রওশনপন্থিদের দেওয়া ফুল। ভবনের সামনে ঝুলছে জিএম কাদের ও মুজিবুল হক চুন্নুর পক্ষ থেকে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানানো বিশাল ব্যানার। তবে এসময় কার্যালয়ের সামনে দলটির কোনো পক্ষের নেতাকর্মীই চোখে পড়েনি।

দুই ঘণ্টারও বেশি সময় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলানো ছিল। কারা তালা ঝুলিয়েছেন, ফুল কারা সরিয়েছেন- এসব বিষয়ে বারবার জানতে চাইলেও কার্যালয়ে দায়িত্বে থাকা দুই নিরাপত্তাকর্মী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে কার্যালয়ের সামনে থাকা দোকানগুলোর কর্মচারীদের সঙ্গে কথা কথা বলে জানা যায়, সকাল থেকেই ফুল ছিল এরশাদের প্রতিকৃতির সামনে। জুমার নামাজের পর আর দেখা যায়নি। পরে খোঁজ করে পার্টি অফিসের পাশের এক ভবনের নিচতলায় কাজী মামুনুর রশীদের দেওয়া পুষ্পস্তবক পড়ে থাকতে দেখা যায়।এসব বিষয়ে জিএম কাদেরপন্থি নেতা ও জাপার যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম বলেন, ‘দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে জাতীয় পার্টি থেকে অব্যাহতি পাওয়া কয়েকজন এবং কিছু ভাড়াটে লোক সকালে এসেছিলেন। শুক্রবার বন্ধের দিন সকাল ৮টার দিকে তারা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিকৃতিতে ফুল দেন। এরপর তারা কার্যালয়ের নিচ তলায় অবস্থিত ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কক্ষে ১০ থেকে ১২ মিনিট অবস্থান করেন। পরে কার্যালয়ের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে চলে যান।’

আরও পড়ুন: বাইরের কারও ইন্ধনে চলছে জাপাকে দুর্বল করার চেষ্টা: চুন্নু

তিনি বলেন, ‘এই বিষয়টি নিয়ে কিছু সংবাদমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারিত হয়েছে যে, জাতীয় পার্টি অফিস কে বা কারা দখলে নিয়েছে। এই সংবাদ অসত্য। জাতীয় পার্টি সারাদেশে জিএম কাদেরের নেতৃত্বে এক ও ঐক্যবদ্ধ।’

জিএম কাদেরপন্থি কমিটির যুগ্ম-দপ্তর সম্পাদক মোরশেদ আলম বলেন, ‘রওশনপন্থিরা অনধিকার প্রবেশ করেছেন। তারা পার্টি থেকে বহিষ্কৃত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত। তারা কাক ডাকা ভোরে সকাল আটটায় অফিসে এসে ফুল দিয়েছেন। এরপর ভেতরে এসে নিচতলায় ৫-৭ মিনিট অবস্থান করে চলে যান। মোটামুটি ২৫ মিনিটের মধ্যে পুরো কার্যক্রম শেষ করে চলে যান তারা।’


নির্বাচনের পরপরই নিত্যপণ্যের দাম বহুগুণ বেড়েছে: ইসলামী আন্দোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

নির্বাচনের পরপরই নিত্যপণ্যের দাম বহুগুণ বেড়েছে: ইসলামী আন্দোলন

বার্তাবেলা ডেস্ক: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, ‘প্রহসনের ডামি নির্বাচন ও ডামি মন্ত্রিসভা গঠনের পরপরই প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম বহুগুণ বেড়েছে। শীতকালীন সবজি, আমনের মৌসুমে প্রতি কেজি চালে ৫ থেকে ৮ টাকা বৃদ্ধি সাধারণ ও খেটে খাওয়া জনগণকে শঙ্কিত করে তুলেছে।’

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

ভরা মৌসুমেও চাল ও সবজির মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা জনগণকে পীড়া দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি জনজীবন চরম দুর্বিষহ করে তুলেছে। বাজারে আমনের নতুন চাল উঠেছে। উঠেছে নতুন আলু, নতুন পেঁয়াজ, শীতের শাকসবজি। স্বাভাবিকভাবে দাম কমার কথা। প্রতি বছর তা-ই ঘটে। কিন্তু সিন্ডিকেটের কারণে এখন অর্থনীতির কোনো সাধারণ সূত্রই যেন কাজ করছে না বাজারে।’